মোঃ রাছেল, কচুয়া (চাঁদপুর) প্রতিনিধি:
চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার কাদলা ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রঘুনাথপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি হিসেবে মনোনীত হয়েছেন কচুয়া উপজেলা বিএনপি নেতা ও সাবেক ছাত্রনেতা জান্নাতুল আলম আলমগীর।
গত ২৪ মে কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় পরিদর্শক স্বাক্ষরিত এক চিঠির মাধ্যমে চার সদস্যবিশিষ্ট এডহক কমিটির অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়।
কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ড কর্তৃক প্রেরিত চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের গভর্নিং বডি ও ম্যানেজিং কমিটি প্রবিধানমালা-২০২৪ এর ৬৪(১০) ধারা অনুযায়ী এডহক কমিটি গঠন করা হয়েছে। অনুমোদিত কমিটি স্মারক ইস্যুর তারিখ থেকে পরবর্তী ছয় মাস দায়িত্ব পালন করবে। একই সঙ্গে এ সময়ের মধ্যে বিধি অনুযায়ী নিয়মিত ম্যানেজিং কমিটি গঠনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
নবগঠিত এডহক কমিটির অন্যান্য সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন শিক্ষক প্রতিনিধি স্বপন চন্দ্র শীল এবং অভিভাবক প্রতিনিধি সদস্য মাহবুব আলম। নতুন দায়িত্ব পাওয়ার প্রতিক্রিয়ায় জান্নাতুল আলম আলমগীর বলেন, “এই দায়িত্ব আমার জন্য অত্যন্ত সম্মানের এবং একই সঙ্গে বড় ধরনের দায়িত্ববোধের বিষয়। আমি সততা, নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে বিদ্যালয়ের শিক্ষার মানোন্নয়নে কাজ করে যাব। শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতায় প্রতিষ্ঠানটিকে একটি আদর্শ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করতে চাই।”
তিনি আরও বলেন, “আমাকে এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়ায় মাননীয় শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন, কেন্দ্রীয় বিএনপি’র কার্যনির্বাহী সদস্য নাজমুন নাহার বেবীসহ শিক্ষাবোর্ডের সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।”
জান্নাতুল আলম আলমগীর এলাকায় একজন শিক্ষানুরাগী ও সমাজসেবক হিসেবে সুপরিচিত। তিনি ব্যক্তিগত জীবনে খাদিজাতুল কোবরা (রা.) মহিলা ফাজিল মাদ্রাসার প্রভাষক হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। পাশাপাশি ঢাকার টোটাল কেয়ার অটোমোবাইলস লিমিটেডে অ্যাডমিন অ্যান্ড এইচআর পদে দায়িত্ব পালন করছেন।
শিক্ষাজীবনে তিনি বি.এ, বি.এস.এস (অনার্স), এম.এস.এস এবং এল.এল.বি ডিগ্রি অর্জন করেছেন। তার পিতা আব্দুল আউয়াল মজুমদার কাদলা ইউনিয়নের বড়বাড়ী গ্রামের বাসিন্দা।
স্থানীয় শিক্ষাবিদ ও সচেতন মহল আশা প্রকাশ করেছেন, জান্নাতুল আলম আলমগীরের নেতৃত্বে রঘুনাথপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে এবং প্রতিষ্ঠানটি শিক্ষার মানোন্নয়নের ক্ষেত্রে নতুন মাত্রা অর্জন করবে।