শিবগঞ্জ (বগুড়া) প্রতিনিধি:
সারা দেশে একযোগে ১৯টি উপজেলার ১৯টি ওয়ার্ডে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে। সরকারের জনকল্যাণমূলক এই কর্মসূচির অংশ হিসেবে বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার আটমূল ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডেও ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, এমপি। তিনি ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করে বলেন, সরকারের বিভিন্ন কল্যাণমূলক উদ্যোগের সুফল যেন প্রকৃত সুবিধাভোগীদের দোরগোড়ায় পৌঁছে যায়, সে লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট সবাইকে আন্তরিকতা, সততা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করতে হবে।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, বর্তমান সরকার দেশের প্রান্তিক, অসহায় ও নিম্নআয়ের মানুষের জীবনমান উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে প্রকৃত উপকারভোগীরা সরাসরি সরকারি সহায়তা পাওয়ার সুযোগ পাবেন। এতে একদিকে যেমন সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির কার্যকারিতা বৃদ্ধি পাবে, অন্যদিকে গ্রামীণ অর্থনীতি আরও শক্তিশালী হবে।
তিনি উল্লেখ করেন, সরকারের লক্ষ্য হলো কোনো যোগ্য ব্যক্তি যেন সরকারি সুবিধা থেকে বঞ্চিত না হন। এজন্য স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার ভিত্তিতে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে দরিদ্র ও নিম্নআয়ের পরিবারগুলো বিভিন্ন ধরনের সরকারি সহায়তা সহজে গ্রহণ করতে পারবেন।
শিবগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া বিপুলসংখ্যক সুবিধাভোগী অনুষ্ঠানে অংশ নেন এবং ফ্যামিলি কার্ড গ্রহণ করেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানকে ঘিরে এলাকাবাসীর মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায়। স্থানীয়রা সরকারের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে প্রকৃত সুবিধাভোগীদের কাছে সরকারি সহায়তা পৌঁছানো আরও সহজ হবে। একই সঙ্গে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতা বৃদ্ধি পেয়ে সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়নে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।
ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধনের মাধ্যমে শিবগঞ্জ উপজেলার সুবিধাভোগী পরিবারগুলোর মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে। সরকারি সহায়তা কার্যক্রমকে আরও কার্যকর ও জনমুখী করতে এ উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।