ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় শক্তিশালী স্থানীয় সরকারের বিকল্প নেই: ড. আবদুল মঈন খান স্থানীয় সরকার নির্বাচনে শিক্ষাগত যোগ্যতার বাধ্যবাধকতা নেই: মীর শাহে আলম দুপুরের মধ্যেই বিদ্যুৎ পাচ্ছে বাংলাদেশ: কমবে লোডশেডিং এমপিও শিক্ষকদের নির্বাচন ভাগ্য নির্ধারণ করবে ইসি: মীর শাহে আলম সরকারি কেনাকাটায় পুকুরচুরি ঠেকাতে আসছে অভিন্ন একক দরতালিকা সাগর-রুনি হত্যার বিচার চেয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে লিখিত অভিযোগ তারুণ্য না অভিজ্ঞতা: ছাত্রদলের নতুন নেতৃত্ব চয়নে জটিল হিসাব-নিকাশ আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপন চ্যালেঞ্জের রিট খারিজ হাইকোর্টে ইন্দোনেশিয়ায় ২৪০ যাত্রী নিয়ে জাহাজ নিখোঁজ ঠাকুরগাঁও সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত, আটক ২

সব বাধা ও ষড়যন্ত্র পেরিয়ে আধুনিক বগুড়া গড়ার প্রত্যয় প্রতিমন্ত্রীর


  • আপলোড সময় : বৃহস্পতিবার ১৮ জুন, ২০২৬ সময় : ২:১৯ পিএম

যেকোনো বড় ধরনের সামাজিক পরিবর্তন, শাসনতান্ত্রিক সংস্কার কিংবা যুগান্তকারী অবকাঠামোগত অর্জনের পথ কখনো ফুল বিছানো বা মসৃণ হয় না। ইতিহাসের প্রতিটি বাঁকেই দেখা গেছে, জনকল্যাণমুখী ও বড় উদ্যোগের পেছনে পদে পদে আসে তীব্র সমালোচনা, স্বার্থান্বেষী মহলের মতভেদ এবং নানা ধরনের জটিল রাজনৈতিক প্রতিকূলতা। তবে সংকীর্ণ মানসিকতার সমালোচনা কিংবা নানামুখী পরিকল্পিত প্রতিবন্ধকতাকে চিরতরে পেছনে ফেলে উত্তরবঙ্গের প্রধান প্রবেশদ্বার ও প্রাণকেন্দ্র বগুড়াকে একটি সম্পূর্ণ আধুনিক, সুপরিকল্পিত, যুগোপযোগী এবং পরিচ্ছন্ন মেগাসিটি বা অত্যাধুনিক মহানগরী হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে চলমান মেগা উন্নয়ন কর্মকাণ্ড নিয়ে এখন ব্যাপক আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন স্থানীয় সচেতন নাগরিক সমাজ ও তৃণমূলের সর্বস্তরের সাধারণ মানুষ। দীর্ঘদিনের অবহেলিত ও পিছিয়ে পড়া বগুড়ার সামগ্রিক অবকাঠামোগত চিত্র আজ বর্তমান সরকারের আমলে দৃশ্যমান নানামুখী উন্নয়নযজ্ঞের মাধ্যমে আমূল বদলে যেতে শুরু করেছে, যা ইতিমধ্যেই জেলার সর্বমহলে ব্যাপকভাবে প্রশংসিত ও সমাদৃত হচ্ছে। বর্তমান সময়ে স্থানীয় সাধারণ মানুষের প্রকৃত ও প্রধান চাওয়া হলো—একটি আধুনিক পরিকল্পিত নগরী, উন্নত ও টেকসই যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং যুগের সাথে তাল মিলিয়ে চলা সব ধরনের উন্নত নাগরিক সুবিধা; যা বর্তমান প্রশাসনের হাত ধরে ক্রমান্বয়ে বাস্তব রূপ নিতে শুরু করেছে।

রাজনীতিতে মেধা, প্রজ্ঞা, দূরদর্শিতা এবং আপসহীন ব্যক্তিত্বসম্পন্ন বলিষ্ঠ নেতৃত্বের উপস্থিতি সবসময়ই যেকোনো অঞ্চলের জন্য এক অনন্য সম্পদ হিসেবে বিবেচিত হয়। আর এই আপসহীন নেতৃত্বের গুণেই সমাজে সব ধরনের অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক সমালোচনা থাকবেই—এটাই রাজনীতির চিরায়ত নিয়ম ও নিন্দুকদের চিরস্থায়ী স্বভাব। দেশের অতীত রাজনৈতিক ইতিহাসের দিকে গভীরভাবে তাকালে স্পষ্ট দেখা যায়, এর আগে উত্তরবঙ্গে যাকেই গুরুত্বপূর্ণ সাংগঠনিক বা বড় ধরনের উন্নয়নমূলক রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, তাকেই নানা আঞ্চলিক সমীকরণ ও স্বার্থান্বেষী মহলের নোংরা ষড়যন্ত্রের শিকার হতে হয়েছে। অতীতে বারবার দেখা গেছে, দক্ষিণবঙ্গের একটি বিশেষ প্রভাবশালী ও সুবিধাবাদী মহলের প্রত্যক্ষ ইন্ধনে উত্তরবঙ্গের যোগ্য নেতাদের নানাভাবে হেনস্থা করা, তাদের ভালো ও জনকল্যাণমুখী কাজে পদে পদে নানা কৃত্রিম বাধা সৃষ্টি করা এবং তাদের কাঙ্ক্ষিত রাজনৈতিক লক্ষ্যে পৌঁছাতে না দেওয়ার জন্য এক ধরণের নোংরা ও অনৈসলামিক প্রতিযোগিতা চলেছে। এমনকি নিজের দলের ভেতরের কিছু সুযোগসন্ধানী লোক বা ঘরের শত্রুরাও ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিল না হওয়ার কারণে এই যোগ্য ও ত্যাগী নেতৃত্বের গায়ে হাত তুলতে পর্যন্ত দুইবার ভাবেননি। কিন্তু সেই সব নোংরা রাজনীতি, অভ্যন্তরীণ কোন্দল এবং দীর্ঘদিনের ষড়যন্ত্রের জাল ছিন্ন করে নিজেদের যোগ্যতার চূড়ান্ত প্রমাণ দিয়েই আজ উত্তরবঙ্গের প্রকৃত প্রতিনিধিরা দেশ ও জাতির কল্যাণে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।

বগুড়াবাসী আজ দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে, কেন্দ্র থেকে শুরু করে একদম তৃণমূল পর্যায় পর্যন্ত দলের সর্বস্তরের সর্বস্তরের নেতাকর্মী ও সাধারণ জনগণ আজ এই উন্নয়নমুখী সৎ নেতৃত্বের সাথে সম্পূর্ণ একাত্মতা প্রকাশ করেছেন। অতীতে যেমন হাজারো ষড়যন্ত্র ও প্রতিবন্ধকতার বেড়াজাল ছিন্ন করে আজকের এই সংসদ সদস্য ও প্রতিমন্ত্রীর সম্মানজনক অবস্থান তৈরি হয়েছে, তেমনি বর্তমান ও ভবিষ্যতেও যেকোনো ধরনের গোপন বা প্রকাশ্য ষড়যন্ত্রের জাল ছিন্ন করে দেশ ও জাতির বৃহত্তর কল্যাণে কাজ করে যেতে হবে। সমাজে ভালো কাজ করলে রাজনীতিতে ঈর্ষাপরায়ণ সমালোচনা থাকবেই, কিন্তু জনস্বার্থে সব বাধা ডিঙিয়ে উন্নয়নকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়াই প্রকৃত ও দূরদর্শী নেতার মূল কাজ। মানুষের কল্যাণে নেওয়া প্রতিটি ভালো ও জনবান্ধব উদ্যোগের পাশে থাকার এবং এই চলমান ঐতিহাসিক অগ্রযাত্রাকে সফল করতে দল-মত নির্বিশেষে জেলার সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। ষড়যন্ত্র অতীতে ছিল, বর্তমানে আছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে—এটাই ক্ষমতার রাজনীতির অলিখিত নিয়ম। তবে দেশের আপামর জনগণ দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে, এই দূরদর্শী নেতৃত্ব অতীতেও সব বাধা জয় করতে পেরেছে, বর্তমানেও সমস্ত প্রতিকূলতা মোকাবিলা করে সফল হচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও ইনশাআল্লাহ সফলতার সাথে এগিয়ে যাবে।

বগুড়ার এই বর্তমান অভূতপূর্ব উন্নয়ন অগ্রযাত্রাকে বেগবান ও গতিশীল রাখার জন্য দেশের প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান এবং স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের সম্মানিত প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম-এর আন্তরিক ও নিরলস প্রচেষ্টার প্রতি গভীর ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে সাধারণ বগুড়াবাসী। সব সমালোচনার উপযুক্ত জবাব দিতে এবং প্রধানমন্ত্রীর হাতকে শক্তিশালী করে বাংলাদেশকে অর্থনৈতিক ও কাঠামোগতভাবে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে এই কার্যক্রম নিরবচ্ছিন্নভাবে চালিয়ে যাওয়া সময়ের দাবি। ব্যক্তি ও সংকীর্ণ রাজনৈতিক স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে পুরো জেলার এই ইতিবাচক ও যুগান্তকারী পরিবর্তনের ধারা আগামীতেও অব্যাহত থাকবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান এবং সম্মানিত প্রতিমন্ত্রী জনাব মীর শাহে আলম মহোদয়ের দূরদর্শী, বলিষ্ঠ ও আধুনিক নেতৃত্বের গুণে বগুড়া জেলা খুব দ্রুতই আরও আধুনিক, পরিচ্ছন্ন, স্বচ্ছ, জবাবদিহিতামূলক এবং একটি পূর্ণাঙ্গ ডিজিটাল মহানগর হিসেবে বিশ্ব দরবারে আত্মপ্রকাশ করবে বলে দেশের রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও সচেতন মহল শতভাগ আশাবাদ ব্যক্ত করেছে।

বগুড়াকে একটি আধুনিক ও উন্নত মেগাসিটিতে রূপান্তরের এই মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় ইতিমধ্যেই বেশ কিছু বড় প্রকল্প হাতে নিয়েছে, যা জেলার রাস্তাঘাট, ড্রেনেজ ব্যবস্থা এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় আমূল পরিবর্তন আনবে। সাধারণ মানুষ মনে করেন, মীর শাহে আলম-এর মতো একজন নিবেদিতপ্রাণ নেতা মন্ত্রীসভায় উত্তরবঙ্গের প্রতিনিধিত্ব করায় এই অঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের বঞ্চনার অবসান ঘটতে চলেছে। বিগত দিনে যেসব প্রকল্প আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় আটকে ছিল, প্রতিমন্ত্রীর ব্যক্তিগত উদ্যোগে সেগুলোতে গতি ফিরে এসেছে। বগুড়ার ব্যবসায়ী সমাজ ও তরুণ উদ্যোক্তারাও এই পরিবর্তনকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন, কারণ উন্নত অবকাঠামো ও ডিজিটাল সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত হলে জেলাটিতে নতুন নতুন শিল্পকারখানা গড়ে উঠবে এবং বিপুল কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হবে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক সব ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ ও ‘আধুনিক মহানগরী’র রূপকল্প বাস্তবায়নে বগুড়া জেলা এখন সারা দেশের মধ্যে একটি রোল মডেল হতে চলেছে। তাই এই উন্নয়নের ধারাকে কোনোভাবেই ব্যাহত হতে দেওয়া যাবে না। নিন্দুকদের অপপ্রচার ও ঘরের শত্রুদের বিভেদের রাজনীতিকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে বগুড়ার সর্বস্তরের মানুষ আজ ঐক্যবদ্ধ। তারা বিশ্বাস করে, মীর শাহে আলম-এর হাত ধরেই উত্তরবঙ্গের এই প্রবেশদ্বার একদিন দেশের অন্যতম প্রধান অর্থনৈতিক হাব বা অর্থনৈতিক কেন্দ্রে পরিণত হবে। এই চলমান উন্নয়নযজ্ঞ কেবল বগুড়ার ভৌগোলিক চিত্রই বদলাচ্ছে না, বরং তা স্থানীয় মানুষের জীবনযাত্রার মান ও অর্থনৈতিক সক্ষমতাকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাচ্ছে, যা আগামী প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ, পরিচ্ছন্ন ও সমৃদ্ধশালী আবাসভূমি নিশ্চিত করবে।


এ সম্পর্কিত আরো খবর