নতুন বলে দুর্দান্ত শুরু করেছিল বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। যার ফলে দ্রুত দলীয় ফিফটির আগেই তিন উইকেট হারিয়ে বেশ বিপদে পড়েছিল সফরকারী অস্ট্রেলিয়া। তবে শুরুর সেই বিপর্যয় থেকে দলকে টেনে তোলেন ম্যাট রেনশো ও টিম ডেভিড। বিশেষ করে রেনশো এদিন দুর্দান্ত ব্যাটিং করেছেন। তাঁর মারকুটে ব্যাটে ভর করেই শেষ পর্যন্ত বড় সংগ্রহ পেয়েছে অজিরা। চট্টগ্রামে টস জিতে আগে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৯৬ রান সংগ্রহ করেছে অস্ট্রেলিয়া। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৮৯ রান করে অপরাজিত থাকেন রেনশো।
গত ম্যাচের মতো আজও আক্রমণাত্মক শুরু করতে চেয়েছিলেন অজি ওপেনার জশ ইংলিস। তবে এবার তাঁকে বেশিদূর এগোতে দেননি বাংলাদেশের স্পিনার নাসুম আহমেদ। ইনিংসের তৃতীয় ওভারে লেগ বিফোরের ফাঁদে ফেলে এই ওপেনারকে সাজঘরে ফিরিয়েছেন তিনি। বিদায় নেওয়ার আগে ৬ বলে ১১ রান করেছেন ইংলিস। পরের ওভারেই বাংলাদেশ দলকে আবারও ব্রেকথ্রু এনে দেন পেসার নাহিদ রানা। টি-টোয়েন্টিতে অভিষেকের ৩৯৬ দিন পর মাঠে নেমেই উইকেটের দেখা পান এই প্রিমিয়াম পেসার। ১ রান করা কপার কলোনিকে স্লিপে সাইফ হাসানের দুর্দান্ত ক্যাচে পরিণত করে সাজঘরে ফিরিয়েছেন তিনি। পরপর দুই ওভারে উইকেট হারানোয় দেখে-শুনে খেলছিলেন অধিনায়ক মিচেল মার্শ। তবে ১৯ বলে ২০ রানের বেশি করতে পারেননি তিনি।
দলীয় ৪৪ রানে ৩ উইকেট হারানোর পর অস্ট্রেলিয়ার হাল ধরেন রেনশো ও ডেভিড। এই দুজনের ৯৭ রানের ঝোড়ো জুটিতে ম্যাচে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়ায় অজিরা। ৪৫ রান করা ডেভিডকে ফিরিয়ে জমে ওঠা এই জুটি ভাঙেন আব্দুল গাফফার সাকলাইন। ডেভিড বিদায় নিলেও রেনশো অপরাজিত থেকে ইনিংস শেষ করে আসেন। তাঁর অনবদ্য ৮৯ রানের ইনিংসে ভর করেই ১৯৬ রানের বড় সংগ্রহ পায় অস্ট্রেলিয়া। বাংলাদেশের হয়ে বল হাতে ২৭ রান খরচায় ২ উইকেট শিকার করে ইনিংসের সেরা বোলার নাসুম আহমেদ। এ ছাড়া একটি করে উইকেট পেয়েছেন নাহিদ রানা, আব্দুল গাফফার সাকলাইন ও মুস্তাফিজুর রহমান।