বাজুস জানায়, স্থানীয় বাজারে পিওর গোল্ডের মূল্য হ্রাস পাওয়ায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে স্বর্ণের এই নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন মূল্য তালিকা অনুযায়ী, ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণ বিক্রি হবে ২ লাখ ২৬ হাজার ৩৪০ টাকায়। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ১৬ gilded ১৯২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮৫ হাজার ৬৯১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের প্রতি ভরি ১ লাখ ৫১ হাজার ৬৯০ টাকা।
এর আগে গত ১৯ জুনও স্বর্ণের দাম এক দফায় কমিয়েছিল বাজুস। সেদিন প্রতি ভরিতে ৪ হাজার ৩৭৪ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ২৮ হাজার ৫৫৬ টাকা। ফলে নতুন এই সিদ্ধান্তের পর পর পর দুই দিনে দেশে প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম মোট ৬ হাজার ৫৯০ টাকা কমেছে। বাজুসের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে রেকর্ড ৭৮ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ৩৯ বার দাম বাড়ানো হয়েছে, ৩৮ বার কমানো হয়েছে এবং একবার ভ্যাট সমন্বয় করা হয়েছে।
স্বর্ণের দাম কমলেও দেশের বাজারে রুপার দাম অপরিবর্তিত রেখেছে সংগঠনটি। বর্তমানে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে ৫ হাজার ২৪৯ টাকায়। এছাড়া ২১ ক্যারেটের রুপা ৫ হাজার ১৬ টাকা, ১৮ ক্যারেটের রুপা ৪ হাজার ২৫৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপা ৩ হাজার ২০৮ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বাজুস জানিয়েছে, পরবর্তী ঘোষণা না দেওয়া পর্যন্ত দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে এই নতুন মূল্য কার্যকর থাকবে। তবে অলঙ্কারের নকশা ও কারুকাজভেদে মজুরি পৃথকভাবে যোগ হবে। তবে স্বর্ণালঙ্কারের বিক্রয়মূল্যের মধ্যেই ভ্যাট অন্তর্ভুক্ত থাকায় গ্রাহকের কাছ থেকে আলাদাভাবে কোনো ভ্যাট আদায় করা যাবে না। বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামের নিম্নমুখী প্রবণতার প্রভাব স্থানীয় বাজারেও পড়তে শুরু করেছে বলে মনে করছেন বাজার সংশ্লিষ্টরা।