ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬,  ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে বসছে এআই ক্যামেরা, আইন ভাঙলেই স্বয়ংক্রিয় মামলা ফ্যাসিস্টরা স্বাস্থ্যখাতকে ধ্বংস করে দিয়ে গেছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়াতে জাপান সফরে নতুন ৪টি সমঝোতা স্মারক সই পাশাপাশি চার কবরে চিরনিদ্রায় একই পরিবারের চার সদস্য স্পেনে ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনা: নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৬৪, আহত ৮০ ঢামেকে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্সের ধর্মঘট ৭ দিনের জন্য স্থগিত ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: ১৮৫ কেন্দ্রের মধ্যে ১১৫টিই অধিক ঝুঁকিপূর্ণ প্রগতির আড়ালে নৈতিক দেউলিয়া সমাজ: বিশ্ব যখন শেখায়, আমরা তখন পিছিয়ে সেঞ্চুরি থেকে মাত্র ১ রান দূরে সাদমান, প্রথম দিনে বাংলাদেশের সংগ্রহ ২১৩ স্পেনে দ্রুতগতির দুই ট্রেনের সংঘর্ষে নিহত অন্তত ৪৬

বাগেরহাটে সাড়ে তিন বিঘার ঘের দখল: প্রশাসনের হস্তক্ষেপ চেয়ে সংবাদ সম্মেলন


  • আপলোড সময় : সোমবার ২২ জুন, ২০২৬ সময় : ৫:১২ পিএম

বাগেরহাট প্রতিনিধি

বাগেরহাট সদর উপজেলার পার-নওয়াপাড়া গ্রামের কৃষক মো. ইশারাত খান তার দীর্ঘদিনের ভোগদখল করা সাড়ে তিন বিঘা জমির একটি মাছের ঘের অবৈধভাবে দখল করে নেওয়ার প্রতিবাদে ও প্রতিকার চেয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছেন। আজ সোমবার (২২ জুন) সকাল ১১টায় বাগেরহাট প্রেসক্লাব মিলনায়তনে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে ভুক্তভোগী ইশারাত খান জানান, প্রায় ১৯ বছর আগে স্থানীয় হারুন শেখ নামের এক ব্যক্তির সঙ্গে যৌথভাবে পার-নওয়াপাড়া বিলে তিনি মাছের ঘের ব্যবসা শুরু করেন। পরবর্তীতে পার্টনারশিপ ভেঙে তিনি সম্পূর্ণ নিজস্ব উদ্যোগে সাড়ে তিন বিঘা জমির ওপর এককভাবে ঘের পরিচালনা করে আসছিলেন। এই জমির মধ্যে স্থানীয় আজিয়ার রহমানের মালিকানাধীন এক বিঘা জমি বন্ধকসূত্রে তার দখলে আসে। এরপর থেকে সামাজিক ও স্থানীয় সমঝোতার ভিত্তিতেই তিনি দীর্ঘদিন ধরে পুরো জমিটি ভোগদখল ও মাছ চাষ করছিলেন বলে দাবি করেন।

লিখিত বক্তব্যে তিনি আরও অভিযোগ করেন, ২০২৪ সালের ৬ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের সুযোগ নিয়ে আজিয়ার রহমান জোরপূর্বক তার পুরো মাছের ঘেরটি দখল করে নেন। এ ঘটনার পর বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, পুলিশ প্রশাসন এবং আইনজীবীদের মধ্যস্থতায় একাধিকবার সালিশ বৈঠক অনুষ্ঠিত হলেও প্রতিপক্ষের অবাধ্যতার কারণে কোনো সুরাহা হয়নি। ইশারাতের দাবি, প্রতিপক্ষ আজিয়ার রহমান তার নিজস্ব এক বিঘা জমি ছাড়া বাকি আড়াই বিঘা জমির মালিকানার কোনো বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারেননি। কিন্তু ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে বর্তমানে পুরো সাড়ে তিন বিঘা মাছের ঘের দখল করে রেখেছেন তিনি।

ঘেরটি হাতছাড়া হওয়ায় তিনি চরম আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন উল্লেখ করে জেলা প্রশাসন, জেলা পুলিশসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে একটি নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। একই সাথে তদন্তের মাধ্যমে তার বৈধ দখলদারিত্ব ও অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠার জোর আহ্বান জানান তিনি। সংবাদ সম্মেলন চলাকালে ভুক্তভোগী কৃষকের পাশে তার ভাই সেকেন্দার, বাসারত এবং ভাগ্নে জেলাল হাওলাদার উপস্থিত ছিলেন।

আকাশজমিন / আরআর 


এ সম্পর্কিত আরো খবর