ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় শক্তিশালী স্থানীয় সরকারের বিকল্প নেই: ড. আবদুল মঈন খান স্থানীয় সরকার নির্বাচনে শিক্ষাগত যোগ্যতার বাধ্যবাধকতা নেই: মীর শাহে আলম দুপুরের মধ্যেই বিদ্যুৎ পাচ্ছে বাংলাদেশ: কমবে লোডশেডিং এমপিও শিক্ষকদের নির্বাচন ভাগ্য নির্ধারণ করবে ইসি: মীর শাহে আলম সরকারি কেনাকাটায় পুকুরচুরি ঠেকাতে আসছে অভিন্ন একক দরতালিকা সাগর-রুনি হত্যার বিচার চেয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে লিখিত অভিযোগ তারুণ্য না অভিজ্ঞতা: ছাত্রদলের নতুন নেতৃত্ব চয়নে জটিল হিসাব-নিকাশ আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপন চ্যালেঞ্জের রিট খারিজ হাইকোর্টে ইন্দোনেশিয়ায় ২৪০ যাত্রী নিয়ে জাহাজ নিখোঁজ ঠাকুরগাঁও সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত, আটক ২

বাগেরহাটে সাড়ে তিন বিঘার ঘের দখল: প্রশাসনের হস্তক্ষেপ চেয়ে সংবাদ সম্মেলন


  • আপলোড সময় : সোমবার ২২ জুন, ২০২৬ সময় : ৫:১২ পিএম

বাগেরহাট প্রতিনিধি

বাগেরহাট সদর উপজেলার পার-নওয়াপাড়া গ্রামের কৃষক মো. ইশারাত খান তার দীর্ঘদিনের ভোগদখল করা সাড়ে তিন বিঘা জমির একটি মাছের ঘের অবৈধভাবে দখল করে নেওয়ার প্রতিবাদে ও প্রতিকার চেয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছেন। আজ সোমবার (২২ জুন) সকাল ১১টায় বাগেরহাট প্রেসক্লাব মিলনায়তনে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে ভুক্তভোগী ইশারাত খান জানান, প্রায় ১৯ বছর আগে স্থানীয় হারুন শেখ নামের এক ব্যক্তির সঙ্গে যৌথভাবে পার-নওয়াপাড়া বিলে তিনি মাছের ঘের ব্যবসা শুরু করেন। পরবর্তীতে পার্টনারশিপ ভেঙে তিনি সম্পূর্ণ নিজস্ব উদ্যোগে সাড়ে তিন বিঘা জমির ওপর এককভাবে ঘের পরিচালনা করে আসছিলেন। এই জমির মধ্যে স্থানীয় আজিয়ার রহমানের মালিকানাধীন এক বিঘা জমি বন্ধকসূত্রে তার দখলে আসে। এরপর থেকে সামাজিক ও স্থানীয় সমঝোতার ভিত্তিতেই তিনি দীর্ঘদিন ধরে পুরো জমিটি ভোগদখল ও মাছ চাষ করছিলেন বলে দাবি করেন।

লিখিত বক্তব্যে তিনি আরও অভিযোগ করেন, ২০২৪ সালের ৬ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের সুযোগ নিয়ে আজিয়ার রহমান জোরপূর্বক তার পুরো মাছের ঘেরটি দখল করে নেন। এ ঘটনার পর বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, পুলিশ প্রশাসন এবং আইনজীবীদের মধ্যস্থতায় একাধিকবার সালিশ বৈঠক অনুষ্ঠিত হলেও প্রতিপক্ষের অবাধ্যতার কারণে কোনো সুরাহা হয়নি। ইশারাতের দাবি, প্রতিপক্ষ আজিয়ার রহমান তার নিজস্ব এক বিঘা জমি ছাড়া বাকি আড়াই বিঘা জমির মালিকানার কোনো বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারেননি। কিন্তু ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে বর্তমানে পুরো সাড়ে তিন বিঘা মাছের ঘের দখল করে রেখেছেন তিনি।

ঘেরটি হাতছাড়া হওয়ায় তিনি চরম আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন উল্লেখ করে জেলা প্রশাসন, জেলা পুলিশসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে একটি নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। একই সাথে তদন্তের মাধ্যমে তার বৈধ দখলদারিত্ব ও অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠার জোর আহ্বান জানান তিনি। সংবাদ সম্মেলন চলাকালে ভুক্তভোগী কৃষকের পাশে তার ভাই সেকেন্দার, বাসারত এবং ভাগ্নে জেলাল হাওলাদার উপস্থিত ছিলেন।

আকাশজমিন / আরআর 


এ সম্পর্কিত আরো খবর