ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় শক্তিশালী স্থানীয় সরকারের বিকল্প নেই: ড. আবদুল মঈন খান স্থানীয় সরকার নির্বাচনে শিক্ষাগত যোগ্যতার বাধ্যবাধকতা নেই: মীর শাহে আলম দুপুরের মধ্যেই বিদ্যুৎ পাচ্ছে বাংলাদেশ: কমবে লোডশেডিং এমপিও শিক্ষকদের নির্বাচন ভাগ্য নির্ধারণ করবে ইসি: মীর শাহে আলম সরকারি কেনাকাটায় পুকুরচুরি ঠেকাতে আসছে অভিন্ন একক দরতালিকা সাগর-রুনি হত্যার বিচার চেয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে লিখিত অভিযোগ তারুণ্য না অভিজ্ঞতা: ছাত্রদলের নতুন নেতৃত্ব চয়নে জটিল হিসাব-নিকাশ আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপন চ্যালেঞ্জের রিট খারিজ হাইকোর্টে ইন্দোনেশিয়ায় ২৪০ যাত্রী নিয়ে জাহাজ নিখোঁজ ঠাকুরগাঁও সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত, আটক ২

ছেলের লাঠির আঘাতে প্রাণ গেল বাবার


  • আপলোড সময় : সোমবার ২২ জুন, ২০২৬ সময় : ৫:৪১ পিএম

রাজশাহী প্রতিনিধি

রাজশাহী নগরে পারিবারিক বিরোধের জেরে ছেলের লাঠির আঘাতে মো. রেজাউল (৬৫) নামে এক অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত ছেলে রাকিবুর করিম ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে গেছেন। পুলিশ বলছে, তাকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে এবং ঘটনার বিষয়ে হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

সোমবার (২২ জুন) সকাল ১০টার দিকে নগরের চন্দ্রিমা থানার মেহেরচন্ডি কলাইতলা পশ্চিমপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। গুরুতর আহত অবস্থায় রেজাউলকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নিহত রেজাউল করিম একজন অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক। তাঁর ছেলে রাকিবুর করিম রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকর্ম বিভাগের প্রাক্তন শিক্ষার্থী। পড়াশোনা শেষ করে তিনি চাকরির প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন।

প্রাথমিক তথ্যমতে, দীর্ঘদিন ধরে রেজাউল ও তাঁর স্ত্রী আঞ্জুয়ারা বেগমের মধ্যে বিভিন্ন পারিবারিক বিষয় নিয়ে মতবিরোধ চলছিল। সোমবার সকালেও তাদের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে রাকিবুর করিম মায়ের পক্ষ নিয়ে বিরোধে জড়িয়ে পড়েন।

এ সময় উত্তেজনার মধ্যে তিনি একটি বাঁশের লাঠি দিয়ে বাবার মাথায় আঘাত করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। আঘাতে রেজাউল গুরুতর আহত হন এবং মাথা থেকে রক্তক্ষরণ শুরু হয়। পরিবারের সদস্যরা দ্রুত তাঁকে উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

ঘটনার পরপরই রাকিবুর করিম মোটরসাইকেলে করে বাড়ি থেকে চলে যান। এরপর থেকে তিনি পলাতক রয়েছেন। তাঁর অবস্থান শনাক্তে পুলিশ বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালাচ্ছে।

রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের মুখপাত্র অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার গাজিউর রহমান বলেন, প্রাথমিক তদন্তে ঘটনাটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে মনে হচ্ছে না। তবে ছেলের লাঠির আঘাতেই রেজাউল করিমের মৃত্যু হয়েছে। ঘটনার সব দিক গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে।

তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট থানায় হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। ময়নাতদন্তের জন্য নিহতের মরদেহ রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটন এবং পলাতক অভিযুক্তকে দ্রুত আইনের আওতায় আনতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

আকাশজমিন / আরআর 


এ সম্পর্কিত আরো খবর