ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  সোমবার, ২৭ Jul ২০২৬,  ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রপ্তানি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য ১৫ শতাংশ, আয় হতে পারে ৬৩.৪ বিলিয়ন ডলার রাজধানীতে ১৮ মন্ত্রী চলবেন এসকর্ট ছাড়া, বহাল থাকছে ৭ জনের সুবিধা সাতক্ষীরায় অপরিকল্পিত মৎস্য ঘের: পানিবন্দী হাজারও মানুষ, সড়ক-শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্লাবিত সাতক্ষীরার তিন হাসপাতালে হঠাৎ স্বাস্থ্যমন্ত্রী, অনুপস্থিত দুই চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টেস্ট দল ঘোষণা, নেই নাহিদ-লিটন সেনা কর্মকর্তাদের পদোন্নতি হোক মেধা ও যোগ্যতায়: প্রধানমন্ত্রী হামের উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১১৬০ জামায়াত জোট ছাড়ার গুঞ্জন নাকচ করল নেজামে ইসলাম চলনবিলে অবাধে ব্যবহার হচ্ছে নিষিদ্ধ চায়নাদুয়ারী জাল লক্ষ্মীপুরে উৎসবমুখর পরিবেশে ধারণ হলো ‘ইত্যাদি’র বিশেষ পর্ব

শাহজালাল মাজারের দানবাক্সে অলৌকিক সাড়া: ৪ দিনে মিলল ১৭ লাখ ৬৫ হাজার টাকা


  • আপলোড সময় : মঙ্গলবার ২৩ জুন, ২০২৬ সময় : ৭:৪২ পিএম

সিলেটের ঐতিহ্যবাহী হযরত শাহজালাল (রহ.)-এর মাজারের দানবাক্স বা ডেকচি খুলে মাত্র চার দিনেই ১৭ লাখ ৬৫ হাজার ৫৪৯ টাকা পাওয়া গেছে। সোমবার (২২ জুন) বিকেলে মাজারের মোট ৮টি দানবাক্সের টাকা গণনা শেষে আনুষ্ঠানিকভাবে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন সিলেট-সুনামগঞ্জ ওয়াকফ অফিসার সজল মিয়া।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, জেলা প্রশাসনের বিশেষ নির্দেশনায় গঠিত একটি কমিটির তত্ত্বাবধানে গত ১৮ জুন মাজারের দানবাক্সগুলো সিলগালা করা হয়েছিল। এরপর সোমবার জোহরের নামাজের পর সেই সিলগালা করা বাক্সগুলো খুলে শুরু হয় আনুষ্ঠানিক অর্থ গণনা। এই গণনা কার্যক্রমে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। পুরো টাকা গণনার প্রক্রিয়াটি মাজার প্রাঙ্গণে সবার সামনে প্রকাশ্যে সম্পন্ন করা হয়।

ওয়াকফ অফিসার সজল মিয়া জানান, মাজারে থাকা পূর্বের ৪টি পুরোনো দানবাক্স এবং জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নতুন করে স্থাপন করা আরও ৪টি—সব মিলিয়ে মোট ৮টি দানবাক্স থেকে ডাবল লক অবস্থায় নগদ ১৭ লাখ ৬৫ Uhr ৫৪৯ টাকা পাওয়া গেছে। নগদ টাকার পাশাপাশি দানবাক্সগুলোতে ৭ আনা ওজনের স্বর্ণালংকার এবং কিছু সৌদি রিয়ালও পাওয়া গেছে। উদ্ধার হওয়া এই অর্থ ও সম্পদ সোনালী ব্যাংকের সিলেট কর্পোরেট শাখায় মাজারের নিজস্ব অ্যাকাউন্টে জমা দেওয়া হবে।

এর আগে দুপুরের দিকে দরগাহ মসজিদে জোহরের নামাজ আদায় করেন সদ্য প্রত্যাহারকৃত সিলেটের জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলম। নামাজ শেষে তিনি জামেয়া ও এতিমখানা অফিসে কয়েক ঘণ্টা অবস্থান করেন। মূলত তাঁর প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানেই দানবাক্সগুলো খুলে টাকা উত্তোলন এবং সর্বসাধারণের সামনে প্রকাশ্যে গণনার পুরো কার্যক্রমটি সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করা হয়।


এ সম্পর্কিত আরো খবর