ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় শক্তিশালী স্থানীয় সরকারের বিকল্প নেই: ড. আবদুল মঈন খান স্থানীয় সরকার নির্বাচনে শিক্ষাগত যোগ্যতার বাধ্যবাধকতা নেই: মীর শাহে আলম দুপুরের মধ্যেই বিদ্যুৎ পাচ্ছে বাংলাদেশ: কমবে লোডশেডিং এমপিও শিক্ষকদের নির্বাচন ভাগ্য নির্ধারণ করবে ইসি: মীর শাহে আলম সরকারি কেনাকাটায় পুকুরচুরি ঠেকাতে আসছে অভিন্ন একক দরতালিকা সাগর-রুনি হত্যার বিচার চেয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে লিখিত অভিযোগ তারুণ্য না অভিজ্ঞতা: ছাত্রদলের নতুন নেতৃত্ব চয়নে জটিল হিসাব-নিকাশ আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপন চ্যালেঞ্জের রিট খারিজ হাইকোর্টে ইন্দোনেশিয়ায় ২৪০ যাত্রী নিয়ে জাহাজ নিখোঁজ ঠাকুরগাঁও সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত, আটক ২

শাহজালাল মাজারের দানবাক্সে অলৌকিক সাড়া: ৪ দিনে মিলল ১৭ লাখ ৬৫ হাজার টাকা


  • আপলোড সময় : মঙ্গলবার ২৩ জুন, ২০২৬ সময় : ৭:৪২ পিএম

সিলেটের ঐতিহ্যবাহী হযরত শাহজালাল (রহ.)-এর মাজারের দানবাক্স বা ডেকচি খুলে মাত্র চার দিনেই ১৭ লাখ ৬৫ হাজার ৫৪৯ টাকা পাওয়া গেছে। সোমবার (২২ জুন) বিকেলে মাজারের মোট ৮টি দানবাক্সের টাকা গণনা শেষে আনুষ্ঠানিকভাবে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন সিলেট-সুনামগঞ্জ ওয়াকফ অফিসার সজল মিয়া।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, জেলা প্রশাসনের বিশেষ নির্দেশনায় গঠিত একটি কমিটির তত্ত্বাবধানে গত ১৮ জুন মাজারের দানবাক্সগুলো সিলগালা করা হয়েছিল। এরপর সোমবার জোহরের নামাজের পর সেই সিলগালা করা বাক্সগুলো খুলে শুরু হয় আনুষ্ঠানিক অর্থ গণনা। এই গণনা কার্যক্রমে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। পুরো টাকা গণনার প্রক্রিয়াটি মাজার প্রাঙ্গণে সবার সামনে প্রকাশ্যে সম্পন্ন করা হয়।

ওয়াকফ অফিসার সজল মিয়া জানান, মাজারে থাকা পূর্বের ৪টি পুরোনো দানবাক্স এবং জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নতুন করে স্থাপন করা আরও ৪টি—সব মিলিয়ে মোট ৮টি দানবাক্স থেকে ডাবল লক অবস্থায় নগদ ১৭ লাখ ৬৫ Uhr ৫৪৯ টাকা পাওয়া গেছে। নগদ টাকার পাশাপাশি দানবাক্সগুলোতে ৭ আনা ওজনের স্বর্ণালংকার এবং কিছু সৌদি রিয়ালও পাওয়া গেছে। উদ্ধার হওয়া এই অর্থ ও সম্পদ সোনালী ব্যাংকের সিলেট কর্পোরেট শাখায় মাজারের নিজস্ব অ্যাকাউন্টে জমা দেওয়া হবে।

এর আগে দুপুরের দিকে দরগাহ মসজিদে জোহরের নামাজ আদায় করেন সদ্য প্রত্যাহারকৃত সিলেটের জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলম। নামাজ শেষে তিনি জামেয়া ও এতিমখানা অফিসে কয়েক ঘণ্টা অবস্থান করেন। মূলত তাঁর প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানেই দানবাক্সগুলো খুলে টাকা উত্তোলন এবং সর্বসাধারণের সামনে প্রকাশ্যে গণনার পুরো কার্যক্রমটি সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করা হয়।


এ সম্পর্কিত আরো খবর