ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় শক্তিশালী স্থানীয় সরকারের বিকল্প নেই: ড. আবদুল মঈন খান স্থানীয় সরকার নির্বাচনে শিক্ষাগত যোগ্যতার বাধ্যবাধকতা নেই: মীর শাহে আলম দুপুরের মধ্যেই বিদ্যুৎ পাচ্ছে বাংলাদেশ: কমবে লোডশেডিং এমপিও শিক্ষকদের নির্বাচন ভাগ্য নির্ধারণ করবে ইসি: মীর শাহে আলম সরকারি কেনাকাটায় পুকুরচুরি ঠেকাতে আসছে অভিন্ন একক দরতালিকা সাগর-রুনি হত্যার বিচার চেয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে লিখিত অভিযোগ তারুণ্য না অভিজ্ঞতা: ছাত্রদলের নতুন নেতৃত্ব চয়নে জটিল হিসাব-নিকাশ আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপন চ্যালেঞ্জের রিট খারিজ হাইকোর্টে ইন্দোনেশিয়ায় ২৪০ যাত্রী নিয়ে জাহাজ নিখোঁজ ঠাকুরগাঁও সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত, আটক ২

আজ নতুন অর্থবছরের প্রথমার্ধের মুদ্রানীতি ঘোষণা


  • আপলোড সময় : মঙ্গলবার ৩০ জুন, ২০২৬ সময় : ৩:৪১ পিএম

নতুন অর্থবছর (২০২৬-২৭) শুরুর প্রাক্কালে আজ মঙ্গলবার (৩০ জুন) বিকেলে আগামী ছয় মাসের জন্য নতুন মুদ্রানীতি প্রকাশ করতে যাচ্ছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। বিকেল ৩টায় ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে এই মুদ্রানীতির রূপরেখা উপস্থাপন করবেন।

আসন্ন জুলাই-ডিসেম্বর মেয়াদের এই আর্থিক নীতিতে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পূর্বের সংকোচনমূলক ও কঠোর অবস্থান ধরে রাখা হতে পারে। বাজার বিশ্লেষকদের ধারণা, এবারের নীতিতেও নীতি সুদহার বা রেপো রেট ১০ শতাংশেই অপরিবর্তিত রাখা হবে। তবে এর পাশাপাশি বেসরকারি খাতে ঋণের গতিশীলতা বাড়াতে এবং দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক পুনর্গঠনে বিশেষ কিছু পদক্ষেপের ঘোষণা আসতে পারে।

বিএনপি নেতৃত্বাধীন নতুন সরকারের কার্যকালের অধীনে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পক্ষ থেকে এটিই হতে যাচ্ছে প্রথম মুদ্রানীতি। সংশ্লিষ্ট সূত্রমতে, দেশের উৎপাদনশীল খাতগুলোতে ঋণের প্রবাহ বৃদ্ধি, নতুন বিনিয়োগে গতি সঞ্চার এবং ব্যাংক থেকে ঋণ নেওয়ার সার্বিক ব্যয় কমিয়ে আনতে বেশ কিছু সময়োপযোগী ও নতুন উদ্যোগের দেখা মিলতে পারে এই নীতিতে।

মূল্যস্ফীতির চাপ পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে না আসায় বাজারে অর্থের অতিরিক্ত জোগান রুখতে রেপো রেট আগের অবস্থানেই রাখা হচ্ছে বলে জানা গেছে। সাধারণত সরকারের বার্ষিক আর্থিক পরিকল্পনা বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে একটি নির্দিষ্ট সময়ে বাজারে মুদ্রার সরবরাহ কেমন থাকবে, তার একটি সামগ্রিক দিকনির্দেশনা দেওয়া হয় এই মুদ্রানীতির মাধ্যমে। একই সাথে দেশের মূল্যস্ফীতিকে সহনীয় রাখা, বেসরকারি খাতে ঋণের প্রবৃদ্ধি বাড়ানো এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির ধারা সচল রাখার বিষয়গুলো এই নীতিতে সবচেয়ে বেশি অগ্রাধিকার পেয়ে থাকে। উল্লেখ্য, প্রতি ছয় মাস পর পর কেন্দ্রীয় ব্যাংক এই নীতি ঘোষণা করে, যা আগামী ১ জুলাই থেকে পরবর্তী ছয় মাসের জন্য কার্যকর হবে।


এ সম্পর্কিত আরো খবর