ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  সোমবার, ২৭ Jul ২০২৬,  ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রপ্তানি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য ১৫ শতাংশ, আয় হতে পারে ৬৩.৪ বিলিয়ন ডলার রাজধানীতে ১৮ মন্ত্রী চলবেন এসকর্ট ছাড়া, বহাল থাকছে ৭ জনের সুবিধা সাতক্ষীরায় অপরিকল্পিত মৎস্য ঘের: পানিবন্দী হাজারও মানুষ, সড়ক-শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্লাবিত সাতক্ষীরার তিন হাসপাতালে হঠাৎ স্বাস্থ্যমন্ত্রী, অনুপস্থিত দুই চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টেস্ট দল ঘোষণা, নেই নাহিদ-লিটন সেনা কর্মকর্তাদের পদোন্নতি হোক মেধা ও যোগ্যতায়: প্রধানমন্ত্রী হামের উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১১৬০ জামায়াত জোট ছাড়ার গুঞ্জন নাকচ করল নেজামে ইসলাম চলনবিলে অবাধে ব্যবহার হচ্ছে নিষিদ্ধ চায়নাদুয়ারী জাল লক্ষ্মীপুরে উৎসবমুখর পরিবেশে ধারণ হলো ‘ইত্যাদি’র বিশেষ পর্ব

আজ নতুন অর্থবছরের প্রথমার্ধের মুদ্রানীতি ঘোষণা


  • আপলোড সময় : মঙ্গলবার ৩০ জুন, ২০২৬ সময় : ৩:৪১ পিএম

নতুন অর্থবছর (২০২৬-২৭) শুরুর প্রাক্কালে আজ মঙ্গলবার (৩০ জুন) বিকেলে আগামী ছয় মাসের জন্য নতুন মুদ্রানীতি প্রকাশ করতে যাচ্ছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। বিকেল ৩টায় ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে এই মুদ্রানীতির রূপরেখা উপস্থাপন করবেন।

আসন্ন জুলাই-ডিসেম্বর মেয়াদের এই আর্থিক নীতিতে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পূর্বের সংকোচনমূলক ও কঠোর অবস্থান ধরে রাখা হতে পারে। বাজার বিশ্লেষকদের ধারণা, এবারের নীতিতেও নীতি সুদহার বা রেপো রেট ১০ শতাংশেই অপরিবর্তিত রাখা হবে। তবে এর পাশাপাশি বেসরকারি খাতে ঋণের গতিশীলতা বাড়াতে এবং দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক পুনর্গঠনে বিশেষ কিছু পদক্ষেপের ঘোষণা আসতে পারে।

বিএনপি নেতৃত্বাধীন নতুন সরকারের কার্যকালের অধীনে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পক্ষ থেকে এটিই হতে যাচ্ছে প্রথম মুদ্রানীতি। সংশ্লিষ্ট সূত্রমতে, দেশের উৎপাদনশীল খাতগুলোতে ঋণের প্রবাহ বৃদ্ধি, নতুন বিনিয়োগে গতি সঞ্চার এবং ব্যাংক থেকে ঋণ নেওয়ার সার্বিক ব্যয় কমিয়ে আনতে বেশ কিছু সময়োপযোগী ও নতুন উদ্যোগের দেখা মিলতে পারে এই নীতিতে।

মূল্যস্ফীতির চাপ পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে না আসায় বাজারে অর্থের অতিরিক্ত জোগান রুখতে রেপো রেট আগের অবস্থানেই রাখা হচ্ছে বলে জানা গেছে। সাধারণত সরকারের বার্ষিক আর্থিক পরিকল্পনা বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে একটি নির্দিষ্ট সময়ে বাজারে মুদ্রার সরবরাহ কেমন থাকবে, তার একটি সামগ্রিক দিকনির্দেশনা দেওয়া হয় এই মুদ্রানীতির মাধ্যমে। একই সাথে দেশের মূল্যস্ফীতিকে সহনীয় রাখা, বেসরকারি খাতে ঋণের প্রবৃদ্ধি বাড়ানো এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির ধারা সচল রাখার বিষয়গুলো এই নীতিতে সবচেয়ে বেশি অগ্রাধিকার পেয়ে থাকে। উল্লেখ্য, প্রতি ছয় মাস পর পর কেন্দ্রীয় ব্যাংক এই নীতি ঘোষণা করে, যা আগামী ১ জুলাই থেকে পরবর্তী ছয় মাসের জন্য কার্যকর হবে।


এ সম্পর্কিত আরো খবর