ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
হরমুজে নতুন নৌপথ: ওমানের আঞ্চলিক বৈঠক স্থগিত দেশে ফিরে ইতালিতে হামলার বিরুদ্ধে মুখ খুললেন অভিনেত্রী বাঁধন ব্রিকসে বিশ্বনেতাদের দেওয়া হলো নিরামিষ খাবার: বিজেপি-কংগ্রেস তুমুল বিতর্ক সারাদেশে ঘরে ঘরে জ্বর: ডেঙ্গু ও হামের সঙ্গে বাড়ছে টাইফয়েড ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধ হলেই কি থামবে মধ্যপ্রাচ্যের ইরান যুদ্ধ? ‘ট্রফি চোর’ অপবাদ মাথায় নিয়ে শান্ত মেজাজে মাঠ ছাড়লেন নাকভি ২৩ বছরের খরা কাটল না আমেরিকার, ইউএস ওপেনের ট্রফি জভেরেভের হাতে পুরুষদের পর মেয়েরাও বর্জন করল নাকভিকে, দুবাইতে আবারও ট্রফি নাটক রাজধানীর বেসরকারি হাসপাতালে শিশু মৃত্যুর পর তুলকালাম বিশ্বের দূষিত বায়ুর তালিকায় শীর্ষে সিঙ্গাপুর সিটি,ঢাকা ষষ্ঠ

আজ নতুন অর্থবছরের প্রথমার্ধের মুদ্রানীতি ঘোষণা


  • আপলোড সময় : মঙ্গলবার ৩০ জুন, ২০২৬ সময় : ৩:৪১ পিএম

নতুন অর্থবছর (২০২৬-২৭) শুরুর প্রাক্কালে আজ মঙ্গলবার (৩০ জুন) বিকেলে আগামী ছয় মাসের জন্য নতুন মুদ্রানীতি প্রকাশ করতে যাচ্ছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। বিকেল ৩টায় ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে এই মুদ্রানীতির রূপরেখা উপস্থাপন করবেন।

আসন্ন জুলাই-ডিসেম্বর মেয়াদের এই আর্থিক নীতিতে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পূর্বের সংকোচনমূলক ও কঠোর অবস্থান ধরে রাখা হতে পারে। বাজার বিশ্লেষকদের ধারণা, এবারের নীতিতেও নীতি সুদহার বা রেপো রেট ১০ শতাংশেই অপরিবর্তিত রাখা হবে। তবে এর পাশাপাশি বেসরকারি খাতে ঋণের গতিশীলতা বাড়াতে এবং দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক পুনর্গঠনে বিশেষ কিছু পদক্ষেপের ঘোষণা আসতে পারে।

বিএনপি নেতৃত্বাধীন নতুন সরকারের কার্যকালের অধীনে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পক্ষ থেকে এটিই হতে যাচ্ছে প্রথম মুদ্রানীতি। সংশ্লিষ্ট সূত্রমতে, দেশের উৎপাদনশীল খাতগুলোতে ঋণের প্রবাহ বৃদ্ধি, নতুন বিনিয়োগে গতি সঞ্চার এবং ব্যাংক থেকে ঋণ নেওয়ার সার্বিক ব্যয় কমিয়ে আনতে বেশ কিছু সময়োপযোগী ও নতুন উদ্যোগের দেখা মিলতে পারে এই নীতিতে।

মূল্যস্ফীতির চাপ পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে না আসায় বাজারে অর্থের অতিরিক্ত জোগান রুখতে রেপো রেট আগের অবস্থানেই রাখা হচ্ছে বলে জানা গেছে। সাধারণত সরকারের বার্ষিক আর্থিক পরিকল্পনা বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে একটি নির্দিষ্ট সময়ে বাজারে মুদ্রার সরবরাহ কেমন থাকবে, তার একটি সামগ্রিক দিকনির্দেশনা দেওয়া হয় এই মুদ্রানীতির মাধ্যমে। একই সাথে দেশের মূল্যস্ফীতিকে সহনীয় রাখা, বেসরকারি খাতে ঋণের প্রবৃদ্ধি বাড়ানো এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির ধারা সচল রাখার বিষয়গুলো এই নীতিতে সবচেয়ে বেশি অগ্রাধিকার পেয়ে থাকে। উল্লেখ্য, প্রতি ছয় মাস পর পর কেন্দ্রীয় ব্যাংক এই নীতি ঘোষণা করে, যা আগামী ১ জুলাই থেকে পরবর্তী ছয় মাসের জন্য কার্যকর হবে।


এ সম্পর্কিত আরো খবর