ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
অঙ্গ পাচার চক্রের হাত থেকে ফিরল লোহাগাড়ার রায়হান ডিএমপির ৩ সহকারী পুলিশ কমিশনারকে নতুন পদে বদলি মধ্যপ্রাচ্যে উত্তাপ: বিশ্ববাজারে তেলের দাম ছাড়াল ১০৭ ডলার হরমুজে নতুন নৌপথ: ওমানের আঞ্চলিক বৈঠক স্থগিত দেশে ফিরে ইতালিতে হামলার বিরুদ্ধে মুখ খুললেন অভিনেত্রী বাঁধন ব্রিকসে বিশ্বনেতাদের দেওয়া হলো নিরামিষ খাবার: বিজেপি-কংগ্রেস তুমুল বিতর্ক সারাদেশে ঘরে ঘরে জ্বর: ডেঙ্গু ও হামের সঙ্গে বাড়ছে টাইফয়েড ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধ হলেই কি থামবে মধ্যপ্রাচ্যের ইরান যুদ্ধ? ‘ট্রফি চোর’ অপবাদ মাথায় নিয়ে শান্ত মেজাজে মাঠ ছাড়লেন নাকভি ২৩ বছরের খরা কাটল না আমেরিকার, ইউএস ওপেনের ট্রফি জভেরেভের হাতে

দেবিদ্বারে ৪ হাজারের বেশি কৃষকের মাঝে কৃষি প্রণোদনা বিতরণ


  • আপলোড সময় : বুধবার ০১ জুলাই, ২০২৬ সময় : ৮:৩৬ পিএম

মোঃ বাকি অনিক ,কুমিল্লা প্রতিনিধি

কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলায় চলতি মৌসুমের কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় ৪ হাজার ৪০৫ জন ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকের মাঝে সরকারি কৃষি সহায়তা বিতরণ করা হয়েছে। কৃষকদের উৎপাদন ব্যয় কমিয়ে আবাদ বৃদ্ধি এবং কৃষি উৎপাদন বাড়ানোর লক্ষ্যে বিনামূল্যে উন্নত জাতের বীজ, রাসায়নিক সার, জৈব সার, ফলদ চারা ও পেঁয়াজ সংরক্ষণের আধুনিক যন্ত্রপাতি দেওয়া হয়।

মঙ্গলবার বি‌কে‌লে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে উপজেলা পরিষদ চত্বরে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে কৃষকদের হাতে প্রণোদনার উপকরণ তুলে দেন দেবিদ্বার উপজেলার নবাগত উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) জনাব অশোক বিক্রম চাকমা।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ বানিন রায়ের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের দায়িত্বপ্রাপ্ত উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা, স্থানীয় কৃষক প্রতিনিধি ও সুবিধাভোগীরা অংশ নেন।

অনুষ্ঠানে ইউএনও অশোক বিক্রম চাকমা বলেন, কৃষিবান্ধব সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের ফলে কৃষকের উৎপাদন ব্যয় কমছে এবং কৃষি খাত আরও শক্তিশালী হচ্ছে। সময়মতো প্রণোদনা বিতরণের মাধ্যমে কৃষকদের আবাদে উৎসাহিত করা এবং কাঙ্ক্ষিত উৎপাদন অর্জন সম্ভব হবে।

সভাপতির বক্তব্যে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা বানিন রায় বলেন, চলতি মৌসুমে উপজেলার মোট ৪ হাজার ৪০৫ জন কৃষককে সাতটি ক্যাটাগরিতে সহায়তার আওতায় আনা হয়েছে। উন্নত বীজ ও সারের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা গেলে এ অঞ্চলে ফসলের বাম্পার ফলন পাওয়া সম্ভব।

কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, রোপা আমন খাতে ২ হাজার ৪০০ কৃষককে ধান বীজ ও সার, সবজি খাতে ১ হাজার ৫০০ কৃষককে বিভিন্ন জাতের সবজি বীজ ও সার দেওয়া হয়েছে। এছাড়া বৃক্ষরোপণে ২৯০ জন কৃষককে চারা, বাঁশের খুঁটি ও জৈব সার, পেঁয়াজ ও মরিচ চাষে ১৬০ জন কৃষককে বীজ ও সার এবং লেবু চাষে ৪০ জন কৃষককে চারা ও জৈব সার দেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া পেঁয়াজ সংরক্ষণে বিশেষ ‘এয়ার ফ্লো’ প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় ১৫ জন কৃষককে আধুনিক সংরক্ষণ যন্ত্র ও অবকাঠামো উন্নয়নের জন্য আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে।

কৃষি বিভাগ জানিয়েছে, ইউনিয়ন পর্যায়ে যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে প্রকৃত কৃষকদের তালিকা প্রস্তুত করে পর্যায়ক্রমে পুরো উপজেলায় এই কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হয়। সরকারি এ সহায়তা পেয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় কৃষকেরা।

আকাশজমিন / আরআর 


এ সম্পর্কিত আরো খবর