ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় শক্তিশালী স্থানীয় সরকারের বিকল্প নেই: ড. আবদুল মঈন খান স্থানীয় সরকার নির্বাচনে শিক্ষাগত যোগ্যতার বাধ্যবাধকতা নেই: মীর শাহে আলম দুপুরের মধ্যেই বিদ্যুৎ পাচ্ছে বাংলাদেশ: কমবে লোডশেডিং এমপিও শিক্ষকদের নির্বাচন ভাগ্য নির্ধারণ করবে ইসি: মীর শাহে আলম সরকারি কেনাকাটায় পুকুরচুরি ঠেকাতে আসছে অভিন্ন একক দরতালিকা সাগর-রুনি হত্যার বিচার চেয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে লিখিত অভিযোগ তারুণ্য না অভিজ্ঞতা: ছাত্রদলের নতুন নেতৃত্ব চয়নে জটিল হিসাব-নিকাশ আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপন চ্যালেঞ্জের রিট খারিজ হাইকোর্টে ইন্দোনেশিয়ায় ২৪০ যাত্রী নিয়ে জাহাজ নিখোঁজ ঠাকুরগাঁও সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত, আটক ২

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতিতে সাতক্ষীরায় মাসব্যাপী কর্মসূচি, বিশেষ ক্যালেন্ডার হস্তান্তর


  • আপলোড সময় : বৃহস্পতিবার ০২ জুলাই, ২০২৬ সময় : ৪:১৭ পিএম

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি

রক্তক্ষয়ী জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতিচারণ এবং শহীদ ও আহতদের আত্মত্যাগকে স্মরণীয় করে রাখতে মাসব্যাপী নানা কর্মসূচি হাতে নিয়েছে সাতক্ষীরা জেলা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। এই উপলক্ষে প্রস্তুতকৃত একটি বিশেষ ‘জুলাই ক্যালেন্ডার’ আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন ও হস্তান্তর করা হয়েছে।

সম্প্রতি সাতক্ষীরার জেলা প্রশাসক (ডিসি), পুলিশ সুপার (এসপি) এবং স্থানীয় বিশিষ্ট রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গের হাতে এই বিশেষ ক্যালেন্ডার তুলে দেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতৃবৃন্দ ও জুলাই অভ্যুত্থানে আহত ব্যক্তি এবং শহীদ পরিবারের সদস্যরা।

ক্যালেন্ডার হস্তান্তর ও উদ্বোধনী আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক আরাফাত হোসাইন, মুখ্য সংগঠক আল শাহরিয়ার এবং মুখপাত্র মোহিনী পারভীন। এছাড়াও আবেগঘন এই মুহূর্তে উপস্থিত ছিলেন জুলাইয়ের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে সম্মুখসারিতে থেকে আহত হওয়া জিল্লু রহমান, আবু হাসান ও আব্দুল আজিজ।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতৃবৃন্দ জানান, জুলাই মাস বাংলাদেশের ইতিহাসে এক অবিস্মরণীয় ও রক্তস্নাত অধ্যায়। ছাত্র-জনতার ন্যায্য অধিকার আদায়ের এই আন্দোলনে যারা শহীদ হয়েছেন এবং যারা পঙ্গুত্ব বা গুরুতর আহত অবস্থায় দিনাতিপাত করছেন, তাদের স্মৃতি চিরঞ্জীব করে রাখতেই এই বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

মাসব্যাপী কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে— আহতদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসনে সহায়তা প্রদান এবং শহীদ পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়ানো। এছাড়া জুলাইয়ের সেই দিনগুলোর ঘটনাপ্রবাহ নিয়ে আলোচনা সভা, দোয়া মাহফিল ও নতুন প্রজন্মের কাছে সঠিক ইতিহাস তুলে ধরার মতো কার্যক্রমও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। নেতৃবৃন্দ দৃঢ় সংকল্প ব্যক্ত করে বলেন, জুলাইয়ের শহীদদের রক্ত আর আহতদের আত্মত্যাগ কোনোভাবেই বৃথা যেতে দেওয়া হবে না। এই ক্যালেন্ডার ও মাসব্যাপী কর্মসূচি মূলত নতুন প্রজন্মকে সেই বীরত্বগাথার সাথে সরাসরি যুক্ত রাখার একটি সম্মিলিত প্রয়াস।

আকাশজমিন / আরআর 


এ সম্পর্কিত আরো খবর