ক্রীড়া প্রতিবেদক
দক্ষিণ আমেরিকা তথা পুরো বিশ্বের বর্তমান ফুটবল চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা, আর তাদের বিপরীতে ইউরোপিয়ান ফুটবলের বর্তমান সিংহাসনধারী অপরাজেয় স্পেন। মহাদেশীয় শ্রেষ্ঠত্বের মুকুট পরা এই দুই পরাশক্তির ফিনালিসিমার মঞ্চে মুখোমুখি হওয়ার কথা থাকলেও নানা জটিলতায় গত দুই বছরেও সেই কাঙ্ক্ষিত ম্যাচ আয়োজন করা সম্ভব হয়নি। তবে বিশ্ব ফুটবল-বিধাতা হয়তো তাদের জন্য আরও জমকালো এক মঞ্চের স্ক্রিপ্ট লিখে রেখেছিলেন। দুই বছরের সেই অপূর্ণতা আজ পূর্ণ হতে যাচ্ছে ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের মহাকাব্যিক মেগা ফাইনালে। আজ (রোববার) দিবাগত রাত ১টায় নিউ জার্সির ঐতিহ্যবাহী মেটলাইফ স্টেডিয়ামে বিশ্বশ্রেষ্ঠত্বের চূড়ান্ত লড়াইয়ে মুখোমুখি হচ্ছে লিওনেল মেসি ও লামিনে ইয়ামালের দল।
চলতি বিশ্বকাপে লাতিন পরাশক্তি আর্জেন্টিনা মাঠে নামবে তাদের আকাশি-নীল জার্সিতে চতুর্থ তারকা বা চতুর্থ বিশ্বকাপ ট্রফি যোগ করার অবিচল লক্ষ্য নিয়ে। অন্যদিকে, তিকিতাকা ফুটবলের দেশ স্পেনের মূল লক্ষ্য থাকবে বিশ্বমঞ্চে তাদের দ্বিতীয় শিরোপার স্বাদ নেওয়া। ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা ও মহারণীয় এই ফাইনাল ম্যাচের ফল নির্ধারণে এবং সোনালী ট্রফি কার ঘরে যাবে, তা নির্ধারণে মূলত ৫টি প্রধান টেকনিক্যাল ও ট্যাকটিক্যাল বিষয় সবচেয়ে বড় প্রভাবক হিসেবে ভূমিকা রাখতে পারে। যেখানে লিওনেল মেসির জাদুর সঙ্গে স্পেনের ইস্পাতকঠিন রক্ষণভাগ, বার্সেলোনায় মেসির সার্থক উত্তরসূরী হিসেবে পরিচিত লামিনে ইয়ামালের ডান প্রান্তের বিধ্বংসী দৌড়, মাঝমাঠে রদ্রিগো ডি পল ও লিয়ান্দ্রো পারেদেসদের শারীরিক শক্তির সঙ্গে স্প্যানিশ রদ্রি-ফ্যাবিয়ান রুইজদের বল দখলের নিখুঁত পাসিং ফুটবল এবং দুই ডাগআউটে থাকা কোচের বিপরীতমুখী ফুটবল ট্যাকটিকসের মতো বিষয়গুলো পুরো বিশ্বের ফুটবলার ও বোদ্ধাদের কড়া নজরে থাকবে।
১. ব্যক্তিগত দ্বৈরথ (তারুণ্য বনাম অভিজ্ঞতার অগ্নিপরীক্ষা)
আজ রাতের ফাইনালে রক্ষণ আর আক্রমণভাগে উভয় দলই মাঠের ভেতর বেশ কিছু রোমাঞ্চকর ব্যক্তিগত দ্বৈরথ উপহার দেবে। স্পেনের আক্রমণভাগের অন্যতম প্রধান প্রাণশক্তি লামিনে ইয়ামাল বরাবরের মতোই ডান প্রান্ত বা রাইট উইং ধরে স্পেনের আক্রমণে নেতৃত্ব দেবেন। মাঠের সেই প্রান্তে তাকে কড়া পাহারায় আটকে রাখার জন্য আর্জেন্টিনার বাঁ-প্রান্তে (লেফট ব্যাক) পুরোপুরি প্রস্তুত থাকবেন অভিজ্ঞ ডিফেন্ডার নিকোলাস তাগলিয়াফিকো। এই দুটি চরিত্রের মধ্যকার লড়াইটি হতে যাচ্ছে পুরো ফাইনালের অন্যতম সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এবং ভাগ্যনির্ধারক যুদ্ধ। চোটের ধকল কাটিয়ে নকআউট পর্বে ধীরে ধীরে নিজের চেনা ও সেরা ছন্দে ফিরছেন স্প্যানিশ ওয়ান্ডার কিড ইয়ামাল। তাই তাকে সামলানোর এবং স্পেনের ডান প্রান্তের আক্রমণ রুখে দেওয়ার সিংহভাগ গুরুদায়িত্ব থাকবে তাগলিয়াফিকোর কাঁধের ওপর।
অন্যদিকে, স্পেনের রক্ষণভাগের দুই অতন্দ্র প্রহরী তথা সেন্টার-ব্যাক আইমেরিক লাপোর্তে ও পাউ কুবারসিকে বোকা বানিয়ে ফাটল ধরানোর চেষ্টা করতে হবে ফুটবল জাদুকর লিওনেল মেসিকে। তবে আর্জেন্টাইন অধিনায়কের জন্য কাজটি মোটেও সহজ হবে না। কারণ প্রতিপক্ষের কড়া ডিফেন্সিভ নজর এড়াতে এবং স্প্যানিশ ডিফেন্ডারদের পজিশন থেকে বের করে আনতে মেসি এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি নিচে (ডিপ মিডফিল্ডে) নেমে এসে আক্রমণ সাজিয়ে তুলছেন। আবার স্পেনের আক্রমণভাগে থাকা আসরের সর্বোচ্চ গোলদাতা (৫ গোল) মিকেল ওয়ারজাবালকে ঠেকানোর কঠিন দায়িত্ব থাকবে আর্জেন্টিনার দুই শক্তিশালী, আগ্রাসী ও বিশ্বস্ত সেন্টার-ব্যাক ক্রিস্টিয়ান রোমেরো ও লিসান্দ্রো মার্টিনেজের ওপর। এই ব্যক্তিগত দ্বৈরথগুলোতে যারা জয়ী হবেন, ট্রফি তারাই উঁচিয়ে ধরবেন।
২. লা ফুয়েন্তে বনাম স্কালোনি (গুরু-শিষ্যের বিপরীতমুখী দর্শন)
আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপজয়ী মাস্টারমাইন্ড কোচ লিওনেল স্কালোনিকে ফুটবল মহলে বলা হয় স্প্যানিশ কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তের অন্যতম প্রিয় শিষ্য। এই লুইস দে লা ফুয়েন্তের অধীনেই ডিফেন্ডিং বিশ্বকাপজয়ী আর্জেন্টাইন কোচ স্কালোনি অতীতে স্পেনে গিয়ে তার কোচিংয়ের উচ্চতর কোর্স সম্পন্ন করেছিলেন। তবে গুরু-শিষ্যের এই মধুর সম্পর্ক থাকলেও তারা নিজেদের ফুটবলীয় কৌশলে লালন করেন সম্পূর্ণ ভিন্ন ও বিপরীতমুখী দুটি ফুটবল দর্শন।
পুরো বিশ্বকাপজুড়ে লুইস দে লা ফুয়েন্তের স্পেন খেলেছে বলের নিখুঁত নিয়ন্ত্রণ (পজিশনাল ফুটবল), উচ্চ পর্যায়ের হাই-প্রেসিং এবং প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগের ওপর লাগাতার মনস্তাত্ত্বিক ও শারীরিক চাপ সৃষ্টি করে। স্পেনের এই রক্ষণ ও প্রেসিং কৌশল এতটাই নিখুঁত যে, চলতি আসরে তারা পুরো টুর্নামেন্টে এখন পর্যন্ত মাত্র একটিমাত্র গোল হজম করেছে। মূলত এই আক্রমণাত্মক ও নিখুঁত দর্শনেই সেমিফাইনালে তারা ইউরোপের আরেক পরাশক্তি ফ্রান্সকে মাঠের ভেতর কার্যত সম্পূর্ণ নিষ্ক্রিয় করে দিয়েছিল। যার ফলে কিলিয়ান এমবাপে, উসমান দেম্বেলে ও মাইকেল ওলিসেরা পুরো ম্যাচে গোল করার মতো ন্যূনতম ফাঁকা সুযোগই প্রায় পাননি।
অন্যদিকে, আর্জেন্টিনার আসল শক্তি হলো তাদের দ্রুতগতির কাউন্টার অ্যাটাক বা আক্রমণ, একদম সরাসরি ফুটবল (ডাইরেক্ট ফুটবল) এবং যেকোনো চরম প্রতিকূল পরিস্থিতি থেকে অবিশ্বাস্যভাবে ঘুরে দাঁড়ানোর এক ইস্পাতকঠিন মানসিকতা। গোল হজমের দিক থেকে পিছিয়ে থাকলেও এই টুর্নামেন্টে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি গোল করেছে স্কালোনির দল, যদিও তাদের ডিফেন্সের ভুলে তারা মোট সাতটি গোল হজমও করেছে। ফাইনালে ওঠার পথে আর্জেন্টিনাকে খেলতে হয়েছে দুটি শ্বাসরুদ্ধকর অতিরিক্ত সময়ের ম্যাচ এবং নকআউটের প্রায় প্রতি ম্যাচেই তারা লিখেছে নাটকীয় প্রত্যাবর্তনের এক একটি নতুন গল্প। যেকোনো কঠিন বা মরণ-বাঁচন মুহূর্তে জয়ের পথ বের করে আনার এই যে প্রবল আত্মবিশ্বাস, এটাই স্কালোনির আলবিসেলেস্তেদের সবচেয়ে বড় শক্তি।
৩. মেসির জাদুর বিপরীতে স্পেনের দৃঢ় রক্ষণ ও রণকৌশল
নিজের ক্যারিয়ারের সম্ভাব্য শেষ বিশ্বকাপে যেন আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে আরও বেশি নিখুঁত ও পরিপক্ব রূপে হাজির হয়েছেন লিওনেল মেসি। চলতি আসরের প্রায় প্রতিটি ম্যাচেই তিনি আর্জেন্টিনার ত্রাণকর্তা রূপে হাজির হয়েই ক্ষান্ত হননি, বরং ফুটবল বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বকালের সেরা হওয়ার অনন্য দৌড়ও সমানতালে চালিয়ে যাচ্ছেন (যদিও গতকাল গোলসংখ্যার দিক থেকে তাকে ছাড়িয়েছেন ফ্রান্সের কিলিয়ান এমবাপে)। গোল করার পাশাপাশি মেসি এখন আর্জেন্টিনার আক্রমণভাগের সুযোগ তৈরি করার প্রধান কারিগর বা প্লে-মেকার। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে হাইভোল্টেজ সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনার করা দুটি গোলেই ছিল তার জাদুকরি অ্যাসিস্ট। আর শেষ ষোলোর ম্যাচে মিশরের বিপক্ষে মহানাটকীয় প্রত্যাবর্তনের ম্যাচেও তিনি রেখেছিলেন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। টুর্নামেন্টে এখন পর্যন্ত তার মোট অ্যাসিস্ট সংখ্যা ৪টি।
ফাইনালের মঞ্চে স্পেনের কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তের জন্য সবচেয়ে বড় এবং এক নম্বর চ্যালেঞ্জ হবে লিওনেল মেসিকে মাঠের ভেতর ফাঁকা জায়গা বা স্পেস না দেওয়া। স্পেনের ঘন রক্ষণ ও দ্রুতগতির প্রেসিং সিস্টেম এমনভাবেই সাজানো হয়েছে, যাতে মেসি হাফ-স্পেস বা যেসব ছোট ছোট ফাঁকা জায়গায় বল রিসিভ করে খেলা তৈরি করতে পছন্দ করেন, সেগুলো শুরুতেই বন্ধ করে দেওয়া যায়। আবার এর বিপরীতে, আর্জেন্টিনা চাইবে স্পেনের ডিফেন্স লাইনকে আরও ওপরে উঠে প্রেস করতে বাধ্য করতে। যাতে স্প্যানিশ ডিফেন্সের পেছনের ফাঁকা জায়গাগুলো কাজে লাগিয়ে আর্জেন্টিনার হুলিয়ান আলভারেজের মতো দ্রুতগতির ফরোয়ার্ড ও উইঙ্গাররা দ্রুত আক্রমণে গিয়ে গোল বের করতে পারেন।
৪. মাঝমাঠের কঠিন ও রক্তক্ষয়ী লড়াই
আর্জেন্টিনা ও স্পেনের মধ্যকার ফাইনালের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও মহাকাব্যিক যুদ্ধগুলোর একটি সংঘটিত হবে মাঝমাঠে বা মিডফিল্ডে। স্পেনের মাঝমাঠের প্রধান কন্ডাক্টর রদ্রিগো হার্নান্দেজের (রদ্রি) মূল দায়িত্ব থাকবে আর্জেন্টিনার দুই ইনফর্ম মিডফিল্ডার এনজো ফার্নান্দেজ ও অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টারকে কড়া পাহারায় নিয়ন্ত্রণে রাখা। প্রতিপক্ষের আক্রমণ মাঝপথেই নষ্ট করে দেওয়ার পাশাপাশি দ্রুত বলের দখল নিজেদের পায়ে ফেরানো এবং নতুন আক্রমণ গড়ে তোলার ক্ষেত্রে রদ্রি এই মুহূর্তে স্পেনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও অপরিহার্য খেলোয়াড়দের একজন।
অন্যদিকে, এনজো ফার্নান্দেজ আর্জেন্টিনার আক্রমণভাগে বল ছাড়া খালি জায়গায় দৌড়ানোর ক্ষেত্রে সবচেয়ে কার্যকর ও বুদ্ধিদীপ্ত ফুটবলার। মেসি যখন প্রতিপক্ষের ডিফেন্স ভাঙতে একটু নিচে নেমে আসেন, তখন মাঝমাঠে তৈরি হওয়া ফাঁকা জায়গাগুলো দারুণভাবে কাজে লাগান এই এনজো। তার পাশাপাশি, অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার দূরপাল্লার শটে গোল করার সামর্থ্যের পাশাপাশি আর্জেন্টিনার মাঝমাঠে এক দারুণ ডিফেন্সিভ ভারসাম্য এনে দেন। তাদের সঙ্গে মাঝমাঠে বাড়তি কুশন হিসেবে রয়েছেন রদ্রিগো ডি পল ও লিয়েন্দ্রো পারেদেস, যারা তাদের চিরচেনা শারীরিক শক্তি, স্লাইডিং ট্যাকল ও লড়াকু মানসিকতা দিয়ে দলকে মানসিকভাবে এগিয়ে রাখেন। তাদের এই আগ্রাসনের বিপরীতে স্পেনের রদ্রি ও ফ্যাবিয়ান রুইজরা মূলত ভরসা রাখেন অত্যন্ত নিখুঁত পাসিং, তিকিতাকা ও বল নিয়ন্ত্রণের নিজস্ব শৈলীর ওপর। মাঝমাঠের এই লড়াইয়ে যে দল নিয়ন্ত্রণ নিতে পারবে, ম্যাচের লাগাম থাকবে তাদের হাতেই।
৫. দুই প্রজন্মের ঝাণ্ডাধারী মেসি-ইয়ামাল দ্বৈত সমীকরণ
বেশ কয়েক বছর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ঐতিহাসিক ছবি ব্যাপকভাবে ভাইরাল হয়েছিল, যেখানে দেখা গিয়েছিল বার্সেলোনার ড্রেসিংরুমে অত্যন্ত শিশু অবস্থায় লামিনে ইয়ামালকে পরম মমতায় কোলে নিয়ে স্নান করাচ্ছেন তরুণ লিওনেল মেসি। ফুটবল বিধাতার এক অদ্ভুত ও অলৌকিক সমীকরণে সেই দুই ভিন্ন প্রজন্মের দুই প্রতিনিধি আজ ফুটবলের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ও মর্যাদাপূর্ণ মঞ্চে একে অপরের মুখোমুখি হতে যাচ্ছেন। ৩৯ বছর বয়সী ফুটবল ঈশ্বর লিওনেল মেসি তার দীর্ঘ আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে এই প্রথমবার মাঠে সরাসরি প্রতিপক্ষ হিসেবে মুখোমুখি হবেন ১৯ বছর বয়সী স্প্যানিশ সেনসেশন লামিনে ইয়ামালের।
ফুটবল বিশ্বের অনেকের মতেই, আজ রাতে যদি স্পেন ফাইনাল জিতে শিরোপা নিজেদের করে নিতে পারে, তবে সেটি হবে বিশ্ব ফুটবলের রাজদণ্ড ও নেতৃত্ব এক সোনালী প্রজন্ম থেকে আরেক নতুন প্রজন্মের হাতে হস্তান্তরের এক ঐতিহাসিক ও প্রতীকী চিত্র। চোটের কারণে টুর্নামেন্টের শুরুটা কিছুটা কঠিন ও মলিন ছিল ইয়ামালের জন্য, গ্রুপ পর্বে তিনি করেছিলেন মাত্র একটি গোল। তবে নকআউটের নকআউট পর্বে আসার পর থেকে ধীরে ধীরে নিজের সেই চেনা ও বিপজ্জনক ছন্দে ফিরেছেন বার্সার এই তরুণ তুর্কি। সেমিফাইনালে ফ্রান্সের বিপক্ষে ডি-বক্সে দুর্দান্ত ড্রিবলিংয়ে পেনাল্টি আদায় করে তিনি ম্যাচের মোড় সম্পূর্ণ ঘুরিয়ে দেন এবং স্পেনের সবচেয়ে বিপজ্জনক আক্রমণভাগের অস্ত্রে পরিণত হন। স্পেন যদি শেষ পর্যন্ত চ্যাম্পিয়ন হতে পারে, তবে মেসির কাছ থেকে ফুটবলের সাম্রাজ্য ইয়ামালের নতুন নেতৃত্ব হস্তগত করার এই ঐতিহাসিক মুহূর্তটি ফুটবল ইতিহাসে চিরকাল স্মরণীয় হয়ে থাকব।
আকাশজমিন / আরআর