স্থানীয় সূত্র জানায়, অতীতে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় মাদক ব্যবসা, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের অভিযোগ নিয়মিত শোনা যেত। এমপি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর ফখর উদ্দিন আহমেদ বাচ্চু আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় রেখে অপরাধ দমনে গুরুত্বারোপ করেন এবং কঠোর অবস্থান নেওয়ার আহ্বান জানান।
সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, এর ধারাবাহিকতায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নিয়মিত মাদক কারবারি, সন্ত্রাসী ও বখাটেদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করছে। একই সঙ্গে সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, শিল্পকারখানা, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান, মহাসড়ক, ফুটপাতসহ বিভিন্ন স্থানে চাঁদাবাজি প্রতিরোধে নজরদারি ও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
এ ছাড়া উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও ওয়ার্ডে মাদকবিরোধী কমিটি গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। তরুণদের মাদক থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলা ও বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করার উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানান।
স্থানীয় কয়েকজন ব্যবসায়ী, শ্রমিক ও বাসিন্দা বলেন, আগের তুলনায় বিভিন্ন এলাকায় অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ কমেছে বলে তাঁদের কাছে মনে হচ্ছে। তাঁদের ভাষ্য, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিয়মিত অভিযান এবং জনপ্রতিনিধির তদারকির কারণে সাধারণ মানুষের মধ্যে নিরাপত্তাবোধ কিছুটা বেড়েছে।
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মতে, অপরাধ নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ধারাবাহিক অভিযান, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, প্রশাসন এবং সাধারণ মানুষের সমন্বিত অংশগ্রহণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। একই সঙ্গে মাদক প্রতিরোধে সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি এবং তরুণদের ইতিবাচক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত রাখাও দীর্ঘমেয়াদি উদ্যোগের অংশ হওয়া উচিত বলে তারা মত দেন।
স্থানীয়দের প্রত্যাশা, চলমান অভিযান ও প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম ধারাবাহিকভাবে অব্যাহত থাকলে ভালুকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির আরও উন্নতি হবে। তবে পরিস্থিতির প্রকৃত মূল্যায়নের জন্য নিয়মিত সরকারি তথ্য, অপরাধ পরিসংখ্যান এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক মূল্যায়ন গুরুত্বপূর্ণ বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।