ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় শক্তিশালী স্থানীয় সরকারের বিকল্প নেই: ড. আবদুল মঈন খান স্থানীয় সরকার নির্বাচনে শিক্ষাগত যোগ্যতার বাধ্যবাধকতা নেই: মীর শাহে আলম দুপুরের মধ্যেই বিদ্যুৎ পাচ্ছে বাংলাদেশ: কমবে লোডশেডিং এমপিও শিক্ষকদের নির্বাচন ভাগ্য নির্ধারণ করবে ইসি: মীর শাহে আলম সরকারি কেনাকাটায় পুকুরচুরি ঠেকাতে আসছে অভিন্ন একক দরতালিকা সাগর-রুনি হত্যার বিচার চেয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে লিখিত অভিযোগ তারুণ্য না অভিজ্ঞতা: ছাত্রদলের নতুন নেতৃত্ব চয়নে জটিল হিসাব-নিকাশ আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপন চ্যালেঞ্জের রিট খারিজ হাইকোর্টে ইন্দোনেশিয়ায় ২৪০ যাত্রী নিয়ে জাহাজ নিখোঁজ ঠাকুরগাঁও সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত, আটক ২

নিম্নচাপের বৃষ্টি ও জোয়ারে ঝালকাঠির কৃষিতে ক্ষতির শঙ্কা


  • আপলোড সময় : বুধবার ২২ জুলাই, ২০২৬ সময় : ৪:৫৬ পিএম

সাগরে সৃষ্ট একের পর এক নিম্নচাপ ও মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে টানা বৃষ্টি এবং অস্বাভাবিক জোয়ারে ঝালকাঠির বিভিন্ন এলাকার কৃষিজমি প্লাবিত হয়েছে। এতে আমনের বীজতলা, রোপা আউশ ধানসহ বিভিন্ন সবজি ও লতাজাতীয় ফসল পানিতে তলিয়ে ক্ষতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। সম্ভাব্য ক্ষতি নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছেন জেলার কৃষকরা।

স্থানীয় কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, কয়েক দিনের টানা বৃষ্টি ও জোয়ারের পানিতে জেলার বিভিন্ন এলাকার নিচু জমিতে পানি জমে গেছে। অনেক কৃষিজমি এখনো পানির নিচে রয়েছে। দীর্ঘ সময় ধরে জমিতে পানি জমে থাকায় আমনের বীজতলার চারা নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা করছেন কৃষকরা।

একই সঙ্গে রোপা আউশ ধানও পানিতে নিমজ্জিত হয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এছাড়া পেপে, লাউ, কাকরোল, চিচিঙ্গা, চালকুমড়াসহ বিভিন্ন লতাজাতীয় ও সবজি ফসল পানির নিচে থাকায় সেগুলো পচে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন কৃষকরা।

কৃষকরা জানান, কৃষিকাজের ওপর নির্ভর করেই তাদের জীবিকা চলে। এ সময়ে ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হলে তাদের বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে হবে। বিশেষ করে দীর্ঘ সময় পানি না কমলে সবজি ও অন্যান্য ফসল পুরোপুরি নষ্ট হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

তারা আরও বলেন, বৃষ্টি ও জোয়ারের পানি দ্রুত নেমে না গেলে জমিতে নতুন করে চাষাবাদ করাও কঠিন হয়ে পড়বে। ফলে উৎপাদন কমে যাওয়ার পাশাপাশি পরিবার-পরিজনের খরচ চালানো নিয়েও তারা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন।

এদিকে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানিয়েছে, বর্তমানে কৃষিজমিতে যে পরিমাণ ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে, প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তাৎক্ষণিকভাবে নিরূপণ করা সম্ভব নয়। জমি থেকে পানি নেমে যাওয়ার পর ক্ষতিগ্রস্ত ফসলের প্রকৃত চিত্র জানা যাবে।

ঝালকাঠি জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, “জমি থেকে পানি সরে যাওয়ার পর ক্ষতিগ্রস্ত ফসলের প্রকৃত অবস্থা জানা যাবে। কৃষি বিভাগ সার্বক্ষণিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা দিতে প্রস্তুত রয়েছে।”

তিনি আরও জানান, কৃষকদের পাশে থেকে পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও সহযোগিতা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

কৃষি বিভাগ বলছে, পানি দ্রুত নেমে গেলে অনেক ফসল রক্ষা পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে দীর্ঘদিন জলাবদ্ধতা থাকলে কৃষিতে বড় ধরনের ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে। এ কারণে জেলার বিভিন্ন এলাকার কৃষিজমির পরিস্থিতির ওপর নজর রাখা হচ্ছে।


এ সম্পর্কিত আরো খবর