মোহাম্মদ বাকী অনিক, কুমিল্লা প্রতিনিধি
কুমিল্লা শহরের প্রাণকেন্দ্র কান্দিরপার। কান্দিরপাড়কে কেন্দ্র করে সুদীর্ঘ ব্রিটিশ আমলে কুমিল্লা শহরের পানি নিষ্কাশনের জন্য খনন করা হয় ঐতিহ্যবাহী কান্দিখাল। বর্তমানে কান্দিখালের বিভিন্ন স্থানে ভরাট ও অব্যবস্থাপনার ফলে কুমিল্লা শহরের প্রায় প্রতিটি অংশে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা ব্যাহত হচ্ছে। যেই খালটি ছিল কুমিল্লা শহরের ব্যবসা বাণিজ্য, নৌ যোগাযোগ এবং পানি নিষ্কাশনের একমাত্র উপায়। কালের বিবর্তনে মানুষের দখল এবং অপরিকল্পিত নগরায়নের ফলে হারাতে বসেছে তার জৌলুস।
সরজমিনে শহরের বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখা যায়, অপরিকল্পিত দখলের ফলে কান্দিখালের বিভিন্ন অংশ ভরাট এবং ময়লার স্তুপ জমে পানি নিষ্কাশনের পথ প্রায় বন্ধের দিকে। বর্ষা মৌসুমে মৌসুমী জলবায়ুর প্রভাবে অতিরিক্ত বৃষ্টিপাতের সময়ে পুরো শহর জলমগ্ন হয়ে পড়ে। পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় জলে নিমজ্জিত হয় রাস্তা -ঘাট, দোকানপাট, বাজারসহ সবকিছুই। দুর্ভোগ পোহাতে হয় ব্যবসায়ী, ছাত্র, অসুস্থ ব্যক্তি সহ সকল শ্রেণী পেশার মানুষ।
যে খাল ভরাট, অব্যবস্থাপনা, অপরিকল্পিত নগরায়নের ফলে ড্রেনে রূপ নিয়েছে তার ব্যবস্থাপনায় কাজ করে দখলমুক্ত করে মুক্ত করে পুনরুদ্ধার করতে কাজ করছে কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের জেলা প্রশাসক ইউসুফ মোল্লা টিপু।তিনি বিভিন্ন অংশের ময়লা পরিষ্কার সহ দখল মুক্ত করে কান্দিখালের পূর্বের পরিবেশ ফিরিয়ে দিয়ে কুমিল্লার পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা ঠিক করার কথা আশ্বস্ত করেছেন। কুমিল্লা সাধারণ জনগণের একটাই দাবি যেন অচিরেই এই কান্দিখালে অব্যবস্থাপনা রহিত করে ভরাট প্রতিরোধ করে দখলমুক্ত করে কুমিল্লার অনিয়ন্ত্রিত বন্যা বন্ধ করা হোক।