অভিযোগপত্রে কায়ুম খান উল্লেখ করেন, গত ১৬ জুলাই বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশনা অনুযায়ী তিনি অসুস্থ শরীর নিয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। পরে সকাল ১০টা ২০ মিনিটের দিকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন।
বাদীর অভিযোগ, ঘটনাস্থল পরিদর্শনের সময় মামলার বিবাদী রোকনুজ্জামান ভূঁইয়া রনি উপস্থিত ছিলেন না। তবে তার লোকজন সেখানে উপস্থিত ছিলেন। তিনি অভিযোগ করেন, বিবাদীর অনুপস্থিতিতে তার পক্ষের লোকজন প্রায় ৩০ মিনিট ধরে বাদী পক্ষের ওপর শারীরিক ও মানসিক চাপ সৃষ্টি করেন।
কায়ুম খান অভিযোগে আরও বলেন, তিনি হার্টের ছয়টি ব্লক ও সি.কে.ডি কিডনি রোগে আক্রান্ত একজন প্রবীণ নাগরিক। ঘটনাস্থলে তিনি তার বক্তব্য, মামলার মালিকানা সংক্রান্ত কাগজপত্র ও দখলের প্রমাণাদি জমা দিতে গেলে তা গ্রহণের বিষয়ে সমস্যার সৃষ্টি হয়। তার দাবি, তিনি কাগজপত্র গ্রহণের রিসিভ কপি চাইলে তাকে জানানো হয়, ‘রিসিভ করা হবে না, এমনিই দেন।’ এ বিষয়ে তিনি কর্মকর্তার সহকারী এরশাদ সাহেবকে অবহিত করলেও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেন।
অভিযোগপত্রে তিনি জানান, তার পক্ষ থেকে নামজারি কপি এবং ২০২৭ সাল পর্যন্ত হালনাগাদ খাজনার রশিদ জমা দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি তিনি দাবি করেন, ঘটনাস্থলে জনাব রুবায়েদ খানের পক্ষে কোনো ভাড়া চুক্তিপত্র বা লিখিত দলিল উপস্থাপন করা হয়নি।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালত, গাজীপুরের একটি আদেশে সংশ্লিষ্ট সম্পত্তিতে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। ওই আদেশের কপিও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার কাছে জমা দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করেন তিনি।
অভিযোগে আরও বলা হয়, গত ১৯ জুলাই সকাল ১০টা ২০ মিনিটে বিবাদী পক্ষের আইনজীবী এনামুল ইসলাম এবং বাদীর ছোট ভাই হারুনুর রশিদ খান কালো ব্যাগ নিয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি) কার্যালয়ে উপস্থিত হন। বিষয়টিকে তিনি সন্দেহজনক হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
কায়ুম খান অভিযোগে আরও বলেন, ঘটনাস্থল পরিদর্শনের সময় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের আচরণে তিনি সন্তুষ্ট হতে পারেননি। তিনি বিষয়টি শুধুমাত্র অবগত করার জন্য লিখিতভাবে জানিয়েছেন বলে উল্লেখ করেন।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রকাশ করা হবে।