শুক্রবার (২৪ জুলাই) সকাল থেকে সুসজ্জিত পিকআপ ভ্যান ও বিভিন্ন যানবাহন ব্যবহার করে প্রান্তিক এলাকার নির্দিষ্ট স্থানগুলোতে গাছের চারা পৌঁছে দিয়ে এই ফলপ্রসূ বৃক্ষরোপণ কার্যক্রম সফলভাবে পরিচালনা করা হয়। দিনব্যাপী এই কর্মসূচির আওতায় স্থানীয় ময়দানহাটা মোশাররফ হোসেন কলেজ, আলিয়ার হাট রোকেয়া সাত্তার উচ্চ বিদ্যালয়, বেতগাড়ী মিরবাড়ী এতিমখানা ও মসজিদ, আমতলী মডেল একাডেমি ও স্কুল, ময়দানহাটা মাদ্রাসা ও এতিমখানা, আমতলী আল ফুরকান একাডেমি এবং বেতগাড়ী হাজীপাড়া মসজিদসহ বিভিন্ন ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের আঙিনায় মানসম্পন্ন ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা রোপণ করা হয়। এর পাশাপাশি স্থানীয় সাধারণ সচেতন মানুষের মাঝেও বিনামূল্যে শত শত গাছের চারা বিতরণ করা হয়।
উক্ত কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন শিবগঞ্জ উপজেলা (বগুড়া) কল্যাণ সমিতি, ঢাকা-এর সহ-সভাপতি ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) মো. নাছিমুল গনি, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কৃষিবিদ মুহাম্মদ তাহাজ্জত আলী, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল আলিম, দপ্তর সম্পাদক আবু বকর সিদ্দিক, সমাজসেবা সম্পাদক মোফাচ্ছের আলী, নির্বাহী সদস্য ইস্রাফিল, সদস্য ও আকাশ-জমিন পত্রিকার সম্পাদক মীর লিয়াকত আলী এবং ময়দানহাটা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি মো.মাহবুবুল আলম মানিক।
এছাড়াও স্থানীয় পরিবেশবান্ধব এই উদ্যোগে যুক্ত হয়ে এলাকার বিভিন্ন স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, এতিমখানা ও মসজিদের সম্মানিত শিক্ষক, শ্রদ্ধেয় ইমাম, স্থানীয় গণমান্য ব্যক্তিবর্গ, উৎসুক শিক্ষার্থী এবং সাধারণ এলাকাবাসী অত্যন্ত স্বতঃস্ফূর্তভাবে আনন্দঘন পরিবেশে অংশগ্রহণ করেন।
অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত বক্তারা জোর দিয়ে বলেন, “একটি গাছ, একটি প্রাণ—গাছ লাগান, পরিবেশ বাঁচান”—এই সর্বজনীন বাস্তব নীতি ও স্লোগানকে সম্বল করে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি শতভাগ সবুজ, নিরাপদ ও স্বাস্থ্যকর বাসযোগ্য বাংলাদেশ গড়ে তুলতে ব্যাপকভাবে বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। জলবায়ু পরিবর্তনের মারাত্মক বিরূপ প্রভাব প্রতিহত করা, প্রাকৃতিক জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং সামগ্রিক পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করতে সমাজের প্রতিটি নাগরিককে ব্যক্তিগত উদ্যোগে অন্তত একটি করে গাছ লাগানো এবং তা যথাযথ পরিচর্যা করার বিশেষ আহ্বান জানান তারা।
অনুষ্ঠান শেষে শিবগঞ্জ উপজেলা (বগুড়া) কল্যাণ সমিতি, ঢাকা-এর রূপরেখা তুলে ধরে সংগঠনের নেতৃবৃন্দ জানান, নিজেদের সামাজিক ও সামাজিক দায়বদ্ধতার অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে ভবিষ্যতেও পরিবেশ সংরক্ষণ, মানসম্মত শিক্ষা প্রসার, মানবকল্যাণ ও বিভিন্ন ধরণের সামাজিক জনসেবামূলক উন্মুক্ত কার্যক্রম তারা একইভাবে ধারাবাহিকভাবে পরিচালনা করে যাবেন।