ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
স্থানীয় সরকার নির্বাচনে শিক্ষাগত যোগ্যতার বাধ্যবাধকতা নেই: মীর শাহে আলম দুপুরের মধ্যেই বিদ্যুৎ পাচ্ছে বাংলাদেশ: কমবে লোডশেডিং এমপিও শিক্ষকদের নির্বাচন ভাগ্য নির্ধারণ করবে ইসি: মীর শাহে আলম সরকারি কেনাকাটায় পুকুরচুরি ঠেকাতে আসছে অভিন্ন একক দরতালিকা সাগর-রুনি হত্যার বিচার চেয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে লিখিত অভিযোগ তারুণ্য না অভিজ্ঞতা: ছাত্রদলের নতুন নেতৃত্ব চয়নে জটিল হিসাব-নিকাশ আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপন চ্যালেঞ্জের রিট খারিজ হাইকোর্টে ইন্দোনেশিয়ায় ২৪০ যাত্রী নিয়ে জাহাজ নিখোঁজ ঠাকুরগাঁও সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত, আটক ২ কমলা হ্যারিসের বাড়িতে অনধিকার প্রবেশের চেষ্টা, পুলিশি নিরাপত্তা জোরদার

এমপি হিসেবে সরোয়ার আলমগীরের দায়িত্ব পালনে বাধা নেই: আপিল বিভাগ


  • আপলোড সময় : বুধবার ২৯ জুলাই, ২০২৬ সময় : ১০:৫১ এএম

নিজস্ব প্রতিবেদক:

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-২ আসন থেকে নির্বাচিত বিএনপির প্রার্থী সরোয়ার আলমগীরের সংসদ সদস্য (এমপি) হিসেবে দায়িত্ব পালনে আপাতত কোনো আইনি বাধা নেই। তার দায়িত্ব পালনে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে করা আবেদন কার্যতালিকা থেকে বাদ দিয়েছেন আপিল বিভাগ।

বুধবার (২৯ জুলাই) প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ এ আদেশ দেন। আদেশের পর অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল সাংবাদিকদের জানান, আপিল বিভাগের সিদ্ধান্তের ফলে সরোয়ার আলমগীর এমপি হিসেবে দায়িত্ব পালনে আর কোনো বাধার মুখে থাকছেন না।

আদালত সূত্রে জানা যায়, এর আগে গত ৯ জুলাই হাইকোর্ট সরোয়ার আলমগীরের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করে রায় দেন। ওই রায়ের বিরুদ্ধে একই আসনের জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মুহাম্মদ নুরুল আমিন আপিল বিভাগে আবেদন করেন। আবেদনে হাইকোর্টের রায় স্থগিতের পাশাপাশি জাতীয় সংসদের অধিবেশনে সরোয়ার আলমগীরের অংশগ্রহণে নিষেধাজ্ঞা চাওয়া হয়।

মামলার নথি অনুযায়ী, নির্বাচনের আগে রিটার্নিং কর্মকর্তা সরোয়ার আলমগীরের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেন। পরে ঋণখেলাপির অভিযোগ তুলে নির্বাচন কমিশনে আপিল করেন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী মুহাম্মদ নুরুল আমিন। সেই আপিলের পর ১৮ জানুয়ারি নির্বাচন কমিশন সরোয়ার আলমগীরের মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করে।

এরপর নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন সরোয়ার আলমগীর। শুনানি শেষে হাইকোর্ট নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত স্থগিত করেন এবং তার মনোনয়নপত্র গ্রহণ করে নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়ার নির্দেশ দেন।

হাইকোর্টের ওই আদেশের বিরুদ্ধে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মুহাম্মদ নুরুল আমিন আপিল বিভাগে লিভ টু আপিল করেন। গত ৩ ফেব্রুয়ারি আপিল বিভাগ লিভ টু আপিল মঞ্জুর করেন। একই সঙ্গে সরোয়ার আলমগীরকে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগ দিলেও আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত নির্বাচনের ফলাফল স্থগিত রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়।

পরবর্তীতে বিষয়টির ওপর বিস্তারিত শুনানি শেষে গত ৯ জুলাই হাইকোর্ট চূড়ান্ত রায়ে সরোয়ার আলমগীরের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেন। এরপর ওই রায়ের বিরুদ্ধে করা আবেদন আপিল বিভাগ কার্যতালিকা থেকে বাদ দেওয়ায় তার এমপি হিসেবে দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে বিদ্যমান আইনি অনিশ্চয়তা দূর হয়েছে।

এদিকে আদালতের সর্বশেষ আদেশের পর বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনেও আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে মামলার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর পরবর্তী আইনি পদক্ষেপের ওপর ভবিষ্যৎ পরিস্থিতি নির্ভর করবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।


 


এ সম্পর্কিত আরো খবর