ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‘ট্রফি চোর’ অপবাদ মাথায় নিয়ে শান্ত মেজাজে মাঠ ছাড়লেন নাকভি ২৩ বছরের খরা কাটল না আমেরিকার, ইউএস ওপেনের ট্রফি জভেরেভের হাতে পুরুষদের পর মেয়েরাও বর্জন করল নাকভিকে, দুবাইতে আবারও ট্রফি নাটক রাজধানীর বেসরকারি হাসপাতালে শিশু মৃত্যুর পর তুলকালাম বিশ্বের দূষিত বায়ুর তালিকায় শীর্ষে সিঙ্গাপুর সিটি,ঢাকা ষষ্ঠ আসিফ মাহমুদের আমলের সব নিয়োগ ও পদোন্নতির নথি এখন দুদকে পঞ্চগড়ে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষ: আহত ১৫, ২ ঘণ্টা মহাসড়ক অবরুদ্ধ অল্পের জন্য বাঁচলেন আন্তর্জাতিক নেতারা ৩৬ ঘণ্টা পর নিহত বাংলাদেশি যুবকের মরদেহ ফেরত দিলো বিএসএফ শত কোটি টাকার সম্পদ, রিট ফাইল চেপে রাখা ও প্রশাসনের নীরবতার অভিযোগ

২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে ২ শিশুর মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১০১৯


  • আপলোড সময় : মঙ্গলবার ০৪ আগস্ট, ২০২৬ সময় : ৭:১০ পিএম

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের মারাত্মক উপসর্গ নিয়ে আরও ২ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে হাম ও হামের উপসর্গজনিত তীব্রতা নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে অন্তত ১ হাজার ১৯ জন শিশু।


মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক নিয়মিত হালনাগাদ প্রতিবেদন ও বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বিস্তারিত জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে কেবল হামের উপসর্গ নিয়েই আরও ২ শিশুর প্রাণহানি ঘটেছে। তবে এই নির্দিষ্ট সময়সীমায় ল্যাব পরীক্ষায় নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো শিশুর মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি।


স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সার্বিক পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয়েছে মোট ৭৫৩ শিশুর। অন্যদিকে ল্যাব পরীক্ষায় নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে প্রাণ হারিয়েছে আরও ৯৬ শিশু। ফলে ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে দেশে মোট ৮৪৯টি শিশু মারা গেছে।


স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে নতুন করে ১২৩ শিশু নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়েছে এবং একই সময়ে হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮৯৬ জনে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ২৪ ঘণ্টায় ৮৬৫ জন শিশু নতুন করে ভর্তি হয়েছে এবং সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরেছে ৯৯৮ জন শিশু।


প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে শুরু করে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৩১ হাজার ৯৪৬ জনে এবং নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৬ হাজার ৫৩১ জনে। এই সময়ের মধ্যে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ১ লাখ ১৪ হাজার ৩৯৩ জন শিশু রোগী, যাদের মধ্যে চিকিৎসা শেষে সফলভাবে ১ লাখ ১০ হাজার ১৮৭ জন ছাড়পত্র পেয়ে নিরাপদে বাড়ি ফিরেছে।


এ সম্পর্কিত আরো খবর