ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় শক্তিশালী স্থানীয় সরকারের বিকল্প নেই: ড. আবদুল মঈন খান স্থানীয় সরকার নির্বাচনে শিক্ষাগত যোগ্যতার বাধ্যবাধকতা নেই: মীর শাহে আলম দুপুরের মধ্যেই বিদ্যুৎ পাচ্ছে বাংলাদেশ: কমবে লোডশেডিং এমপিও শিক্ষকদের নির্বাচন ভাগ্য নির্ধারণ করবে ইসি: মীর শাহে আলম সরকারি কেনাকাটায় পুকুরচুরি ঠেকাতে আসছে অভিন্ন একক দরতালিকা সাগর-রুনি হত্যার বিচার চেয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে লিখিত অভিযোগ তারুণ্য না অভিজ্ঞতা: ছাত্রদলের নতুন নেতৃত্ব চয়নে জটিল হিসাব-নিকাশ আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপন চ্যালেঞ্জের রিট খারিজ হাইকোর্টে ইন্দোনেশিয়ায় ২৪০ যাত্রী নিয়ে জাহাজ নিখোঁজ ঠাকুরগাঁও সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত, আটক ২

বেরোবি প্রধান ফটকে অস্ত্র ও লাঠিসোঁটা নিয়ে ছাত্রদল-যুবদলের মহড়া


  • আপলোড সময় : মঙ্গলবার ০৪ আগস্ট, ২০২৬ সময় : ৮:০৫ পিএম

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) প্রধান ফটকে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের সংঘর্ষের জের ধরে দেশীয় অস্ত্র এবং লাঠিসোঁটাসহ অবস্থান নিয়েছে ছাত্রদল, যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলসহ বিএনপির বিভিন্ন স্তরের নেতা-কর্মীরা। এর আগে সংঘাতের ঘটনাকে কেন্দ্র করে উভয় ছাত্রসংগঠন একই স্থানে পাল্টাপাল্টি বিক্ষোভ কর্মসূচির ঘোষণা দিলে বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় চরম উত্তপ্ত পরিস্থিতি দেখা দেয়


মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) বিকেল ৪টার পর থেকে রংপুর মহানগরীসহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে নেতা-কর্মীরা বেরোবির প্রধান ফটকের সামনে জড়ো হতে শুরু করেন। এ সময় তাদের অনেকের হাতে ছুরি, চাপাতি, লাঠিসোঁটাসহ হরেক রকমের ভয়ানক দেশীয় অস্ত্র দৃশ্যমান হয়


ঘটনাস্থলে উপস্থিত নেতা-কর্মীরা ‘তুমিও জান আমিও জানি, জামায়াত-শিবির সমকামী’, ‘শিবিরের চামড়া, তুলে নেব আমরা’, ‘জামায়াত-শিবির রাজাকার, এই মুহূর্তে বাংলা ছাড়’, ‘জামায়াত-শিবিরের ঠিকানা, রংপুরে হবে না’, ‘জামায়াত-শিবির দেখে যা, রাজপথে তোর বাবারা’, ‘হই হই রই রই, জামায়াত-শিবির গেলি কই’ ইত্যাদি ক্ষুব্ধ ও আক্রমণাত্মক স্লোগান দিতে থাকেন


সমাবেশে অংশ নেওয়া এক যুবদল কর্মী জানান, তাঁরা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সঙ্গে একাত্মতা ও সহমর্মিতা প্রকাশ করে এখানে অবস্থান নিয়েছেন। তিনি আরও বলেন, “এখান থেকে ওই রাজাকার, আল-বদরদের জানিয়ে দিতে চাই—ওদের জায়গা ১৯৭১ সালে যেমন বাংলাদেশে হয়নি, ঠিক তেমনি ৫ আগস্টের পরেও সাধারণ জনগণ, শিক্ষার্থী এবং রংপুরবাসী তাদেরকে পুরোপুরি বয়কট করেছে।”


তবে পাল্টাপাল্টি কর্মসূচির কথা থাকলেও একই সময় বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় ছাত্রশিবির কিংবা তাদের কোনো অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীদের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়নি


বিশ্ববিদ্যালয়ে উদ্ভূত অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি প্রসঙ্গে বেরোবির প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. ফেরদৌস রহমান জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিপুল সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। বাহ্যিক কাউকে ক্যাম্পাসে প্রবেশ করতে নিষেধ করা হয়েছে এবং রংপুর মহানগরের শীর্ষ নেতা-কর্মীদের সঙ্গে কথা বলে সার্বিক বিষয়টি বোঝানো হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ব্যতীত অন্য কোনো বহিরাগতকে ভেতরে ঢুকতে দেওয়া হবে না বলে তিনি সতর্ক করেন


প্রক্টর আরও যোগ করেন, একটি রাজনৈতিক গ্রুপ ক্যাম্পাসের সামনে এবং অপর গ্রুপটি লালবাগ এলাকায় অবস্থান নেওয়ায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী উচ্চ সতর্কতায় রয়েছে। যেন দুই পক্ষ মুখোমুখি সংঘর্ষে জড়িয়ে না পড়ে, সেজন্য বিষয়টি প্রশাসনিক উচ্চপর্যায়ে ও তাজহাট থানার ওসিকে তাৎক্ষণিকভাবে জানানো হয়েছে


এ সম্পর্কিত আরো খবর