ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় শক্তিশালী স্থানীয় সরকারের বিকল্প নেই: ড. আবদুল মঈন খান স্থানীয় সরকার নির্বাচনে শিক্ষাগত যোগ্যতার বাধ্যবাধকতা নেই: মীর শাহে আলম দুপুরের মধ্যেই বিদ্যুৎ পাচ্ছে বাংলাদেশ: কমবে লোডশেডিং এমপিও শিক্ষকদের নির্বাচন ভাগ্য নির্ধারণ করবে ইসি: মীর শাহে আলম সরকারি কেনাকাটায় পুকুরচুরি ঠেকাতে আসছে অভিন্ন একক দরতালিকা সাগর-রুনি হত্যার বিচার চেয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে লিখিত অভিযোগ তারুণ্য না অভিজ্ঞতা: ছাত্রদলের নতুন নেতৃত্ব চয়নে জটিল হিসাব-নিকাশ আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপন চ্যালেঞ্জের রিট খারিজ হাইকোর্টে ইন্দোনেশিয়ায় ২৪০ যাত্রী নিয়ে জাহাজ নিখোঁজ ঠাকুরগাঁও সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত, আটক ২

জামিনে কারামুক্ত তনু হত্যা মামলার সন্দেহভাজন সাবেক সেনা সদস্য


  • আপলোড সময় : বুধবার ০৫ আগস্ট, ২০২৬ সময় : ৪:০৯ পিএম

কুমিল্লার বহুল আলোচিত কলেজছাত্রী ও নাট্যকর্মী সোহাগী জাহান তনু হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্য হাফিজুর রহমান হাইকোর্টের দেওয়া জামিনে কারামুক্ত হয়েছেন। মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) সন্ধ্যা ৭টা ৫ মিনিটে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে প্রয়োজনীয় সব আইনি আনুষ্ঠানিকতা শেষে তাকে মুক্তি দেওয়া হয়। জ্যেষ্ঠ জেল সুপার মো. শাহ আলম খান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, আদালতের আদেশ পৌঁছানোর পর প্রক্রিয়া শেষ করে তাকে মুক্তি দেওয়া হয়। এর আগে বিচারক জাকির আহমেদ ও বিচারক সাথীকা হোসাইনের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ তার জামিন আবেদন মঞ্জুর করেছিলেন।

চলতি বছরের ২২ এপ্রিল রাতে ঢাকার কেরানীগঞ্জের নিজ বাসা থেকে পিবিআইয়ের হাতে গ্রেপ্তার হন হাফিজুর রহমান। এরপর আদালত তাকে তিন দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দেন এবং তার রক্তের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করা হয়। অন্যদিকে মামলার রহস্য উদ্ঘাটনে তদন্তকারী সংস্থা পিবিআই জানিয়েছে, তনুর পোশাক থেকে পাওয়া তিনটি ভিন্ন পুরুষের ডিএনএ প্রোফাইলের সঙ্গে মেলানোর জন্য নতুন করে আরও দুই সন্দেহভাজন ব্যক্তির রক্তের নমুনা সংগ্রহের অনুমোদন দিয়েছেন আদালত।

আদালতের অনুমতি পাওয়া দুই ব্যক্তি হলেন সাবেক সৈনিক মো. জাহিদুল ইসলাম এবং কুমিল্লার বাসিন্দা ফয়সাল আহমেদ ওরফে রাব্বী। পিবিআই কর্মকর্তা মো. তারিকুল ইসলাম জানান, আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী দ্রুত তাদের রক্তের ডিএনএ পরীক্ষা সম্পন্ন করা হবে। এর আগে গত জুনে হত্যা মামলার অপর দুই আসামি সার্জেন্ট জাহিদুজ্জামান ও সৈনিক শাহীন আলমের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয় এবং তাদের গ্রেপ্তারে ইন্টারপোলের মাধ্যমে রেড নোটিশ জারির নির্দেশ দেন আদালত। বর্তমানে তাঁরা দুজনেই পলাতক।

উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের ২০ মার্চ কুমিল্লা সেনানিবাস এলাকায় টিউশনি শেষে ফেরার পথে নিখোঁজ হন তনু। পরদিন ঝোপঝাড় থেকে তাঁর লাশ উদ্ধার করা হলে বাবা ইয়ার হোসেন মামলা দায়ের করেন। থানা পুলিশ, ডিবি ও সিআইডি একাধিকবার তদন্ত করলেও দীর্ঘদিনেও হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করতে পারেনি। পরবর্তীতে ২০২০ সালে মামলাটির দায়িত্ব পায় পিবিআই, যারা বর্তমানে নতুন করে তদন্ত ত্বরান্বিত করছে।


এ সম্পর্কিত আরো খবর