ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬,  ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জাপানের ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশে বড় বিনিয়োগের উদাত্ত আহ্বান তারেক রহমানের বাউফলে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে শ্রেণিকক্ষে কিন্ডারগার্টেন ও দুর্নীতির অভিযোগ ঠাকুরগাঁও উপনির্বাচন ঘিরে কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা নিশ্চিত করেছে ইসি ইসরায়েলে নির্বাচন: ৬০ শতাংশ ভোট গণনা শেষ, এগিয়ে নেতানিয়াহুর দল খাদ্যে পুষ্টি উপাদান যুক্ত করতে দ্রুত আইন প্রণয়নের তাগিদ প্রতিমন্ত্রীর ক্রসফায়ার মন্তব্যে কোণঠাসা আইজিপি, আলোচনায় ব্যারিস্টার মো. জিল্লুর রহমান রংপুরে দাঁড়িয়ে থাকা ডাম্প ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ৪ নিয়মিত হাত ধোয়ার অভ্যাসই গড়বে সুস্থ প্রজন্ম: মীর শাহে আলম নাটোরে প্রবাসীর শপিং মলে হামলা ও লুটপাট, ৫ কোটি টাকার ক্ষতি জনগণের ভোটাধিকার কেড়ে নিতে চায় না বিএনপি সরকার: প্রতিমন্ত্রী

গারো পাহাড়ে বিশ্ব হাতি দিবস পালিত


  • আপলোড সময় : বুধবার ১২ আগস্ট, ২০২৬ সময় : ৬:১০ পিএম

শেরপুর প্রতিনিধি:

শেরপুরের সীমান্তবর্তী শ্রীবরদী উপজেলার গারো পাহাড় এলাকায় পালিত হয়েছে বিশ্ব হাতি দিবস। এ উপলক্ষে বুধবার (১২ আগস্ট) সকালে উপজেলার সীমান্তবর্তী বালিজুরি অফিসপাড়া এলাকায় ময়মনসিংহ বন বিভাগের বালিজুরি ফরেস্ট রেঞ্জের উদ্যোগে বর্ণাঢ্য র‌্যালি ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

বালিজুরি রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. সুমন মিয়ার সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মনীষা আহমেদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বন বিভাগের সহকারী বন সংরক্ষক তানভীর ইসলাম ইমন।

এ সময় বালিজুরি রেঞ্জের নবাগত রেঞ্জ কর্মকর্তা রাতুল সাহা রানা, বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ কর্মকর্তা সুমন সরকার, ডুমুরতলা ফরেস্ট কর্মকর্তা রকিবুল হাসান, বালিজুরি সদর বিট কর্মকর্তা মাজহারুল হক, রানীশিমুল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল হামিদ সোহাগ, ফরেস্ট কর্মকর্তা আব্দুর রেজ্জাক, হাসেম চৌধুরী, সাংবাদিক ও পরিবেশকর্মী মুগনিউর রহমান মনি, রানীশিমুল ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শাকিল তালুকদার, শ্রীবরদী প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক তারেক মো. আব্দুল্লাহ রানা এবং সিংগাবরুনা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফখরুজ্জামান কালু উপস্থিত ছিলেন।

এ ছাড়া বাগান উপকারভোগী, বন বিভাগের স্টাফ, ইআরটি দলের সদস্য, জনপ্রতিনিধি, পাহাড়ি অঞ্চলের গ্রামবাসী ও শিক্ষার্থীরা অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, হাতির আবাসস্থল রক্ষা ও সংকট দূর করা, হাতির নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, অবৈধ শিকার বন্ধ এবং বনাঞ্চল ধ্বংসের হাত থেকে হাতির বিচরণভূমি রক্ষা করা জরুরি। একই সঙ্গে মানুষ ও হাতির মধ্যকার দ্বন্দ্ব নিরসনে সবাইকে সম্মিলিতভাবে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তারা।

বক্তারা আরও বলেন, হাতি বনের গুরুত্বপূর্ণ প্রাণী। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় হাতির ভূমিকা রয়েছে। কিন্তু বনাঞ্চল ধ্বংস, আবাসস্থল সংকুচিত হওয়া এবং হাতির চলাচলের পথ বাধাগ্রস্ত হওয়ার কারণে মানুষ ও হাতির মধ্যে সংঘাত বাড়ছে। এ পরিস্থিতিতে হাতির নিরাপদ বিচরণ নিশ্চিত করার পাশাপাশি স্থানীয় মানুষের নিরাপত্তার বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করতে হবে।

বালিজুরি রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. সুমন মিয়া বলেন, বন ধ্বংস ও নগরায়ণের কারণে হাতির খাবার এবং চলাচলের পথ ছোট হয়ে আসছে। ফলে হাতি প্রায়ই লোকালয়ে চলে আসে। এতে মানুষ ও হাতির মধ্যে সংঘাত বাড়ছে।

তিনি বলেন, হাতির আবাসস্থল ও চলাচলের পথ রক্ষা করতে বন বিভাগের পাশাপাশি স্থানীয় জনগণকেও সচেতন হতে হবে। মানুষ ও হাতির সহাবস্থান নিশ্চিত করতে সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করার আহ্বান জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে বিশ্ব হাতি দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে হাতি সংরক্ষণ, বন রক্ষা এবং মানুষ ও হাতির সংঘাত কমাতে স্থানীয় পর্যায়ে সচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।


এ সম্পর্কিত আরো খবর