ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬,  ১৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ভারত থেকে আমদানি করা চালে ক্যান্সার সৃষ্টিকারী উপাদান, বিতরণ স্থগিত জাপানে ফ্লাইটে ত্রুটির ঘটনায় বিমানের উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন চাকরির বহাল তবিয়তে ওকালতি! বিপাকে সরাইল থানার ওসি রূপপুর পারমাণবিক কেন্দ্রের প্রথম ইউনিটে বিদ্যুৎ উৎপাদনের চূড়ান্ত অনুমোদন নারিতায় বিমানে ত্রুটি: সফরসঙ্গীদের নিয়েই দেশে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী তাহসিফ হত্যা রহস্য: জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বন্ধু দ্বীপকে হেফাজতে নিল পিবিআই সৌদি আরবে অগ্নিকাণ্ডে নিহত নওগাঁর পাঁচজনের মরদেহ আসছে শনিবার বরগুনার ডাকবাংলোর ৩ মরদেহ উদ্ধার: চাঞ্চল্যকর রহস্য উদ্ঘাটন ৫০ গজ দূর থেকে বাইক উদ্ধার, বন্ধু দ্বীপকে জেরা করছে পিবিআই স্পিন ঘূর্ণিতে ক্যারিবীয়দের গুঁড়িয়ে বাংলাদেশের লিড, রেকর্ড নাঈমের

২৮ জন শিক্ষকের ৩২ পরীক্ষার্থী, তাড়াশের দুই মাদ্রাসায় পাসের হার শূন্য


  • আপলোড সময় : বুধবার ১২ আগস্ট, ২০২৬ সময় : ৮:০৫ পিএম

ঝন্টু, সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি:

সিরাজগঞ্জের তাড়াশে এসএসসি ও সমমানের (দাখিল) পরীক্ষায় এমপিওভুক্ত দুটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোনো পরীক্ষার্থীই পাস করতে পারেননি। আশ্চর্যজনক বিষয় হলো, প্রতিষ্ঠান দুটিতে শিক্ষার্থী সংখ্যা ছিল মাত্র ৩২ জন, অথচ তাঁদের পাঠদানে নিয়োজিত ছিলেন ২৮ জন শিক্ষক। শতভাগ অকৃতকার্য হওয়া প্রতিষ্ঠান দুটি হলো—মাধাইনগর ইউনিয়নের সরাপপুর দাখিল মাদ্রাসা ও বিনোদ ইউনিয়নের হামকুড়িয়া দাখিল মাদ্রাসা।


প্রকাশিত ফলাফলের সূত্রে জানা গেছে, সরাপপুর দাখিল মাদ্রাসা থেকে ১৪ জন এবং হামকুড়িয়া দাখিল মাদ্রাসা থেকে ১৮ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেন। তাড়াশ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, সরাপপুর দাখিল মাদ্রাসার ১৪ জন পরীক্ষার্থীর বিপরীতে শিক্ষক রয়েছেন ১৩ জন। অন্যদিকে হামকুড়িয়া দাখিল মাদ্রাসায় ১৮ জন পরীক্ষার্থীর জন্য রয়েছেন ১৫ জন এমপিওভুক্ত শিক্ষক। শিক্ষকদের এমন বহর থাকা সত্ত্বেও একজন শিক্ষার্থীও পাস না করায় পাসের হার দাঁড়িয়েছে শতভাগ শূন্য।


উপজেলার সার্বিক শিক্ষার চিত্রও বেশ হতাশাজনক। তাড়াশের ২০টি দাখিল মাদ্রাসার মধ্যে ১৮টি মাদ্রাসায় গড় পাসের হার মাত্র ২০ শতাংশ, আর বাকি দুটি মাদ্রাসায় পাসের হার শূন্য।


শিক্ষক-শিক্ষার্থী অনুপাতে এমন বিপর্যয়কর ফলাফলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় অভিভাবকেরা। ঘটনাটি নজরে আসার পর মঙ্গলবার অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা তাড়াশ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আবদুল কাদের বিশ্বাস ওই দুই প্রতিষ্ঠানের প্রধানদের কারণ দর্শানোর (শো-কজ) নোটিশ দিয়েছেন।


উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বলেন, "শুন্য পাসের হারের বিষয়টি গুরুত্বের সাথে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পাশাপাশি তাড়াশ উপজেলার দাখিল মাদ্রাসাগুলোর শিক্ষার মানোন্নয়নে প্রয়োজনীয় সব আইনি ও প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।"


এ সম্পর্কিত আরো খবর