ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় শক্তিশালী স্থানীয় সরকারের বিকল্প নেই: ড. আবদুল মঈন খান স্থানীয় সরকার নির্বাচনে শিক্ষাগত যোগ্যতার বাধ্যবাধকতা নেই: মীর শাহে আলম দুপুরের মধ্যেই বিদ্যুৎ পাচ্ছে বাংলাদেশ: কমবে লোডশেডিং এমপিও শিক্ষকদের নির্বাচন ভাগ্য নির্ধারণ করবে ইসি: মীর শাহে আলম সরকারি কেনাকাটায় পুকুরচুরি ঠেকাতে আসছে অভিন্ন একক দরতালিকা সাগর-রুনি হত্যার বিচার চেয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে লিখিত অভিযোগ তারুণ্য না অভিজ্ঞতা: ছাত্রদলের নতুন নেতৃত্ব চয়নে জটিল হিসাব-নিকাশ আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপন চ্যালেঞ্জের রিট খারিজ হাইকোর্টে ইন্দোনেশিয়ায় ২৪০ যাত্রী নিয়ে জাহাজ নিখোঁজ ঠাকুরগাঁও সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত, আটক ২

তৃণমূলের আস্থা অর্জনে সফল মীর শাহে আলম, পূর্ণ মন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়ার গণদাবি


  • আপলোড সময় : বৃহস্পতিবার ১৩ আগস্ট, ২০২৬ সময় : ১০:৩১ এএম

স্টাফ রিপোর্টার

উত্তরবঙ্গের প্রবেশদ্বার ও প্রাণকেন্দ্র হিসেবে পরিচিত ঐতিহ্যবাহী বগুড়া জেলার সামগ্রিক বিকাশ ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে আরও বেশি গতিশীল, বেগবান এবং সম্প্রসারিত করার সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য নিয়ে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমকে পূর্ণ মন্ত্রী হিসেবে দেখতে চান জেলার সর্বস্তরের সচেতন জনগণ। জেলার ব্যবসায়ী প্রতিনিধি, সুশীল ও সচেতন নাগরিক সমাজ, বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠন এবং সাধারণ রাজনৈতিক কর্মীদের মতে, বগুড়ার দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে থাকা নাগরিক সমস্যাসমূহের দীর্ঘস্থায়ী নিরসন এবং বৃহৎ মেগা অবকাঠামোগত প্রকল্পগুলো দ্রুত বাস্তবায়ন করতে ক্যাবিনেটে একজন পূর্ণ মন্ত্রীর উপস্থিতি ও শক্তিশালী ভূমিকা অত্যন্ত অনস্বীকার্য।


ভৌগোলিক ও বাণিজ্যিকভাবে বগুড়া সর্বদাই বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের সবচেয়ে প্রধান অর্থনৈতিক ও প্রশাসনিক কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে। তবে স্থানীয় সচেতন অধিবাসীদের আক্ষেপ ও দীর্ঘদিনের অভিযোগ, জেলাটির বিশাল সম্ভাবনা ও গুরুত্ব থাকা সত্ত্বেও উপযুক্ত পূর্ণাঙ্গ প্রশাসনিক নেতৃত্ব এবং সরাসরি প্রত্যক্ষ সমন্বয়ের অভাবে অনেকগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন প্রকল্প দীর্ঘদিন ধরে ধীরগতিতে আটকে রয়েছে বা স্থবির অবস্থায় পড়ে রয়েছে। বিদ্যমান এই রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক প্রেক্ষাপটে প্রতিমন্ত্রী হিসেবে মীর শাহে আলমের সাম্প্রতিক সময়ের বলিষ্ঠ কর্মতৎপরতা, দূরদর্শী প্রশাসনিক নেতৃত্ব এবং এলাকার সুষম উন্নয়নে তাঁর অক্লান্ত আন্তরিক প্রচেষ্টা স্থানীয় সাধারণ মানুষের মন জয় করেছে এবং এক নতুন আশার আলো সঞ্চার করেছে।


স্থানীয় জনসাধারণ প্রকাশ করেন যে, প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই মীর শাহে আলম বগুড়ার অবহেলিত অঞ্চলের সর্বাত্মক উন্নয়নে সুনির্দিষ্ট একাধিক রোডম্যাপ তৈরি করে তা বাস্তবে প্রয়োগ করার জন্য নিরলসভাবে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। বিশেষ করে গ্রামীণ যোগাযোগ ব্যবস্থার অভূতপূর্ব অবকাঠামো উন্নয়ন, ভাঙাচোরা রাস্তাঘাট দ্রুত সংস্কার ও পুনর্নির্মাণ, কৃষিখাত ও প্রাকৃতিক পানি প্রবাহ সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ খাল খনন প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং পল্লী এলাকার আপামর মানুষের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে তিনি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ সব সময়োপযোগী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন। পাশাপাশি স্থানীয় সরকারের জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের বিভিন্ন সংস্থাকে সক্রিয়করণ এবং একদম তৃণমূল পর্যায়ে প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে তাঁর দৃঢ় ও কঠোর অবস্থান ইতোমধ্যেই সব মহলে ব্যাপক প্রশংসিত ও আদৃত হয়েছে।


বগুড়াবাসী স্পষ্ট করে জানান যে, একজন প্রতিমন্ত্রীর ক্ষেত্রে প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও নীতিগত প্রয়োগের বেশ কিছু সুনির্দিষ্ট সীমাবদ্ধতা থাকে। স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় হলো দেশের সবচেয়ে জনসম্পৃক্ত, বিস্তৃত ও গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়গুলোর একটি। মীর শাহে আলমকে যদি এই মন্ত্রণালয়ের বা অন্য কোনো কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় দপ্তরের পূর্ণ মন্ত্রীর দায়িত্বে উন্নীত করা হয়, তবে তিনি স্বাধীন ও বিস্তৃত পরিসরে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে প্রকল্পের দ্রুত বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে পারবেন। যা কেবল একটি জেলা নয়, বরং সমগ্র উত্তরবঙ্গের সামগ্রিক অর্থনৈতিক রূপরেখাই বদলে দিতে ঐতিহাসিক ভূমিকা রাখবে।


বগুড়া চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির নেতৃবৃন্দ এবং স্থানীয় পেশাজীবী সংগঠনের শীর্ষ প্রতিনিধিরা জানান, বগুড়ায় আন্তর্জাতিক মানের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন, একটি বিশেষায়িত অর্থনৈতিক অঞ্চল (ইকোনমিক জোন) গড়ে তোলা, আঞ্চলিক যোগাযোগের স্বার্থে বিমানবন্দর পুনরায় চালু করা এবং আধুনিক স্বয়ংক্রিয় বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করার মতো বেশ কিছু মেগা প্রজেক্ট বাস্তবায়নের জোরালো সুসংগঠিত দাবি দীর্ঘদিনের। এসব মেগা প্রকল্প চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য সরাসরি মন্ত্রিসভার নীতিগত সিদ্ধান্ত ও জোরালো নেতৃত্বের বিশেষ প্রয়োজন হয়। মীর শাহে আলমের মতো একজন অত্যন্ত পরিচ্ছন্ন, দূরদর্শী ও কর্মঠ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বকে পূর্ণ মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হলে বগুড়াসহ পুরো অঞ্চলের কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন এক নতুন মাত্রা পাবে।


মীর শাহে আলম সর্বদাই সাধারণ মানুষের সুখে-দুঃখে অবিকল অভিভাবকের মতো পাশে থেকেছেন। প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব সামলানোর অল্প সময়ের মধ্যেই তিনি যেভাবে বগুড়ার থমকে থাকা ঝিমিয়ে পড়া উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে নতুন গতি ফিরিয়ে এনেছেন, তাতে জেলাবাসী তাঁর নেতৃত্ব ও প্রতিশ্রুতির প্রতি নতুন করে পরম আস্থা প্রকাশ করছেন।


বগুড়াবাসীর এই গণদাবি কেবল কোনো একক ব্যক্তি বা নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের স্বার্থ নয়, বরং এটি পুরো জেলার ভবিষ্যৎ অগ্রগতি ও সার্বিক জাতীয় উন্নয়নের এক যৌথ গণআকাঙ্ক্ষার স্পষ্ট প্রতিফলন। বগুড়ার এই সম্ভাবনাময় উন্নয়ন যাত্রাকে মসৃণ করা এবং উত্তরবঙ্গের সর্বস্তরের মানুষের দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত প্রত্যাশা পূরণ করার লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী প্রতিশ্রুত উন্নয়ন ত্বরান্বিত করতে মীর শাহে আলমকে অবিলম্বে পূর্ণ মন্ত্রী পদে ভূষিত করবেন—এমনটাই পরম উদগ্রীব প্রত্যাশা সমগ্র বগুড়াবাসীর।

আকাশজমিন / আরআর  



এ সম্পর্কিত আরো খবর