ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬,  ১৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ভারত থেকে আমদানি করা চালে ক্যান্সার সৃষ্টিকারী উপাদান, বিতরণ স্থগিত জাপানে ফ্লাইটে ত্রুটির ঘটনায় বিমানের উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন চাকরির বহাল তবিয়তে ওকালতি! বিপাকে সরাইল থানার ওসি রূপপুর পারমাণবিক কেন্দ্রের প্রথম ইউনিটে বিদ্যুৎ উৎপাদনের চূড়ান্ত অনুমোদন নারিতায় বিমানে ত্রুটি: সফরসঙ্গীদের নিয়েই দেশে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী তাহসিফ হত্যা রহস্য: জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বন্ধু দ্বীপকে হেফাজতে নিল পিবিআই সৌদি আরবে অগ্নিকাণ্ডে নিহত নওগাঁর পাঁচজনের মরদেহ আসছে শনিবার বরগুনার ডাকবাংলোর ৩ মরদেহ উদ্ধার: চাঞ্চল্যকর রহস্য উদ্ঘাটন ৫০ গজ দূর থেকে বাইক উদ্ধার, বন্ধু দ্বীপকে জেরা করছে পিবিআই স্পিন ঘূর্ণিতে ক্যারিবীয়দের গুঁড়িয়ে বাংলাদেশের লিড, রেকর্ড নাঈমের

ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে গ্রিসে যাওয়ার চেষ্টায় ৯ বাংলাদেশির মৃত্যু


  • আপলোড সময় : সোমবার ১৭ আগস্ট, ২০২৬ সময় : ১২:৫২ পিএম

ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে গ্রিসে যাওয়ার পথে খাবার ও পানি ছাড়া প্রায় ১১ দিন সাগরে ভেসে থেকে ভয়াবহ ট্র্যাজেডির শিকার হয়েছেন অভিবাসনপ্রত্যাশীরা। এতে অন্তত ১১ জনের প্রাণহানি ঘটেছে, যাদের মধ্যে ৯ জনই বাংলাদেশি বলে জানা গেছে। লিবিয়া থেকে ছাড়া পাওয়া ওই দুর্ঘটনাকবলিত নৌকার বেঁচে যাওয়া এক বাংলাদেশি যাত্রীর বরাত দিয়ে কায়রোতে বাংলাদেশ দূতাবাসের ফার্স্ট সেক্রেটারি (শ্রম) মো. জাকির হোসেন তথ্যটি জানিয়েছেন।


দুর্ঘটনা থেকে বেঁচে যাওয়া ব্যক্তির নাম আবদুল করিম। তিনি সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জ উপজেলার পাথারিয়া গ্রামের বাসিন্দা। করিম বর্তমানে মিশরের মারসা মাতরুহ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো ভিডিও ও দূরভাষে যোগাযোগের মাধ্যমে প্রাপ্ত করিমের তথ্যানুযায়ী, গত ৩ আগস্ট লিবিয়ার উপকূল থেকে ৪২ জন যাত্রী নিয়ে গ্রিসের উদ্দেশে রওয়ানা হয় ইঞ্জিন চালিত একটি নৌকা। যার মধ্যে ৩৮ জন বাংলাদেশি এবং ৪ জন সুদানের নাগরিক ছিলেন।


যাত্রাপথে ভূমধ্যসাগরে যাওয়ার পরেই ডিঙ্গি নৌকাটির একক ইঞ্জিন নষ্ট হয়ে যায় এবং জ্বালানি শেষ হয়ে যায়। পরবর্তীতে টানা ১১ দিন সাগরে ভেসে থাকার সময় চরম খাবার ও পানির সংকট তৈরি হয়। প্রচণ্ড রোদ ও পানিশূন্যতায় ভুগে অন্তত ১১ জন যাত্রী মৃত্যুবরণ করেন। মারা যাওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে ৯ জন বাংলাদেশি ছিলেন এবং লাশগুলো বাধ্য হয়ে সাগরে ভাসিয়ে দেওয়া হয়। দীর্ঘ সময় নোনা পানিতে অবরুদ্ধ অবস্থায় থাকার কারণে উদ্ধার হওয়া বেঁচে থাকা যাত্রীদেরও শারীরিক পচন শুরু হয়েছে।


গত ১৩ আগস্ট মিশরের মারসা মাতরুহ উপকূলে নৌকাটি পৌঁছালে স্থানীয় অধিবাসীরা তাদের উদ্ধার করে এবং খবর পেয়ে পুলিশ এসে প্রায় ২৯-৩০ জন অসুস্থ যাত্রীকে হাসপাতালে ভর্তির ব্যবস্থা করে। তবে মিশরের পুলিশ আনুষ্ঠানিকভাবে এখনও সাগরে মৃত্যুর ঘটনা নিশ্চিত করেনি। বাংলাদেশ দূতাবাস উদ্ধারকৃতদের সাথে সরাসরি যোগাযোগের জন্য স্থানীয় কর্তৃপক্ষের অনুমতির অপেক্ষায় রয়েছে।


এদিকে সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জ উপজেলার অন্তত ৫ যুবক— হৃদয় পাল, এনামুল খান, রিপন মিয়া, মামুন খান ও মো. তালহার স্বজনেরা তাদের কোনো সন্ধান না পেয়ে চরম উৎকণ্ঠায় দিন কাটাচ্ছেন।


এ সম্পর্কিত আরো খবর