ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬,  ২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
যাচাই ছাড়াই দায়িত্ব: ফ্যামিলি কার্ড শুমারির দায়িত্বে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের নেতা আলোচনার মাধ্যমেই দুই দেশের সমাধান সম্ভব: ভারতীয় হাইকমিশনার ২৪ ঘণ্টায় ৭ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১ হাজার৩১ জন সরকারের ১৮০ দিনে অবসান হয়েছে নতজানু পররাষ্ট্রনীতির: মাহদী আমিন নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে নিরলস কাজ করছে সরকার: মাহদী আমিন রাজধানীতে মঙ্গলবার থেকে চালু হচ্ছে নারী পরিচালিত ‘মহিলা বাস’ বাংলাদেশের কাছে লজ্জার হারের পর ৩৮ লাখ টাকা জরিমানার মুখে অস্ট্রেলিয়া নতুন বিনিয়োগের সম্ভাবনা নিয়ে দুই দিনের সফরে ঢাকায় ভারতের শিল্পপতিরা স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সব সংস্থায় চালু হচ্ছে সৌরবিদ্যুৎ: মীর শাহে আলম ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে গ্রিসে যাওয়ার চেষ্টায় ৯ বাংলাদেশির মৃত্যু

ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে গ্রিসে যাওয়ার চেষ্টায় ৯ বাংলাদেশির মৃত্যু


  • আপলোড সময় : সোমবার ১৭ আগস্ট, ২০২৬ সময় : ১২:৫২ পিএম

ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে গ্রিসে যাওয়ার পথে খাবার ও পানি ছাড়া প্রায় ১১ দিন সাগরে ভেসে থেকে ভয়াবহ ট্র্যাজেডির শিকার হয়েছেন অভিবাসনপ্রত্যাশীরা। এতে অন্তত ১১ জনের প্রাণহানি ঘটেছে, যাদের মধ্যে ৯ জনই বাংলাদেশি বলে জানা গেছে। লিবিয়া থেকে ছাড়া পাওয়া ওই দুর্ঘটনাকবলিত নৌকার বেঁচে যাওয়া এক বাংলাদেশি যাত্রীর বরাত দিয়ে কায়রোতে বাংলাদেশ দূতাবাসের ফার্স্ট সেক্রেটারি (শ্রম) মো. জাকির হোসেন তথ্যটি জানিয়েছেন।


দুর্ঘটনা থেকে বেঁচে যাওয়া ব্যক্তির নাম আবদুল করিম। তিনি সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জ উপজেলার পাথারিয়া গ্রামের বাসিন্দা। করিম বর্তমানে মিশরের মারসা মাতরুহ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো ভিডিও ও দূরভাষে যোগাযোগের মাধ্যমে প্রাপ্ত করিমের তথ্যানুযায়ী, গত ৩ আগস্ট লিবিয়ার উপকূল থেকে ৪২ জন যাত্রী নিয়ে গ্রিসের উদ্দেশে রওয়ানা হয় ইঞ্জিন চালিত একটি নৌকা। যার মধ্যে ৩৮ জন বাংলাদেশি এবং ৪ জন সুদানের নাগরিক ছিলেন।


যাত্রাপথে ভূমধ্যসাগরে যাওয়ার পরেই ডিঙ্গি নৌকাটির একক ইঞ্জিন নষ্ট হয়ে যায় এবং জ্বালানি শেষ হয়ে যায়। পরবর্তীতে টানা ১১ দিন সাগরে ভেসে থাকার সময় চরম খাবার ও পানির সংকট তৈরি হয়। প্রচণ্ড রোদ ও পানিশূন্যতায় ভুগে অন্তত ১১ জন যাত্রী মৃত্যুবরণ করেন। মারা যাওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে ৯ জন বাংলাদেশি ছিলেন এবং লাশগুলো বাধ্য হয়ে সাগরে ভাসিয়ে দেওয়া হয়। দীর্ঘ সময় নোনা পানিতে অবরুদ্ধ অবস্থায় থাকার কারণে উদ্ধার হওয়া বেঁচে থাকা যাত্রীদেরও শারীরিক পচন শুরু হয়েছে।


গত ১৩ আগস্ট মিশরের মারসা মাতরুহ উপকূলে নৌকাটি পৌঁছালে স্থানীয় অধিবাসীরা তাদের উদ্ধার করে এবং খবর পেয়ে পুলিশ এসে প্রায় ২৯-৩০ জন অসুস্থ যাত্রীকে হাসপাতালে ভর্তির ব্যবস্থা করে। তবে মিশরের পুলিশ আনুষ্ঠানিকভাবে এখনও সাগরে মৃত্যুর ঘটনা নিশ্চিত করেনি। বাংলাদেশ দূতাবাস উদ্ধারকৃতদের সাথে সরাসরি যোগাযোগের জন্য স্থানীয় কর্তৃপক্ষের অনুমতির অপেক্ষায় রয়েছে।


এদিকে সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জ উপজেলার অন্তত ৫ যুবক— হৃদয় পাল, এনামুল খান, রিপন মিয়া, মামুন খান ও মো. তালহার স্বজনেরা তাদের কোনো সন্ধান না পেয়ে চরম উৎকণ্ঠায় দিন কাটাচ্ছেন।


এ সম্পর্কিত আরো খবর