ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬,  ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নিয়মিত হাত ধোয়ার অভ্যাসই গড়বে সুস্থ প্রজন্ম: মীর শাহে আলম নাটোরে প্রবাসীর শপিং মলে হামলা ও লুটপাট, ৫ কোটি টাকার ক্ষতি জনগণের ভোটাধিকার কেড়ে নিতে চায় না বিএনপি সরকার: প্রতিমন্ত্রী তিন নিরাপত্তারক্ষীসহ অপহৃত কালাতের রাজপুত্র শাহজাদা আহমেদজাই 'আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স' শব্দ নিষিদ্ধের ঘোষণা প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নারী পরীক্ষকের সামনে পুরুষরা কম ব্যথা অনুভব করেন: নতুন গবেষণা উইন্ডিজের বিপক্ষে টস জিতে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ, একাদশে নেই মুশফিক! কাঁদুনে গ্যাসে ফরাসি বিক্ষোভকারীর মৃত্যু, পুলিশের বিরুদ্ধে মামলা নেতানিয়াহুর রাজনৈতিক অধ্যায় শেষ, দাবি বিরোধী নেতা আইজেনকোটের ফেনারবাখচেকে হারিয়ে ইউরোলিগে ভ্যালেন্সিয়ার দুর্দান্ত জয়

চট্টগ্রামে গাড়িচালক সজিব হত্যা মামলায় তিনজনের মৃত্যুদণ্ড


  • আপলোড সময় : সোমবার ১৭ আগস্ট, ২০২৬ সময় : ৬:২৯ পিএম

চট্টগ্রাম নগরের পাহাড়তলী থানার আলোচিত গাড়িচালক মো. সজিব হত্যা মামলায় তিন আসামিকে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করেছেন আদালত। একই সঙ্গে দণ্ডিতদের প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। আজ সোমবার (১৭ আগস্ট) চট্টগ্রামের পঞ্চম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মো. তাজউল ইসলামের আদালত এই রায় ঘোষণা করেন।


মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন— হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ের বাসিন্দা নুরুল আমিন, কুমিল্লার দেবিদ্বারের মো. শাহজাহান এবং ফেনী সদর উপজেলার নুরুল আলম টুটুল। রায় ঘোষণার সময় আসামি নুরুল আলম টুটুল আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরে তাঁকে সাজা পরোয়ানামূলে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালত। অন্যদিকে নুরুল আমিন ও মো. শাহজাহান মামলা শুরুর পর থেকেই পলাতক থাকায় তাঁদের বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানাসহ গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।


আদালতের বেঞ্চ সহকারী এস এম কাওসার সাগর রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মামলায় মোট ২১ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য-প্রমাণ ও আইনি পর্যালোচনা শেষে চালক মো. সজিবকে হত্যার অভিযোগটি সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় বিচারক এই রায় দেন।


মামলার বিবরণ সূত্রে জানা যায়, ২০২১ সালের ১৭ অক্টোবর বাড়ি থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হন গাড়িচালক মো. সজিব। তিনি নোয়াখালীর চাটখিলের বাসিন্দা ছিলেন এবং পেশাগত কারণে চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন জেলায় মালামাল পরিবহনের কাজ করতেন। নিখোঁজের ১০ দিন পর ২৭ অক্টোবর পাহাড়তলী এলাকার টোল রোডের পূর্ব পাশে একটি কৃষিজমি থেকে তাঁর অজ্ঞাতপরিচয় মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরবর্তীতে আঙুলের ছাপ (ফিঙ্গারপ্রিন্ট) ও জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য মিলিয়ে মরদেহটি সজিবের বলে শনাক্ত করা হয়।


মরদেহের মাথায় গুরুতর থেঁতলানো আঘাত ও শরীরে ধারালো অস্ত্রের একাধিক জখম পাওয়া যায়। এই ঘটনায় পাহাড়তলী থানায় মামলা দায়েরের পর তদন্ত শেষে পুলিশ ওই তিনজনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয়। ২০২৩ সালের ১১ অক্টোবর আসামিদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগ গঠন করে বিচারকাজ শুরু হয়েছিল।


এ সম্পর্কিত আরো খবর