ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬,  ২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
দেশজুড়ে বোমা উদ্ধার ও জাতিসংঘের উদ্বেগে জঙ্গিবাদ নিয়ে নতুন তোলপাড় গভীর রাতের মধ্যে ১৫ অঞ্চলে ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টির শঙ্কা সংবিধান লঙ্ঘন ও ক্ষমতার অপব্যবহার: ড. ইউনূসের সর্বোচ্চ শাস্তি হতে পারে মৃত্যুদণ্ড সোশ্যাল মিডিয়ার ব্যঙ্গাত্মক 'ককরোচ আন্দোলন' থেকে ভারতীয় রাজনীতিতে তোলপাড় মুক্তিযুদ্ধের চেতনার মতো জুলাই অভ্যুত্থান যেন দলীয় সম্পত্তি না হয়: ববি হাজ্জাজ সেপ্টেম্বর থেকে দেশে ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব আরও বাড়তে পারে: বিএমইউ উপাচার্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে সৌদি সফরের আমন্ত্রণ জানালেন ক্রাউন প্রিন্স চট্টগ্রামে গাড়িচালক সজিব হত্যা মামলায় তিনজনের মৃত্যুদণ্ড উপসচিব পদে ২৭৭ কর্মকর্তাকে পদোন্নতি দিল সরকার সরকারের ১৮০ দিনে হানিমুন পিরিয়ড শেষ করেছি: শিক্ষামন্ত্রী

চট্টগ্রামে গাড়িচালক সজিব হত্যা মামলায় তিনজনের মৃত্যুদণ্ড


  • আপলোড সময় : সোমবার ১৭ আগস্ট, ২০২৬ সময় : ৬:২৯ পিএম

চট্টগ্রাম নগরের পাহাড়তলী থানার আলোচিত গাড়িচালক মো. সজিব হত্যা মামলায় তিন আসামিকে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করেছেন আদালত। একই সঙ্গে দণ্ডিতদের প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। আজ সোমবার (১৭ আগস্ট) চট্টগ্রামের পঞ্চম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মো. তাজউল ইসলামের আদালত এই রায় ঘোষণা করেন।


মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন— হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ের বাসিন্দা নুরুল আমিন, কুমিল্লার দেবিদ্বারের মো. শাহজাহান এবং ফেনী সদর উপজেলার নুরুল আলম টুটুল। রায় ঘোষণার সময় আসামি নুরুল আলম টুটুল আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরে তাঁকে সাজা পরোয়ানামূলে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালত। অন্যদিকে নুরুল আমিন ও মো. শাহজাহান মামলা শুরুর পর থেকেই পলাতক থাকায় তাঁদের বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানাসহ গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।


আদালতের বেঞ্চ সহকারী এস এম কাওসার সাগর রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মামলায় মোট ২১ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য-প্রমাণ ও আইনি পর্যালোচনা শেষে চালক মো. সজিবকে হত্যার অভিযোগটি সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় বিচারক এই রায় দেন।


মামলার বিবরণ সূত্রে জানা যায়, ২০২১ সালের ১৭ অক্টোবর বাড়ি থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হন গাড়িচালক মো. সজিব। তিনি নোয়াখালীর চাটখিলের বাসিন্দা ছিলেন এবং পেশাগত কারণে চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন জেলায় মালামাল পরিবহনের কাজ করতেন। নিখোঁজের ১০ দিন পর ২৭ অক্টোবর পাহাড়তলী এলাকার টোল রোডের পূর্ব পাশে একটি কৃষিজমি থেকে তাঁর অজ্ঞাতপরিচয় মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরবর্তীতে আঙুলের ছাপ (ফিঙ্গারপ্রিন্ট) ও জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য মিলিয়ে মরদেহটি সজিবের বলে শনাক্ত করা হয়।


মরদেহের মাথায় গুরুতর থেঁতলানো আঘাত ও শরীরে ধারালো অস্ত্রের একাধিক জখম পাওয়া যায়। এই ঘটনায় পাহাড়তলী থানায় মামলা দায়েরের পর তদন্ত শেষে পুলিশ ওই তিনজনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয়। ২০২৩ সালের ১১ অক্টোবর আসামিদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগ গঠন করে বিচারকাজ শুরু হয়েছিল।


এ সম্পর্কিত আরো খবর