ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় শক্তিশালী স্থানীয় সরকারের বিকল্প নেই: ড. আবদুল মঈন খান স্থানীয় সরকার নির্বাচনে শিক্ষাগত যোগ্যতার বাধ্যবাধকতা নেই: মীর শাহে আলম দুপুরের মধ্যেই বিদ্যুৎ পাচ্ছে বাংলাদেশ: কমবে লোডশেডিং এমপিও শিক্ষকদের নির্বাচন ভাগ্য নির্ধারণ করবে ইসি: মীর শাহে আলম সরকারি কেনাকাটায় পুকুরচুরি ঠেকাতে আসছে অভিন্ন একক দরতালিকা সাগর-রুনি হত্যার বিচার চেয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে লিখিত অভিযোগ তারুণ্য না অভিজ্ঞতা: ছাত্রদলের নতুন নেতৃত্ব চয়নে জটিল হিসাব-নিকাশ আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপন চ্যালেঞ্জের রিট খারিজ হাইকোর্টে ইন্দোনেশিয়ায় ২৪০ যাত্রী নিয়ে জাহাজ নিখোঁজ ঠাকুরগাঁও সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত, আটক ২

সিংগাইরে মাতৃত্বকালীন ভাতার কার্ড দেওয়ার নামে ঘুষের অভিযোগ


  • আপলোড সময় : সোমবার ১৭ আগস্ট, ২০২৬ সময় : ৭:৩৩ পিএম

মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলার বায়রা ইউনিয়নে মাতৃত্বকালীন ভাতার কার্ড করে দেওয়ার কথা বলে উপকারভোগীদের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের ঘুষ গ্রহণের অভিযোগ উঠেছে। বায়রা ইউনিয়ন পরিষদের ১, ২ ও ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সংরক্ষিত নারী সদস্য সেলিনা আক্তার এবং গারাদিয়া কমিউনিটি ক্লিনিকের কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রোভাইডার (সিএইচসিপি) খায়রুল ইসলাম মিলনের বিরুদ্ধে এই টাকা নেওয়ার অভিযোগ করেছেন স্থানীয় দরিদ্র পরিবারগুলো।


ভুক্তভোগীদের অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বায়রা ইউনিয়নের আদর্শগ্রামের সাহিদা নামের এক নারী কার্ডের জন্য ইউপি সদস্য সেলিনাকে ৫ হাজার ৫০০ টাকা দেন। ভাতার কয়েক কিস্তির টাকা পেলেও কার্ডের জন্য তাঁকে মোটা অঙ্কের ঘুষ দিতে হয়েছে। একই গ্রামের শহিদুল মিয়া তাঁর স্ত্রীর মাতৃত্বকালীন ভাতার কার্ডের বিনিময়ে ইউপি সদস্য সেলিনাকে ১২ হাজার টাকা দিয়েছেন বলে অভিযোগ করেন। অন্যদিকে খাদিজা নামের এক নারী জানান, কার্ড করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতিতে সিএইচসিপি খায়রুল ইসলাম মিলন তাঁর কাছ থেকে ৪ হাজার ৫০০ টাকা নিলেও এখনো তিনি কোনো ভাতা পাননি। স্থানীয়দের দাবি, নিরপেক্ষ তদন্ত করা হলে ঘুষ গ্রহণের আরও তথ্য বেরিয়ে আসবে।


তবে নিজেদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্তরা। ইউপি সদস্য সেলিনা আক্তার একে নির্বাচনী প্রতিপক্ষের ষড়যন্ত্র বলে দাবি করেছেন। সিএইচসিপি খায়রুল ইসলাম মিলনও অভিযোগ অস্বীকার করে জানান, তিনি এক ইউপি সদস্যকে টাকা দিয়েছিলেন এবং কাজ না হলে তা ফেরত দেবেন। এ বিষয়ে সিংগাইর উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা রেশমা আক্তার জানান, বিষয়টি সম্পর্কে তিনি অবগত নন; অভিযোগ খতিয়ে দেখে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।


এ সম্পর্কিত আরো খবর