ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬,  ১৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ভারত থেকে আমদানি করা চালে ক্যান্সার সৃষ্টিকারী উপাদান, বিতরণ স্থগিত জাপানে ফ্লাইটে ত্রুটির ঘটনায় বিমানের উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন চাকরির বহাল তবিয়তে ওকালতি! বিপাকে সরাইল থানার ওসি রূপপুর পারমাণবিক কেন্দ্রের প্রথম ইউনিটে বিদ্যুৎ উৎপাদনের চূড়ান্ত অনুমোদন নারিতায় বিমানে ত্রুটি: সফরসঙ্গীদের নিয়েই দেশে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী তাহসিফ হত্যা রহস্য: জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বন্ধু দ্বীপকে হেফাজতে নিল পিবিআই সৌদি আরবে অগ্নিকাণ্ডে নিহত নওগাঁর পাঁচজনের মরদেহ আসছে শনিবার বরগুনার ডাকবাংলোর ৩ মরদেহ উদ্ধার: চাঞ্চল্যকর রহস্য উদ্ঘাটন ৫০ গজ দূর থেকে বাইক উদ্ধার, বন্ধু দ্বীপকে জেরা করছে পিবিআই স্পিন ঘূর্ণিতে ক্যারিবীয়দের গুঁড়িয়ে বাংলাদেশের লিড, রেকর্ড নাঈমের

সিংগাইরে মাতৃত্বকালীন ভাতার কার্ড দেওয়ার নামে ঘুষের অভিযোগ


  • আপলোড সময় : সোমবার ১৭ আগস্ট, ২০২৬ সময় : ৭:৩৩ পিএম

মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলার বায়রা ইউনিয়নে মাতৃত্বকালীন ভাতার কার্ড করে দেওয়ার কথা বলে উপকারভোগীদের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের ঘুষ গ্রহণের অভিযোগ উঠেছে। বায়রা ইউনিয়ন পরিষদের ১, ২ ও ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সংরক্ষিত নারী সদস্য সেলিনা আক্তার এবং গারাদিয়া কমিউনিটি ক্লিনিকের কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রোভাইডার (সিএইচসিপি) খায়রুল ইসলাম মিলনের বিরুদ্ধে এই টাকা নেওয়ার অভিযোগ করেছেন স্থানীয় দরিদ্র পরিবারগুলো।


ভুক্তভোগীদের অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বায়রা ইউনিয়নের আদর্শগ্রামের সাহিদা নামের এক নারী কার্ডের জন্য ইউপি সদস্য সেলিনাকে ৫ হাজার ৫০০ টাকা দেন। ভাতার কয়েক কিস্তির টাকা পেলেও কার্ডের জন্য তাঁকে মোটা অঙ্কের ঘুষ দিতে হয়েছে। একই গ্রামের শহিদুল মিয়া তাঁর স্ত্রীর মাতৃত্বকালীন ভাতার কার্ডের বিনিময়ে ইউপি সদস্য সেলিনাকে ১২ হাজার টাকা দিয়েছেন বলে অভিযোগ করেন। অন্যদিকে খাদিজা নামের এক নারী জানান, কার্ড করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতিতে সিএইচসিপি খায়রুল ইসলাম মিলন তাঁর কাছ থেকে ৪ হাজার ৫০০ টাকা নিলেও এখনো তিনি কোনো ভাতা পাননি। স্থানীয়দের দাবি, নিরপেক্ষ তদন্ত করা হলে ঘুষ গ্রহণের আরও তথ্য বেরিয়ে আসবে।


তবে নিজেদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্তরা। ইউপি সদস্য সেলিনা আক্তার একে নির্বাচনী প্রতিপক্ষের ষড়যন্ত্র বলে দাবি করেছেন। সিএইচসিপি খায়রুল ইসলাম মিলনও অভিযোগ অস্বীকার করে জানান, তিনি এক ইউপি সদস্যকে টাকা দিয়েছিলেন এবং কাজ না হলে তা ফেরত দেবেন। এ বিষয়ে সিংগাইর উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা রেশমা আক্তার জানান, বিষয়টি সম্পর্কে তিনি অবগত নন; অভিযোগ খতিয়ে দেখে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।


এ সম্পর্কিত আরো খবর