ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় শক্তিশালী স্থানীয় সরকারের বিকল্প নেই: ড. আবদুল মঈন খান স্থানীয় সরকার নির্বাচনে শিক্ষাগত যোগ্যতার বাধ্যবাধকতা নেই: মীর শাহে আলম দুপুরের মধ্যেই বিদ্যুৎ পাচ্ছে বাংলাদেশ: কমবে লোডশেডিং এমপিও শিক্ষকদের নির্বাচন ভাগ্য নির্ধারণ করবে ইসি: মীর শাহে আলম সরকারি কেনাকাটায় পুকুরচুরি ঠেকাতে আসছে অভিন্ন একক দরতালিকা সাগর-রুনি হত্যার বিচার চেয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে লিখিত অভিযোগ তারুণ্য না অভিজ্ঞতা: ছাত্রদলের নতুন নেতৃত্ব চয়নে জটিল হিসাব-নিকাশ আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপন চ্যালেঞ্জের রিট খারিজ হাইকোর্টে ইন্দোনেশিয়ায় ২৪০ যাত্রী নিয়ে জাহাজ নিখোঁজ ঠাকুরগাঁও সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত, আটক ২

কলকাতার অগ্নিকাণ্ডে নিহত সাজুর দাফন, জানাজায় মোস্তাফিজ


  • আপলোড সময় : রবিবার ২৩ আগস্ট, ২০২৬ সময় : ৭:৩২ পিএম

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি:

কলকাতার একটি আবাসিক হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নিহত সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার আলিমুজ্জামান সাজুর দাফন নিজ গ্রামে সম্পন্ন হয়েছে। শনিবার (২২ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে উপজেলার বরেয়া গ্রামে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।

সাজুর জানাজায় জাতীয় দলের ক্রিকেটার মোস্তাফিজুর রহমান, তার বাবা আবুল কাশেম গাজীসহ কয়েক শ মানুষ অংশ নেন। স্বজন, প্রতিবেশী ও স্থানীয়দের উপস্থিতিতে পুরো এলাকায় শোকের আবহ তৈরি হয়।

এর আগে শনিবার দুপুর ১২টার দিকে ভোমরা স্থলবন্দরের জিরো পয়েন্টে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) সাজুর মরদেহ বাংলাদেশি ইমিগ্রেশন পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে। প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষে মরদেহ পরিবারের সদস্যদের কাছে বুঝিয়ে দেওয়া হয়।

বেলা ৩টার দিকে সাজুর মরদেহবাহী গাড়ি বরেয়া গ্রামে পৌঁছায়। সে সময় আকাশ ছিল মেঘাচ্ছন্ন। কিছুক্ষণ পর শুরু হয় মুষলধারে বৃষ্টি। তবে বৃষ্টির কারণে প্রিয়জনকে শেষবারের মতো দেখতে আসা মানুষের স্রোত থামেনি। বৃষ্টি উপেক্ষা করে শত শত মানুষ সাজুর বাড়িতে ছুটে আসেন।

মরদেহ বাড়িতে পৌঁছানোর পর স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে ওঠে পরিবেশ। শেষবারের মতো সাজুকে দেখতে আসা মানুষের চোখেমুখেও ছিল শোকের ছাপ। স্থানীয়রা জানান, সাজু ছিলেন সদালাপী, সৎ ও সহজ-সরল প্রকৃতির মানুষ। তার আকস্মিক মৃত্যু মেনে নিতে পারছেন না কেউ।


বৃষ্টি কিছুটা কমলে আসরের নামাজের পর বাড়ির পাশের মসজিদ প্রাঙ্গণে সাজুর জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এতে জাতীয় দলের ক্রিকেটার মোস্তাফিজুর রহমান, তার বাবা ও পরিবারের সদস্যরা অংশ নেন। জানাজায় স্থানীয় বিপুলসংখ্যক মানুষও উপস্থিত ছিলেন।

মোস্তাফিজুর রহমানের বাবা আবুল কাশেম গাজী বলেন, সাজুর পরিবারের সঙ্গে তাদের পারিবারিক আত্মীয়তার সম্পর্ক রয়েছে। সেই সম্পর্কের কারণেই সাজুর শেষ বিদায়ে তারা উপস্থিত হয়েছেন।

জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে সাজুর মরদেহ দাফন করা হয়। স্বজনদের কান্না ও শোকাহত মানুষের উপস্থিতির মধ্য দিয়ে শেষ হয় তার শেষ যাত্রা।

এদিকে একই অগ্নিকাণ্ডে নিহত কালিগঞ্জ উপজেলার তেঁতুলিয়া গ্রামের রেবাতি সরকারের মরদেহ পরিবারের অনুরোধে কলকাতাতেই সৎকার করা হয়েছে।


এ সম্পর্কিত আরো খবর