ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় শক্তিশালী স্থানীয় সরকারের বিকল্প নেই: ড. আবদুল মঈন খান স্থানীয় সরকার নির্বাচনে শিক্ষাগত যোগ্যতার বাধ্যবাধকতা নেই: মীর শাহে আলম দুপুরের মধ্যেই বিদ্যুৎ পাচ্ছে বাংলাদেশ: কমবে লোডশেডিং এমপিও শিক্ষকদের নির্বাচন ভাগ্য নির্ধারণ করবে ইসি: মীর শাহে আলম সরকারি কেনাকাটায় পুকুরচুরি ঠেকাতে আসছে অভিন্ন একক দরতালিকা সাগর-রুনি হত্যার বিচার চেয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে লিখিত অভিযোগ তারুণ্য না অভিজ্ঞতা: ছাত্রদলের নতুন নেতৃত্ব চয়নে জটিল হিসাব-নিকাশ আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপন চ্যালেঞ্জের রিট খারিজ হাইকোর্টে ইন্দোনেশিয়ায় ২৪০ যাত্রী নিয়ে জাহাজ নিখোঁজ ঠাকুরগাঁও সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত, আটক ২

পুলিশকে ধাক্কা দিয়ে কোর্ট হাজত থেকে লাফিয়ে আসামির পলায়ন


  • আপলোড সময় : বৃহস্পতিবার ০৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সময় : ৮:১১ পিএম

সিরাজগঞ্জ প্রতি‌নি‌ধিঃ

সিরাজগঞ্জে পুলিশকে ধাক্কা দিয়ে কোর্ট হাজত থেকে লাফিয়ে হাজতীর পলায়োন। ঘটনা‌টি সিরাজগঞ্জ চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে। সেখা‌নে হাতকড়া পড়ানোর সময় পুলিশ সদস্যকে ধাক্কা দিয়ে কোর্ট হাজতের দোতলার বারান্দা থেকে লাফিয়ে পালায় আব্দুল মমিন নামে এক হাজতী। 


বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টা ৪০ মিনিটে এই ঘটনাটি ঘটে। পলাতক আসামি আব্দুল মমিন সিরাজগঞ্জ পৌর এলাকার কোবদাসপাড়া মহল্লার আব্দুস সবুরের ছেলে। এ ঘটনায় দুপুর ১২টা থেকে বিকেল তিনটা পর্যন্ত আদালত চত্বরে অবস্থান করার পরও পুলিশের সাক্ষাত পাওয়া যায়নি। বিকেল ৪ঃ৩০ এর দিকে সদর কোর্টের জিআরও (এএসআই) জুয়েল হোসেন আসামি পালিয়ে যাওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেন। তবে তিনি বলেন, আমি আসামি পালানোর বিষয়টি শুনেছি। ঘটনার সময় সেখানে ছিলাম না। এর আগে আদালতের বিভিন্ন সূত্র থেকে জানা যায়, চুরি মামলার হাজতী আসামি আব্দুল মমিনকে জেলা কারাগার থেকে অতিরিক্ত চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে হাজিরা দেওয়ার জন্য আনা হয়।


হাজিরা শেষে তাকে আদালত ভবনের দ্বিতীয় তলায় হাজতে নেওয়া হয়। এ সময় এক পুলিশ সদস্য তাকে হাতকড়া পড়ানোর চেষ্টা করছিলেন। তখন ওই পুলিশ সদস্যকে ধাক্কা দিয়ে বারান্দার অরক্ষিত দ্বিতীয়তলা থেকে লাফিয়ে পড়ে দ্রুত পালিয়ে যান। এদিকে কোর্ট পুলিশ তাৎক্ষণিক দিয়ার ধানগড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে পালিয়ে যাওয়া চোর সন্দেহে নুরনবী নামে এক যুবককে আটক করে নিয়ে আসে। নুরনবী দিয়ার ধানগড়া মহল্লার আব্দুর রহিমের ছেলে। যাচাই-বাছাই শেষে পালিয়ে যাওয়া আসামির সঙ্গে মিল না পেয়ে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। এসব ঘটনার তথ্য সংগ্রহে আদালত চত্বরে গেলে কোর্ট পুলিশের সদস্যদেরকে এদিক-সেদিক ছোটাছুটি করতে দেখা যায়। এ সময় প্রশ্ন করলে কেউই সঠিকভাবে তথ্য দিতে রাজি হননি।


তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পুলিশের কয়েকজন সদস্য জানান, পালিয়ে যাওয়া আসামিকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। সবাই সেজন্যই ব্যস্ত রয়েছে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মো. আসাদুজ্জামান বলেন, সবাই আসামি খুঁজতে গেছে। এ বিষয়ে কোর্ট পরিদর্শকের সাক্ষাতকার নেন।


কোর্ট পরিদর্শক রওশন ইয়াজদানির কক্ষে একাধিকবার খুঁজেও তাকে পাওয়া যায়নি। তার সরকারি নম্বরে একাধিকবার ফোন দিলেও তিনি রিসিভ করেননি। কয়েক ঘণ্টা পর দেখা মেলে কোর্ট পরিদর্শক রওশন ইয়াজদানি, এ সময় তিনি সাংবাদিকদের বলেন, আসামিকে নিয়ে আসার পরে চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের দ্বিতীয় তলার হাজত খানায় রাখা হয়েছিল। পরে হাজত খানায় আরেকজন আসামিকে ঢোকানোর সময় সে পুলিশকে ধাক্কা দিয়ে বের হয়। এরপর বাড়ান্দায় কোনও গ্রীল না থাকার সুযোগে লাফ দিয়ে পালিয়ে যায়। বিষয়টি মৌখিকভাবে সদর থানায় জানানো হয়েছে। তারা তাকে খুঁজছেন। এঘটনায় মামলা দায়ের করা হবে বলেও জানান এই কর্মকর্তা।


এ সম্পর্কিত আরো খবর