ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় শক্তিশালী স্থানীয় সরকারের বিকল্প নেই: ড. আবদুল মঈন খান স্থানীয় সরকার নির্বাচনে শিক্ষাগত যোগ্যতার বাধ্যবাধকতা নেই: মীর শাহে আলম দুপুরের মধ্যেই বিদ্যুৎ পাচ্ছে বাংলাদেশ: কমবে লোডশেডিং এমপিও শিক্ষকদের নির্বাচন ভাগ্য নির্ধারণ করবে ইসি: মীর শাহে আলম সরকারি কেনাকাটায় পুকুরচুরি ঠেকাতে আসছে অভিন্ন একক দরতালিকা সাগর-রুনি হত্যার বিচার চেয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে লিখিত অভিযোগ তারুণ্য না অভিজ্ঞতা: ছাত্রদলের নতুন নেতৃত্ব চয়নে জটিল হিসাব-নিকাশ আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপন চ্যালেঞ্জের রিট খারিজ হাইকোর্টে ইন্দোনেশিয়ায় ২৪০ যাত্রী নিয়ে জাহাজ নিখোঁজ ঠাকুরগাঁও সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত, আটক ২

নলিয়ান নদীর ইজারা বাতিল ও অবাধ ব্যবহারের দাবিতে রাজপথে দাকোপবাসী


  • আপলোড সময় : শনিবার ০৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সময় : ৪:১২ পিএম

খুলনা প্রতিনিধি 

খুলনার দাকোপে মিষ্টি পানির প্রধান আধার নলিয়ান নদীর ইজারা বাতিল এবং স্থানীয় কৃষক ও জেলেদের জীবিকার পথ উন্মুক্ত করার দাবিতে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার সকাল ১১টায় উপজেলার নলিয়ান নদীর বাঁধ এলাকায় সুতারখালী ও কামারখোলা ইউনিয়নের সর্বস্তরের জনসাধারণের উদ্যোগে এই সামাজিক কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।


স্থানীয় কৃষক মুজিবর গাজীর সভাপতিত্বে এবং আরস আলী সরদারের পরিচালনায় আয়োজিত এ মানববন্ধনে সাবেক ইউপি সদস্য আবু মুছা গাজী, আব্দুর রউফ গাজী, হাসেম ফকির, রেজাউল মোল্ল্যা, ইসমাইল সরদার, সালেহা বেগম, আঞ্জুয়ারা বেগম, সাবিনা বেগম, রিয়াজুর ইসলাম, গফুর সরদার ও রেজাউল সরদারসহ আরও অনেকে বক্তব্য রাখেন।


সমাবেশে বক্তারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, নলিয়ান নদীটি কালাবগী মৎস্যজীবী সমবায় সমিতির নামে ৬ বছরের জন্য ইজারা দেওয়া হয়েছে। ইতিপূর্বে সাধারণ মানুষের তীব্র প্রতিবাদের মুখে নদীটি কিছুদিন ইজারামুক্ত থাকলেও সম্প্রতি তা পুনরায় ইজারাদার পক্ষ দখলে নিয়েছে। এই নদীটি দাকোপ অঞ্চলের কৃষি ও মৎস্যজীবীদের জীবনের মূল ভিত্তি। এর মিষ্টি পানি ব্যবহার করে সুতারখালী ও কামারখোলা এলাকার হাজার হাজার কৃষক ধান ও তরমুজ চাষ করে জীবিকা নির্বাহ করেন। পাশাপাশি নদীপাড়ের অসংখ্য পরিবার প্রতিনিয়ত মাছ ধরে সংসার চালান। কিন্তু নদীটি ইজারা দেওয়ার ফলে কৃষিকাজে পানির স্বাভাবিক ব্যবহার এবং সাধারণ জেলেদের মাছ ধরা বন্ধের মুখে পড়েছে, যা স্থানীয়দের জীবন-জীবিকাকে চরম হুমকির মুখে ঠেলে দিয়েছে।


অভিযোগের বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানতে কালাবগী মৎস্যজীবী সমবায় সমিতির সভাপতি সবুর সানার মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁর সংযোগটি বন্ধ পাওয়া যায়।


অন্যদিকে দাকোপ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বোরহান উদ্দিন মিঠু জানান, যথাযথ নিয়মানুগ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে যেসব নদী ও খাল ইজারা প্রদান করা হয়েছে, আইনি কাঠামোর বাইরে গিয়ে হঠাৎ তা বাতিল করা সম্ভব নয়। তবে জনস্বার্থ ও স্থানীয় কৃষি ব্যবস্থার সুরক্ষার কথা বিবেচনা করে আগামীতে এই ধরনের গুরুত্বপূর্ণ নদী ও খাল ইজারা না দেওয়ার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হবে।



এ সম্পর্কিত আরো খবর