ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় শক্তিশালী স্থানীয় সরকারের বিকল্প নেই: ড. আবদুল মঈন খান স্থানীয় সরকার নির্বাচনে শিক্ষাগত যোগ্যতার বাধ্যবাধকতা নেই: মীর শাহে আলম দুপুরের মধ্যেই বিদ্যুৎ পাচ্ছে বাংলাদেশ: কমবে লোডশেডিং এমপিও শিক্ষকদের নির্বাচন ভাগ্য নির্ধারণ করবে ইসি: মীর শাহে আলম সরকারি কেনাকাটায় পুকুরচুরি ঠেকাতে আসছে অভিন্ন একক দরতালিকা সাগর-রুনি হত্যার বিচার চেয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে লিখিত অভিযোগ তারুণ্য না অভিজ্ঞতা: ছাত্রদলের নতুন নেতৃত্ব চয়নে জটিল হিসাব-নিকাশ আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপন চ্যালেঞ্জের রিট খারিজ হাইকোর্টে ইন্দোনেশিয়ায় ২৪০ যাত্রী নিয়ে জাহাজ নিখোঁজ ঠাকুরগাঁও সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত, আটক ২

স্কোয়াডে ৭ পরিবর্তনের কারণ পিসিবিই ভালো বলতে পারবে: বাবর আজম


  • আপলোড সময় : বুধবার ০৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সময় : ১০:২৬ এএম

ক্রীড়া ডেস্ক

ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে এজবাস্টনে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ টেস্টে মাঠে নামার আগে নতুন বিতর্কে জড়িয়েছে পাকিস্তান ক্রিকেট দল। এই গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে অবিশ্বাস্যভাবে পাকিস্তানের স্কোয়াডে ৭টি পরিবর্তন আনে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)। একই সঙ্গে দায়িত্ব থেকে ছাঁটাই করা হয় দলের দুই কোচকে। তবে সবচেয়ে বিস্ময়কর বিষয় হলো, দলনেতা হওয়া সত্ত্বেও এই বিশাল রদবদলের সিদ্ধান্তটি পূর্বাহ্নে জানতে পারেননি বাবর আজম। গণমাধ্যমের সূত্র ধরেই তিনি প্রথম এই খবর পান। ফলে পিসিবির এমন আচমকা ও নজিরবিহীন সিদ্ধান্তের জবাব কেবল পিসিবিই দিতে পারবে বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।

 

তৃতীয় টেস্টকে সামনে রেখে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে কথা বলার সময় কয়েক দফায় বেশ উত্তপ্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। তবে স্কোয়াডে ব্যাপক পরিবর্তন প্রসঙ্গে মন্তব্য করার সময় নিজেকে অনেকটাই গুটিয়ে রাখেন পাকিস্তান অধিনায়ক। বাবর জানান, পিসিবির এমন সিদ্ধান্ত তাঁর কাছেও সম্পূর্ণ নতুন এক খবর হিসেবে এসেছে। তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেন, পিসিবি যেহেতু এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তাই এর যৌক্তিকতা বা কারণ তারাই সবচেয়ে ভালো ব্যাখ্যা করতে পারবে। বোর্ডের নিশ্চয়ই কোনো চিন্তাভাবনা ছিল, তবে কী উদ্দেশ্যে তারা এই পদক্ষেপ নিয়েছে তা বোর্ডকেই জিজ্ঞেস করা উচিত। তবে পিসিবির শৃঙ্খলা ও আচরণ সংক্রান্ত সাম্প্রতিক তদন্ত বা দুই খেলোয়াড়ের মোবাইল ফোন পর্যালোচনার বিষয়ে নতুন কোনো তথ্য তাঁর কাছে নেই বলেও জানান তিনি।

 

দল থেকে বাদ পড়া ও নতুন অন্তর্ভুক্ত হওয়া প্রসঙ্গে বাবর বলেন, একঝাঁক নতুন খেলোয়াড় দলে আসাটা তরুণদের জন্য একটি সোনালি সুযোগ। যেকোনো তরুণ যখন জাতীয় দলে সুযোগ পায়, তখন তার মধ্যে আলাদা এক রোমাঞ্চ থাকে। অনুশীলনে সেই উচ্ছ্বাস দেখা গেছে এবং ম্যাচেও তা ফুটে উঠবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। ইতোমধ্যে প্রথম দুই ম্যাচ হেরে সিরিজ হাতছাড়া হওয়ায় এখন আর নতুন করে হারানোর কিছু নেই বলে উল্লেখ করেন বাবর। এখন চাপমুক্ত থেকে মুক্তমনে খেলা এবং দল হিসেবে নিজেদের ওপর বিশ্বাস রাখাটাই প্রধান লক্ষ্য।

 

সিরিজের আগের ম্যাচগুলোতে সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও একাদশ নির্বাচন নিয়ে পিসিবির হাই-পারফরম্যান্স পরিচালক আকিব জাভেদ তীব্র সমালোচনা করলেও বাবর তাঁর আগের অবস্থানেই অনড় রয়েছেন। লর্ডসে ১৯৪ রানের বড় ব্যবধানে হারের পর বাবর জানান, তিন বিভাগেই দল প্রত্যাশা অনুযায়ী খেলতে পারেনি। ফলে বাইর থেকে সমালোচনা আসাটা স্বাভাবিক। কিন্তু পিচ ও কন্ডিশন বিবেচনায় নিয়ে তৎকালীন পরিস্থিতিতে যে একাদশটিকে সেরা মনে হয়েছিল, সেটি দিয়েই তারা মাঠে নেমেছিলেন।

 

ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সের ক্ষেত্রেও সফরটা মোটেও ভালো কাটছে না এই ডানহাতি ব্যাটারের। চোটের কারণে সিরিজের প্রথম টেস্টে খেলতে পারেননি তিনি। লর্ডসে দ্বিতীয় টেস্টে দলে ফিরলেও দুই ইনিংসে মাত্র ৮ ও ৬ রান করে চরম ব্যর্থ হন। নিজের এই অফফর্ম ও দলের পারফরম্যান্সের ব্যর্থতার দায় মেনে নিয়ে বাবর বলেন, দলের একজন সিনিয়র খেলোয়াড় হিসেবে তাঁর ওপর দায়িত্ব অনেক বেশি। কঠিন পরিস্থিতিতে পারফর্ম করে কন্ডিশনের ওপর আধিপত্য বিস্তার করাই আসল খেলোয়াড়ের কাজ। অতীতের ব্যর্থতা পেছনে ফেলে এখন সামনের দিকে মনোযোগ দেওয়াই পাকিস্তানের মূল লক্ষ্য।


এ সম্পর্কিত আরো খবর