ভারতের পুনের এক ৪৬ বছর বয়সী ব্যবসায়ী স্ত্রীকে অন্ধ অন্ধকারে রেখে প্রেমিকাকে নিয়ে বিদেশ ভ্রমণের পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে শেষ পর্যন্ত পাসপোর্টের জটিলতা এবং পুলিশের হস্তক্ষেপে তার সেই গোপন পরিকল্পনা মুহূর্তেই ধূলিসাৎ হয়ে যায়।
ব্যবসায়িক সুবাদে ওই ব্যক্তি নিয়মিত বিদেশ যাতায়াত করায় প্রথমে তার কথায় কোনো সন্দেহ প্রকাশ করেননি স্ত্রী। পরিকল্পনা ছিল মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে ছুটি কাটানোর। সেই অনুযায়ী প্রেমিকাকে সঙ্গে নিয়ে মুম্বাই বিমানবন্দরেও পৌঁছে যান তিনি। কিন্তু বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর বাধে বিপত্তি। প্রেমিকার পাসপোর্টে জটিলতা থাকায় তাকে বিদেশযাত্রার অনুমতি দেয়নি বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ।
বাধ্য হয়ে প্রেমিকাকে নিয়ে বিমানবন্দর থেকে ফিরে আসেন ওই ব্যবসায়ী এবং মুম্বাইতেই কাটানোর সিদ্ধান্ত নেন। এদিকে স্ত্রীকে সামাল দিতে তিনি প্রথমে জানান যে অভিবাসনসংক্রান্ত সমস্যার কারণে তার মোবাইল ফোন জমা রাখতে হচ্ছে। এরপর ফোন বন্ধ করে দেন। স্বামীর সঙ্গে কোনোভাবেই যোগাযোগ করতে না পেরে চরম উৎকণ্ঠায় পড়েন স্ত্রী। একপর্যায়ে তিনি থানায় গিয়ে স্বামীকে অপহরণ করা হয়েছে মর্মে অভিযোগ দায়ের করেন।
পুলিশ বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু করলে পুরো ঘটনা ফাঁস হয়ে যায়। শেষ পর্যন্ত পুলিশের জেরার মুখে ওই ব্যবসায়ী স্বীকার করেন যে কোনো অপহরণের ঘটনা ঘটেনি, বরং স্ত্রীকে না জানিয়ে প্রেমিকার সঙ্গেই বিদেশ ভ্রমণের পরিকল্পনা করেছিলেন তিনি। পুলিশের তরফ থেকে আইনগত কোনো পদক্ষেপ নেওয়ার সুযোগ না থাকলেও, স্বামীর এমন গোপন প্রেম ও মিথ্যাচারের সত্যতা জানার পর তার সংসার জীবনে চরম ভাঙন ও অস্বস্তিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।