ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬,  ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ডাব মার্কার কাগজ নিয়ে কেন্দ্রে জামায়াত এজেন্টরা: ফয়সল আমীন মানবতাবিরোধী অপরাধে হানিফের মৃত্যুদণ্ড, অন্য তিন নেতার আমৃত্যু কারাদণ্ড পকেটে থাকা আইফোনের সূত্র ধরেই মিলল সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার পরিচয় জাপানে টয়োটার মোতোমাচি কারখানা পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী তুরাগ নদ থেকে বিমান বাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা তাহসিফের মরদেহ উদ্ধার মিরপুর-১০ গোলচত্বরে পোশাক শ্রমিকদের বিক্ষোভ মির্জাপুরে ট্রেনের বগি লাইনচ্যুত, বিভিন্ন স্টেশনে আটকা একাধিক ট্রেন বঙ্গোপসাগরে জাপানের ‘বিগ-বি’ ও বাংলাদেশের ভূরাজনৈতিক সমীকরণ ঘূর্ণিঝড় অর্ণবের তাণ্ডবে লণ্ডভণ্ড অন্ধ্র প্রদেশ, নিহত ৫ কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআর পরিচালককে মারধর, কাঠগড়ায় ড্যাব

ধর্ম-বর্ণের বিভেদ ভুলে আধুনিক ও সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়ার ডাক মাহদী আমিনের


  • আপলোড সময় : শনিবার ১০ অক্টোবর, ২০২৬ সময় : ১২:৪১ পিএম

‘‘আমরা এমন একটি বাংলাদেশ বিনির্মাণ করতে চাই, যেখানে সংখ্যালঘু বা সংখ্যাগুরুর কোনো বিভাজন থাকবে না, সবার একমাত্র পরিচয় হবে আমরা বাংলাদেশি’’—বলেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও তাঁর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন। তিনি জোর দিয়ে বলেন, রাষ্ট্র, সমাজ এবং সরকারের কাছ থেকে প্রতিটি নাগরিক সমান অধিকার, সুদৃঢ় নিরাপত্তা, পূর্ণ স্বাধীনতা এবং সমান মর্যাদা পাবেন।

 

আজ শনিবার (১০ অক্টোবর ২০২৬) সকালে রাজধানীর বনানী মাঠে গুলশান-বনানী সর্বজনীন পূজা ফাউন্ডেশন আয়োজিত ‘মহালয়া ১৪৩৩’-এর ঐতিহ্যবাহী উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাহদী আমিন এসব কথা বলেন।

 

সকাল আনুমানিক ৬টার দিকে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও তাঁর কার্যালয়ের মুখপাত্র ড. মাহদী আমিন বনানী মাঠে পৌঁছালে তাঁকে ফুল দিয়ে উষ্ণ শুভেচ্ছা জানান এবং উত্তরীয় পরিয়ে দেন গুলশান-বনানী সর্বজনীন পূজা ফাউন্ডেশনের জ্যেষ্ঠ নেতৃবৃন্দ। পরে প্রদীপ প্রজ্বলন ও এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে উদযাপিত হয় মহালয়ার সূচনা। শুভ মহালয়া উদযাপনের মধ্য দিয়ে হিন্দু সম্প্রদায়ের বৃহত্তম ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজার ক্ষণগণনা ও আনুষ্ঠানিক শুভ সূচনা হলো।

 

অনুষ্ঠানে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়ে মাহদী আমিন বলেন, “মহালয়া মানেই নতুন আশার আলো, অশুভের বিরুদ্ধে শুভ শক্তির পরম বিজয়। অন্ধকারকে পেছনে ফেলে আলোর জয় নিশ্চিত করাই এই উৎসবের মূল বার্তা।” তিনি সুন্দর ও শৃঙ্খলাবদ্ধ আয়োজনের জন্য আয়োজক কমিটিকে বিশেষ ধন্যবাদ জানান।

 

প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনী এলাকার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, “আজ আমরা এমন একটি এলাকায় সমবেত হয়েছি, যা সংসদীয় আসন হিসেবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নিজস্ব এলাকা। আমরা বিশ্বাস করি, সবাই মিলে সেই বাংলাদেশ গড়ে তুলব যেখানে ধর্ম, বর্ণ, আদর্শ, বিশ্বাস ও মূল্যবোধের ভিন্নতা ছাপিয়ে আমাদের একটাই পরিচয় হবে—আমরা সবাই বাংলাদেশি।”

 

তিনি আরও জানান, জনগণের দীর্ঘদিনের দাবির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় এবার প্রতিটি পূজামণ্ডপে সরকারি আর্থিক বরাদ্দ উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি করা হয়েছে। একই সঙ্গে শারদীয় দুর্গোৎসবের সরকারি ছুটিও বৃদ্ধি করা হয়েছে, যাতে উৎসবের আনন্দ প্রতিটি মানুষের অন্তরে ছড়িয়ে পড়ে।

 

মাহদী আমিন বলেন, “আমাদের মূল শক্তি এ দেশের জনগণ। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে নির্বাচিত সরকার বিশ্বাস করে, দেশের মানুষের স্বার্থ, জাতীয় সার্বভৌমত্ব এবং সার্বিক জনকল্যাণই সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার। আর সে কারণেই আমরা বলি ‘সবার আগে বাংলাদেশ’। দেশকে অগ্রাধিকার দিয়ে সামনে এগিয়ে নিতে হলে আমাদের সবাইকে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে এই রাষ্ট্র পুনর্গঠনে ভূমিকা রাখতে হবে।”

 

উক্ত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী বিজন কান্তি সরকার, ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনের ডেপুটি হাইকমিশনার পবন কুমার বাধে, হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ভাইস চেয়ারম্যান তপন কান্তি মজুমদার, গুলশান-বনানী সর্বজনীন পূজা ফাউন্ডেশনের সভাপতি অলোক সাহা এবং সাধারণ সম্পাদক বিনয় গোপাল রায়সহ বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।


এ সম্পর্কিত আরো খবর