ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬,  ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ডাব মার্কার কাগজ নিয়ে কেন্দ্রে জামায়াত এজেন্টরা: ফয়সল আমীন মানবতাবিরোধী অপরাধে হানিফের মৃত্যুদণ্ড, অন্য তিন নেতার আমৃত্যু কারাদণ্ড পকেটে থাকা আইফোনের সূত্র ধরেই মিলল সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার পরিচয় জাপানে টয়োটার মোতোমাচি কারখানা পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী তুরাগ নদ থেকে বিমান বাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা তাহসিফের মরদেহ উদ্ধার মিরপুর-১০ গোলচত্বরে পোশাক শ্রমিকদের বিক্ষোভ মির্জাপুরে ট্রেনের বগি লাইনচ্যুত, বিভিন্ন স্টেশনে আটকা একাধিক ট্রেন বঙ্গোপসাগরে জাপানের ‘বিগ-বি’ ও বাংলাদেশের ভূরাজনৈতিক সমীকরণ ঘূর্ণিঝড় অর্ণবের তাণ্ডবে লণ্ডভণ্ড অন্ধ্র প্রদেশ, নিহত ৫ কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআর পরিচালককে মারধর, কাঠগড়ায় ড্যাব

মহান মুক্তিযুদ্ধে সব ধর্মের অবদান ছিল, বৈষম্যের সুযোগ নেই: প্রধানমন্ত্রী


প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

  • আপলোড সময় : সোমবার ১২ অক্টোবর, ২০২৬ সময় : ৩:৫৮ পিএম

ধর্মীয় পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে দেশের প্রতিটি মানুষের মৌলিক অধিকার ও নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে বর্তমান সরকার সর্বোচ্চ নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি স্পষ্ট ভাষায় উল্লেখ করেন, একজন স্বাধীন দেশের নাগরিক হিসেবে যার যে অধিকার প্রাপ্য, সরকারপ্রধান হিসেবে তা নিশ্চিত করা তার নৈতিক দায়িত্ব ও মূল কর্তব্য।


সোমবার (১২ অক্টোবর) সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ঢাকা-১৭ আসন এলাকার হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে আয়োজিত এক ভাবগম্ভীর মতবিনিময় সভায় প্রধানমন্ত্রী এসব মন্তব্য করেন। শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে ঢাকা-১৭ আসনের আটটি ভিন্ন মন্দিরের পূজা কমিটির প্রতিনিধিরা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তাঁকে পূজামণ্ডপ পরিদর্শনের আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানান।


বৈঠকে বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর হিন্দু সম্প্রদায়ের সার্বিক উন্নয়নে নেওয়া নানামুখী পদক্ষেপের প্রশংসা করেন সনাতন ধর্মাবলম্বী নেতারা। বিশেষ করে দুর্গাপূজার ছুটি বৃদ্ধি ও আর্থিক অনুদান বাড়ানোয় প্রধানমন্ত্রীকে বিশেষ ধন্যবাদ জানান তারা। জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সদিচ্ছা থেকেই খুব অল্প সময়ের মধ্যে যতটুকু করা সম্ভব তা করা হয়েছে এবং বাকি চাহিদার বিষয়েও চেষ্টা অব্যাহত রাখা হয়েছে। বাংলাদেশের ইতিহাস তুলে ধরে তিনি মনে করিয়ে দেন, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে ১৯৯০ সালের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন কিংবা ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার বিপ্লবে সব ধর্মের মানুষ কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়াই করেছে। তাই জাতির সংকটকালে যে স্থানে কোনো ধর্মীয় ভেদাভেদ ছিল না, প্রশাসনিক কর্মকাণ্ড ও নাগরিক সুযোগ-সুবিধাতেও তার প্রতিফলন থাকা আবশ্যক।


বিগত আওয়ামী শাসনআমলে রাজনৈতিক নির্যাতনের কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, তৎকালীন স্বৈরাচারী শাসনামলে যেমন মুসলিম নেতাকর্মীরা নিপীড়নের শিকার হয়েছেন, তেমনই হিন্দু সম্প্রদায়ের কর্মীরাও সমানভাবে নির্যাতিত হয়েছেন। ফলে রাজনৈতিক নিপীড়নে ধর্মের কোনো বৈষম্য ছিল না। নিজের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রী জানান, স্রষ্টা তাকে যে সুযোগ দিয়েছেন, সেটির সর্বোচ্চ ব্যবহার করে তিনি কোনো বিশেষ ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে নয়, বরং একজন মানুষ হিসেবে সবার নিরাপত্তা বিধানের সর্বোচ্চ চেষ্টা করবেন। সভায় উপস্থিত হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতারাও স্বীকার করেন যে, বর্তমান মেয়াদে জাতীয় নির্বাচনের পর থেকে তারা অত্যন্ত শান্তিতে বসবাস করছেন এবং সরকারের প্রতি তাদের পূর্ণ সমর্থন অব্যাহত থাকবে।


এ সম্পর্কিত আরো খবর