ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬,  ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
২০ অক্টোবর জেএম সেন হল পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী হরমুজে ইউএই-এর জাহাজডুবি: সমুদ্রে ভাসছে আইফোন ও দামি সুগন্ধি ২০২৭ সালের মধ্যে সমন্বিত সড়ক নিরাপত্তা আইনের পরিকল্পনা: মন্ত্রী পূজার আলপনা না বিপজ্জনক ফাঁদ? ফ্লাইওভারে বাইক চলাচল বন্ধ জয়দেবপুরে আসামি ছিনাতে পুলিশ ফাঁড়িতে সশস্ত্র হামলা, আহত ২ দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় ঢাকা বিভাগে ৫১ হাজার ৪৪২ আনসার-ভিডিপি সদস্য মোতায়েন আধুনিক বাংলা সুরের রূপকার হাবিব ওয়াহিদের জন্মদিন আজ নাইজেরিয়ান ফুটবলারকে মারধর ক্ষুধা-দারিদ্র্যে দক্ষিণ এশিয়ায় সবচেয়ে খারাপ অবস্থানে পাকিস্তান ইমরান খানের সমর্থকদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ, সেনা মোতায়েন

২০২৭ সালের মধ্যে সমন্বিত সড়ক নিরাপত্তা আইনের পরিকল্পনা: মন্ত্রী


  • আপলোড সময় : বৃহস্পতিবার ১৫ অক্টোবর, ২০২৬ সময় : ৮:২৯ পিএম

সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যুর উচ্চ হার অর্ধেকে নামিয়ে আনতে ২০২৭ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে একটি সমন্বিত ও যুগোপযোগী সড়ক নিরাপত্তা আইন প্রণয়ন করতে যাচ্ছে সরকার। সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম এই গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানিয়েছেন।


বৃহস্পতিবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জের পঞ্চবটি থেকে মুন্সীগঞ্জের মুক্তারপুর সেতু পর্যন্ত সড়ক প্রশস্তকরণ ও এলিভেটেড বা দোতলা সড়ক নির্মাণ প্রকল্প সরেজমিনে পরিদর্শন শেষে মুন্সীগঞ্জ সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে এক বিশেষ মতবিনিময় সভায় তিনি এই পরিকল্পনার কথা জানান।


মন্ত্রী বলেন, দেশের সড়কে নিরাপত্তা শুধু অবকাঠামোগত উন্নয়নের ওপর পুরোপুরি নির্ভর করে না। যান চলাচলে শৃঙ্খলা রক্ষা, ফিটনেসবিহীন অবৈধ যানবাহন চলাচল বন্ধ, উপযুক্ত ও দক্ষ চালক তৈরি এবং জনগণের সামগ্রিক সচেতনতাসহ সবকিছুই এর সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। বর্তমান পরিস্থিতিতে সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যুর ক্রমবর্ধমান হার অত্যন্ত উদ্বেগজনক উল্লেখ করে তিনি জানান, এই শোচনীয় অবস্থার উন্নয়নে সরকার অত্যন্ত আন্তরিকভাবে ও সমন্বিত উপায়ে কাজ করে যাচ্ছে।


শেখ রবিউল আলম আরও জানান, ২০৩০ সালের মধ্যে দেশজুড়ে সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যুর হার বর্তমানের তুলনায় অর্ধেকে নামিয়ে আনার সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার। এই লক্ষ্য অর্জনে আধুনিক সড়ক যোগাযোগের উন্নয়ন ও যাত্রী নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষে এরই মধ্যে একটি সমন্বিত কৌশলও প্রণয়ন করা হয়েছে। সরকারের এসব বহুমুখী উদ্যোগের সুফল সাধারণ মানুষ খুব দ্রুতই দেখতে পাবে বলে তিনি দৃঢ় আশা প্রকাশ করেন।


সড়কে নিরাপদ ও আরামদায়ক যাতায়াত নিশ্চিত করার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয়, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন সংস্থা একসঙ্গে কাজ করছে বলে জানান মন্ত্রী। তিনি উল্লেখ করেন, আধুনিক এআই ক্যামেরার মাধ্যমে সার্বক্ষণিক নজরদারিসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম ইতিমধ্যে চলমান রয়েছে। তবে কেবল আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নজরদারি বাড়িয়েই সড়ক নিরাপত্তা পুরোপুরি নিশ্চিত করা সম্ভব নয়; এজন্য পরিবহন মালিক, চালক এবং সাধারণ জনগণসহ সমাজের সবাইকে নিজ নিজ স্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।


মহাসড়কে তিন চাকার ধীরগতির যানবাহন চলাচলের নৈরাজ্য প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কিছু অংশ ছয় লেনের এবং কিছু অংশ চার লেনের হলেও সেখানে যথাযথ প্রবেশ নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা এখনো গড়ে ওঠেনি। যার ফলে বিভিন্ন স্থান থেকে তিন চাকার ধীরগতির ঝুঁকিপূর্ণ যানবাহন সহজেই মূল মহাসড়কে উঠে পড়ছে। এই জটিল সমস্যা সমাধানে স্থানীয় পর্যায়ে কড়া নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা জোরদার করার পাশাপাশি হাইওয়ে পুলিশের সার্বক্ষণিক নজরদারি বাড়ানোর ওপর তিনি বিশেষ জোর দেন। একই সঙ্গে মহাসড়কের সঙ্গে যুক্ত আঞ্চলিক ও শাখা সড়কগুলোর সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনায় সংশ্লিষ্ট সকল সংস্থাকে পারস্পরিক সমন্বয়ের মাধ্যমে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান মন্ত্রী।


এ সম্পর্কিত আরো খবর