ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬,  ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
পুলিশ বাহিনীকে দক্ষ ও আধুনিক করতে নানা পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এলপিজি সিলিন্ডারের দাম আরও ৩০০ টাকা বাড়াতে চান ব্যবসায়ীরা জালিয়াতি করে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় চাকরি, তিন উপসচিবকে ওএসডি ৭ নভেম্বরের কর্মসূচি ঘিরে শেরেবাংলা নগরের জাতীয় যুব মেলা স্থগিত কাতারের নতুন শান্তি প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করল ইরান সব ওয়াসা থেকে বোর্ড তুলে নিচ্ছে সরকার: প্রতিমন্ত্রী কেন্দ্র থেকে নিবিড় মনিটরিং করা হচ্ছে ঠাকুরগাঁওয়ের ভোটগ্রহণ: সিইসি ডাব মার্কার কাগজ নিয়ে কেন্দ্রে জামায়াত এজেন্টরা: ফয়সল আমীন মানবতাবিরোধী অপরাধে হানিফের মৃত্যুদণ্ড, অন্য তিন নেতার আমৃত্যু কারাদণ্ড পকেটে থাকা আইফোনের সূত্র ধরেই মিলল সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার পরিচয়

মুক্তিযুদ্ধ ও চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান বিতর্কিত না করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর


  • আপলোড সময় : মঙ্গলবার ২০ অক্টোবর, ২০২৬ সময় : ৫:০৬ পিএম

রংপুরে শারদীয় দুর্গাপূজার মণ্ডপ পরিদর্শনে গিয়ে চব্বিশের ঐতিহাসিক ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানকে কোনোভাবেই বিতর্কিত না করার জন্য দেশের সর্বস্তরের জনগণের প্রতি আকুল আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, “আমরা দেখেছি ইতিপূর্বে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধকে কেউ কেউ বিতর্কিত করার অপচেষ্টা করেছে, কিন্তু বাংলাদেশের আমজনতা তা কখনো ভালো চোখে দেখেনি।

ঠিক একইভাবে চব্বিশের ছাত্র-জনতার যে অভূতপূর্ব গণঅভ্যুত্থান, সেটিকেও কোনো কোনো মহল অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে বিতর্কিত করার চেষ্টা চালাচ্ছে। আমি দেশের সকল গণতান্ত্রিক জনগণের সামনে স্পষ্ট করে বলতে চাই, দয়া করে কেউ এই গণঅভ্যুত্থানকে বিতর্কিত করবেন না।” মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) দুপুরে রংপুর নগরীর ঐতিহ্যবাহী ধর্মসভা রাধা গোবিন্দ মন্দিরে পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে গিয়ে আয়োজিত সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।


সংসদীয় গণতন্ত্রের প্রতি গুরুত্বারোপ করে প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে জাতীয় সংসদ গঠিত হয়েছে এবং সাধারণ মানুষ সেখানে তাদের যোগ্য প্রতিনিধি পাঠিয়েছে। ফলে কারও যদি কোনো মতামত বা বক্তব্য থাকে, তবে রাজপথে বা বিভ্রান্তি না ছড়িয়ে জাতীয় সংসদে গিয়ে তা পেশ করা উচিত।


প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে অসাম্প্রদায়িক চেতনার চিত্র তুলে ধরে বলেন, ১৯৭১ সালে যুদ্ধের ময়দানে যেমন সকল ধর্মের মানুষ দল-মত নির্বিশেষে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দেশ স্বাধীন করেছিল, তেমনি গত দুই-আড়াই বছর আগের গণঅভ্যুত্থানেও প্রতিটি ধর্ম, বর্ণ ও পেশার মানুষ রাজপথে নেমে স্বৈরাচার শাসন উৎখাত করেছে। হাজার বছর ধরে যেভাবে সকল ধর্মের মানুষ মিলেমিশে শান্তিতে বসবাস করছে, আগামী হাজার বছরও সেই ঐতিহ্য বজায় রেখে প্রত্যাশিত নতুন বাংলাদেশ গড়ার তাগিদ দেন তিনি।


রাষ্ট্র পরিচালনায় বর্তমান সরকারের নীতি ও সমবণ্টনের অঙ্গীকার ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, এদেশের জনগণের ভালোবাসায় বর্তমান সরকার নির্বাচিত হয়েছে। কিন্তু সরকার শুধু দলীয় সমর্থকদের নয়, বরং যে ভোট দিয়েছে কিংবা যে ভোট দেয়নি—উভয়ের জন্যই সমানভাবে সেবা দিয়ে যেতে চায়। দেশের প্রতিটি অঞ্চলের সুষম উন্নয়ন নিশ্চিত করাই সরকারের প্রধান লক্ষ্য।

একই সাথে অতীতের সংঘাতময় রাজনীতি থেকে বেরিয়ে এসে নতুন ধারার রাজনীতি প্রতিষ্ঠায় জনগণের সক্রিয় সমর্থন প্রত্যাশা করেন তিনি। পরিদর্শনের শেষে মন্দির কমিটির হাতে ১০ লাখ টাকার অনুদানের চেক তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে সরকার গঠনের পর এটিই ছিল প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রথম রংপুর সফর।


এ সম্পর্কিত আরো খবর