ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬,  ৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও ৬ জনের মৃত্যু, ভর্তি ১,৮৯৮ গাজীপুরে পোশাক কারখানার গোডাউনে আগুন নিয়ন্ত্রণে রাষ্ট্রদূতকে ফিরিয়ে আনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত: শামা ওবায়েদ গভীর সংকটে জাতিসংঘ, উত্তরণে যেভাবে ভূমিকা রাখতে পারে বাংলাদেশ সাতক্ষীরায় থামছে না পানিতে ডুবে মৃত্যু: ১০ মাসে ঝরল ২২ প্রাণ শিয়াল মারার বৈদ্যুতিক ফাঁদে গৃহবধূর মৃত্যু: দুই শিশুর অবস্থা আশঙ্কাজনক রূপগঞ্জের নলপাথরে ফুটওভার ব্রিজ নির্মাণ কাজ বন্ধের প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ দেশে ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৮ জনের মৃত্যু মানবিক পুলিশ হতে চাই, তবে অপরাধীদের কোনো ছাড় নয়—আইজিপি রূপপুরের প্রথম ইউনিটের ফিজিক্স টেস্ট সফল, পাওয়ার স্টার্টআপের অপেক্ষা

তিব্বতে ৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প, প্রাণহানি অন্তত ১৬


  • আপলোড সময় : শুক্রবার ২৩ অক্টোবর, ২০২৬ সময় : ৩:৩৫ পিএম

চীন নিয়ন্ত্রিত স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল তিব্বতের এক দুর্গম পার্বত্য এলাকায় আঘাত হানা রিখটার স্কেলে ৭ মাত্রার এক তীব্র ও শক্তিশালী ভূমিকম্পের ঘটনায় অন্তত ১৬ জন নিহত হয়েছেন। দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের প্রকাশিত প্রতিবেদনের বরাতে জানা গেছে, ভয়াবহ এই প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে এখন পর্যন্ত অর্ধশতাধিক মানুষ মারাত্মকভাবে আহত হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে।


আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম বিবিসি জানায়, ভয়াবহ এই ভূমিকম্পের মূল কেন্দ্রস্থল বা উৎপত্তিস্থল ছিল তিব্বতের নাগকু অঞ্চলের বাকেন এলাকা। তবে এর তীব্র কম্পন সুদূর কামদো ও নিংচি শহরেও সমানভাবে অনুভূত হয়েছে, যা পুরো অঞ্চলের অধিবাসীদের মধ্যে তীব্র আতঙ্কের সৃষ্টি করে।


শক্তিশালী এই ভূমিকম্পের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে সার্বিক বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থা পুরোপুরি ব্যাহত ও বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। এ ছাড়া অন্তত ৩০০টিরও বেশি ঘরবাড়ি মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত ও ধসে পড়েছে। ভূমিকম্পের পরপরই আশপাশের পাহাড়ে ব্যাপক ভূমিধসের সৃষ্টি হওয়ায় প্রধান প্রধান সড়ক ও রাস্তাঘাট অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে। ফলে উদ্ধারকারী দলগুলোর জন্য ক্ষতিগ্রস্ত চরম উঁচু ও দুর্গম এলাকাগুলোতে পৌঁছানো অত্যন্ত কঠিন ও চ্যালেঞ্জিং হয়ে দাঁড়িয়েছে।


উল্লেখ্য, চীনের পার্বত্য অঞ্চলগুলোতে প্রায়শই ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও ভূমিকম্পের ঘটনা ঘটে থাকে। এর আগে গত ২০২৩ সালে চীনের পার্বত্য প্রদেশ গানসুতে ৬.২ মাত্রার একটি শক্তিশালী ভূমিকম্পে ১২০ জনেরও বেশি মানুষের করুণ প্রাণহানি ঘটেছিল।


এ ছাড়া মাত্র দুই মাসেরও কম সময় আগে তিব্বত ও নেপাল সীমান্তে ভয়াবহ হিমবাহ ধসের কারণে ঘটা বন্যা ও ভূমিধসে অন্তত ১ হাজার ৪০০ মানুষের মৃত্যু হয় এবং শত শত মানুষ নিখোঁজ হন। তিব্বত চীনের সবচেয়ে কঠোর নিয়ন্ত্রিত অঞ্চলগুলোর অন্যতম হওয়ায় এবং বিদেশি গণমাধ্যমকর্মীদের প্রবেশে কড়া বিধিনিষেধ থাকায় উদ্ধারকাজের সার্বিক পরিস্থিতি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য পেতে কিছুটা বিলম্ব হচ্ছে।


এ সম্পর্কিত আরো খবর