ঠাকুরগাঁও-১ আসনের বহুল আলোচিত উপনির্বাচনকে ঘিরে নির্বাচনী উত্তাপ ও শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি তুঙ্গে পৌঁছেছে। আসনটিতে নিরপেক্ষ, অবাধ ও প্রভাবমুক্ত ভোটের পরিবেশ নিশ্চিত করতে নজিরবিহীন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে জেলা প্রশাসন। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সকাল ৮টায় আনুষ্ঠানিক প্রচার-প্রচারণা শেষ হওয়ার আগেই নির্বাচনী এলাকা থেকে সকল বহিরাগতদের অনতিবিলম্বে অবস্থান ত্যাগের কড়া নির্দেশ জারি করা হয়েছে।
রোববার
(২৫ অক্টোবর) জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
মোহাম্মদ রফিকুল হকের সই করা এক
বিশেষ গণবিজ্ঞপ্তিতে এই নিষেধাজ্ঞা জারি
করা হয়। গণবিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, আগামী ২৭ অক্টোবর সকাল
৮টা থেকে শুরু করে ৩০ অক্টোবর বিকেল
৪টা পর্যন্ত এই নির্দেশনা পূর্ণাঙ্গভাবে
কার্যকর থাকবে। নির্দেশনার মেয়াদকালে যেসব ব্যক্তি ঠাকুরগাঁও-১ (সদর, রুহিয়া
ও ভুল্লী) এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা বা নিবন্ধিত ভোটার
নন, তাদের ওই সীমানার মধ্যে
অবস্থানের ওপর কঠোর আইনি নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।
নির্বাচন
কমিশনের সিদ্ধান্ত ও গত ২৫
অক্টোবরের চিঠির আলোকেই জেলা প্রশাসন এ ব্যবস্থা নিয়েছে।
তবে নির্বাচনী কাজে সরাসরি সম্পৃক্ত ব্যক্তিবর্গ, নির্বাচন কমিশন থেকে পাস বা অনুমতিপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-সাংবাদিক এবং সংশ্লিষ্ট এলাকার ভোটারদের ক্ষেত্রে এই নিয়ম প্রযোজ্য
হবে না। জেলা প্রশাসক স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দিয়ে জানিয়েছেন, সুষ্ঠু ও উৎসবমুখর ভোট
অনুষ্ঠানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মাঠে তৎপর থাকবে এবং নিষেধাজ্ঞা অমান্যকারী বহিরাগতদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
উল্লেখ্য,
আগামী ২৯ অক্টোবর আসনটিতে
বহুল প্রতীক্ষিত ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। মোট ৫ লাখ ১৬
হাজার ১৩৮ জন ভোটারের এই
আসনে চূড়ান্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন পাঁচজন প্রার্থী। তাদের মধ্যে বিএনপির মির্জা ফয়সল আমীন এবং জামায়াতে ইসলামী ও সমমনা জোটের
প্রার্থী দেলোয়ার হোসেনসহ Kadেমুল ইসলাম, আবদুল আলীম নিজামী এবং হোসাইন মুহাম্মদ ওমর ফারুক নির্বাচনী ময়দানে লড়ছেন। ভোটাররা যাতে কোনো ভয়ভীতি ছাড়া নির্বিঘ্নে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, সে লক্ষ্যে সার্বিক
নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।