ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬,  ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জাপানের ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশে বড় বিনিয়োগের উদাত্ত আহ্বান তারেক রহমানের বাউফলে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে শ্রেণিকক্ষে কিন্ডারগার্টেন ও দুর্নীতির অভিযোগ ঠাকুরগাঁও উপনির্বাচন ঘিরে কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা নিশ্চিত করেছে ইসি ইসরায়েলে নির্বাচন: ৬০ শতাংশ ভোট গণনা শেষ, এগিয়ে নেতানিয়াহুর দল খাদ্যে পুষ্টি উপাদান যুক্ত করতে দ্রুত আইন প্রণয়নের তাগিদ প্রতিমন্ত্রীর ক্রসফায়ার মন্তব্যে কোণঠাসা আইজিপি, আলোচনায় ব্যারিস্টার মো. জিল্লুর রহমান রংপুরে দাঁড়িয়ে থাকা ডাম্প ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ৪ নিয়মিত হাত ধোয়ার অভ্যাসই গড়বে সুস্থ প্রজন্ম: মীর শাহে আলম নাটোরে প্রবাসীর শপিং মলে হামলা ও লুটপাট, ৫ কোটি টাকার ক্ষতি জনগণের ভোটাধিকার কেড়ে নিতে চায় না বিএনপি সরকার: প্রতিমন্ত্রী

সিরাজগঞ্জে সাম্মাম বা হা‌নি‌ডিউ মেলন চাষ চাষ


তাড়াশের কৃষক কামরুল ইসলাম বাণিজ্যিক ভা‌বে শুরু ক‌রে‌ছেন সাম্মাম বা হা‌নি‌ডিউ মেলন চাষ। ছবি: আকাশ জমিন

  • আপলোড সময় : সোমবার ১২ মে, ২০২৫ সময় : ৩:৪৭ পিএম

ঝন্টু, সিরাজগঞ্জ প্রতি‌নি‌ধি

সিরাজগঞ্জের তাড়াশের কৃষক কামরুল ইসলাম বাণিজ্যিক ভা‌বে শুরু ক‌রে‌ছেন সাম্মাম বা হা‌নি‌ডিউ মেলন চাষ। বাংলাদেশে অ‌নেক আগে থেকেই বিদেশি বি‌ভিন্ন ফ‌লের চাষ হ‌য়ে আস‌ছে। সাম্মাম বা হা‌নি‌ডিউ মেলন ফল‌টি মুল‌তো মরু অঞ্চলের সুস্বাদু ও মিষ্টি জাতের এক‌টি ফল। এটি দে‌শে অ‌নেক আগেই চাষবাদ শুরু হ‌লেও সিরাজগঞ্জের তাড়াশে এই প্রথম বাণিজ্যিকভাবে সাম্মাম বা হা‌নি‌ডিউ মেলন চাষ শুরু হয়। আর এই কাজ‌টি করেছেন তাড়া‌শের কৃষক কামরুল ইসলাম (৩৬)। সাম্মাম মুল‌তো গ্রীষ্মকালীন ফল ত‌বে কামরুল ইসলাম আগাম চাষ ক‌রে‌ছেন দাম ভালো পাওয়ার আশায়। যে‌হেতু প্রথম ও পরীক্ষামুলক চাষ তাই ১৫ কাটা জমি দি‌য়ে চাষ শুরু করছেন তিনি। ছোট কুমড়ার আকারের সাম্মাম ফল দেখতে বাঙ্গির মতো ও এর স্বাদও বাঙ্গির মতো। দেশে ফলটি সাম্মাম হিসেবে পরিচিতি পেলেও, অনেকে এটাকে হানিডিউ মেলন নামে চেনেন। আগে দেশে এই ফ‌লের এর খুব একটা চাষ না হ‌লেও বর্তমানে অনেক কৃষক বিদেশি এই ফল চাষে আগ্রহী হচ্ছেন।
তাড়াশ উপজেলার সগুনা  ইউনিয়নের সগুনা গ্রামে কামরুল ইসলামের সাম্মামখেতে সরেজমিনে দেখা যায়, সাম্মাম গাছে শোভা পা‌চ্ছে গোলাকৃতির ফল। প্রতিটি গাছেই দুই থেকে তিনটি ফল ধরেছে।
কামরুল ইসলাম তাঁর খেত ঘুরিয়ে দেখান এবং এই ফল চা‌ষে আগ্রহী হওয়ার গল্প শোনান। তি‌নি নিয়‌মিতই সব‌জি চাষ ক‌রেন, বাড়তি আয়ের জন্য এ বছর সবজি চাষের পাশাপাশি সাম্মামও চাষ করেছেন। মরুভূমির ফল চাষের বিষয়ে তি‌নি জানান, ‘সবজির পাশাপাশি নতুন কিছু একটা চাষ করার জন্য খুঁজছিলাম। ইউটিউব ঘেঁটে সাম্মাম সম্পর্কে জানতে পারি। বিষয়টি নিয়ে পরিচিত কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলি। ঢাকার পরিচিত সবজি ও ফল আমদানি–রপ্তানিকারক এক ব্যবসায়ী সাম্মাম চাষে উৎসাহ দেন। ওই ব্যবসায়ী ইন্দোনেশিয়া থেকে জাম্বু জাতের সাম্মাম ফলের বীজও সংগ্রহ করে দেন।"
এই ফল চারা রোপণের দুই থেকে আড়াই মাসের মধ্যেই পাকে। আমার ক্ষে‌তের প্রতিটি গাছে দুই-তিনটি করে ফল ধরেছে। প্রতিটি ফলের ওজন দুই থেকে আড়াই কেজি হয়েছে। তাড়াশ উপজেলা প্রথম চাষি হিসেবে মৌসুম শুরুর আগেই আমি এই ফ‌লের চাষ করেছি। প্রত‌্যাশা আগাম ফল পে‌লে বাজারদর ভালো পাওয়া যাবে।

তাড়াশ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, বেলে বা বেলে দোআঁশ মাটিতে সাম্মাম বা হা‌নি‌ডিউ মেলন চাষ করলে ভালো ফলন হবে। এই ফলের চাষে লোকসানের আশঙ্কা নেই। সাম্মাম বা হা‌নি‌ডিউ মেলন চাষে কেউ আগ্রহী হলে কৃষি অধিদপ্তর থেকে সার্বিক সহযোগিতা করা হবে।


এ সম্পর্কিত আরো খবর