ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‘ট্রফি চোর’ অপবাদ মাথায় নিয়ে শান্ত মেজাজে মাঠ ছাড়লেন নাকভি ২৩ বছরের খরা কাটল না আমেরিকার, ইউএস ওপেনের ট্রফি জভেরেভের হাতে পুরুষদের পর মেয়েরাও বর্জন করল নাকভিকে, দুবাইতে আবারও ট্রফি নাটক রাজধানীর বেসরকারি হাসপাতালে শিশু মৃত্যুর পর তুলকালাম বিশ্বের দূষিত বায়ুর তালিকায় শীর্ষে সিঙ্গাপুর সিটি,ঢাকা ষষ্ঠ আসিফ মাহমুদের আমলের সব নিয়োগ ও পদোন্নতির নথি এখন দুদকে পঞ্চগড়ে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষ: আহত ১৫, ২ ঘণ্টা মহাসড়ক অবরুদ্ধ অল্পের জন্য বাঁচলেন আন্তর্জাতিক নেতারা ৩৬ ঘণ্টা পর নিহত বাংলাদেশি যুবকের মরদেহ ফেরত দিলো বিএসএফ শত কোটি টাকার সম্পদ, রিট ফাইল চেপে রাখা ও প্রশাসনের নীরবতার অভিযোগ

মামলার ভয় দেখিয়ে টাকা নেয়ার অভিযোগ পুলিশ অফিসারের বিরুদ্ধে


  • আপলোড সময় : সোমবার ১২ মে, ২০২৫ সময় : ৫:০৮ পিএম

ভৈরব প্রতিনিধি:

কিশোরগঞ্জের ভৈরবে মামলার ভয় দেখিয়ে লাখ টাকা দাবি করে ভুক্তভোগীর কাছ থেকে ১৫ হাজার টাকা নেয়ার অভিযোগ উঠেছে পুলিশের উপ-পরিদর্শকের বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত পুলিশ অফিসার এসআই আল মামুন ও এস আই শ্যামল দেবনাথ ভৈরব থানায় কর্মরত।

শুক্রবার দুপুরে শহরের কমলপুরস্থ বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএমইউজে ) ভৈরব শাখা কার্যালয়ে ভুক্তভোগী মোহাম্মদ আলী ও তার স্ত্রী স্মৃতি বেগম সংবাদ সম্মেলন করে এমন অভিযোগ করেন।

ভুক্তভোগী মোহাম্মদ আলী অভিযোগ করে বলেন, তার আপন ভাই আকবর মিয়া মাদক কারবারের সাথে জড়িত। রোজার শুরুতো তার বড় ভাইয়ের সাথে পারিবারিক বিষয়ে ঝগড়াঝাটি হয়। এর কিছুদিন পর গত ৮ মার্চ,  আকবরের বাড়ি থেকে ভৈরব থানার এসআই আল-মামুন ও এসআই শ্যামল দেবনাথ পরিত্যক্ত অবস্থায় ২০কেজি গাজাঁ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায় । পরিত্যক্ত গাঁজা উদ্ধারের ঘটনায় পুলিশ আকবর ও রুবির নামে  মামলা না দিয়ে আমাদের নামে মামলা করার ভয় দেখিয়ে ১লাখ টাকা দাবি করে নানাভাবে হয়রানি করে আসছে। আমি অটোরিকসা চালিয়ে এবং আমার স্ত্রী পাল সেলাই করে কোন রকম সংসার চালায়। আমাদের ছোট ছোট ৩টি সন্তান রয়েছে । তাই আমি টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে এসআই  আল-মামুন আমাকে ফোনে একাধিকবার হুমকি দেয়, দাবিকৃত টাকা না দিলে আমাদেরকে মাদক মামলার আসামী করা হবে । ওইদিন রাত আনুমানিক ১টার দিকে এসআই আল-মামুন আমাকে আমার বাড়ি থেকে আটক করে পুনরায় ১লাখ টাকা দাবী করলে আমি ১৫ হাজার টাকা দিলে আমাকে ছেড়ে দেয়। মাদক কারবারি আকবর ও রুবির যোগসাজশে এসআই শ্যামল ও এসআই মামুন আমাদেরকে ওই মাদক মামলার আসামী করেছে । 

ভূক্তভোগী মোহাম্মদ আলীর স্ত্রী স্মৃতি বেগম জানান, পুলিশের হয়রানীর কারনে তারা বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন । এতে করে স্বাভাবিক কাজকর্ম করতে না পারায় পরিবার নিয়ে মানবেতর জীবন-যাপন করছেন । তাই উক্ত মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার ও ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার জন্য পুলিশের উর্ধতন কর্মকর্তাদের কাছে দাবী জানান।

এবিষয়ে অভিযুক্ত ভৈরব থানার এসআই আল মামুন বলেন, তার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা। টাকা নেয়ার মতো কোন কিছু ঘটেনি। এসআই শ্যামল ঘটনাস্থল থেকে ১০কেজি গাঁজা উদ্ধার করে মামলা দায়ের করে। পরে ওসি স্যার আমাকে দায়িত্ব দেন। আমি তদন্ত করতে গিয়ে তাকে পায়নি। তার বাসা তালাবদ্ধ ছিলো। সে তো বাড়িতেই ছিলোনা, পলাতক ছিলো সে কিভাবে আমাকে টাকা দিলো একটু জাস্টিফাই করে দেখেন। ঘটনা সত্যি হলে আমি সব মাথা পেতে নিবো।


এ সম্পর্কিত আরো খবর