ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
অঙ্গ পাচার চক্রের হাত থেকে ফিরল লোহাগাড়ার রায়হান ডিএমপির ৩ সহকারী পুলিশ কমিশনারকে নতুন পদে বদলি মধ্যপ্রাচ্যে উত্তাপ: বিশ্ববাজারে তেলের দাম ছাড়াল ১০৭ ডলার হরমুজে নতুন নৌপথ: ওমানের আঞ্চলিক বৈঠক স্থগিত দেশে ফিরে ইতালিতে হামলার বিরুদ্ধে মুখ খুললেন অভিনেত্রী বাঁধন ব্রিকসে বিশ্বনেতাদের দেওয়া হলো নিরামিষ খাবার: বিজেপি-কংগ্রেস তুমুল বিতর্ক সারাদেশে ঘরে ঘরে জ্বর: ডেঙ্গু ও হামের সঙ্গে বাড়ছে টাইফয়েড ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধ হলেই কি থামবে মধ্যপ্রাচ্যের ইরান যুদ্ধ? ‘ট্রফি চোর’ অপবাদ মাথায় নিয়ে শান্ত মেজাজে মাঠ ছাড়লেন নাকভি ২৩ বছরের খরা কাটল না আমেরিকার, ইউএস ওপেনের ট্রফি জভেরেভের হাতে

দশমিনায় মাঠজুড়ে সূর্যমুখীর হাসি


  • আপলোড সময় : বুধবার ১৪ মে, ২০২৫ সময় : ৭:৫৩ এএম

রবিউল হাসান ডব্লিউ, দশমিনা (পটুয়াখালী)

দূর থেকে তাকালেই মনে হয় প্রকৃতি যেন বিশালাকৃতির হলুদ গালিচা বিছিয়ে রেখেছে। কাছে গেলেই দেখা যায় নীল আকাশের নিচে সূর্যমুখী ফুলের মায়াবী রূপ। পটুয়াখালীর দশমিনায় বিস্তৃত মাঠের পর মাঠজুড়ে পরিপক্ব ফুলের সমারোহ। যে দিকে চোখ যায় সেদিকেই হলুদের ছড়াছড়ি। যেন চোখ জুড়ানো মনোমুগ্ধকর এক অপরূপ পাশে সৌন্দর্য।

কম খরচে অধিক ফলন লাভবান হওয়ায় কৃষকরাও সূর্যমুখী চাষে ঝুঁকছেন। চলতি বছর উপজেলায় লবণাক্ত জমিতে সূর্যমুখীর আবাদ হয়েছে সর্বোচ্চ। পতিত জমিতে সূর্যমুখীর চাষে সফলতা এসেছে। ফলে উৎকৃষ্ট মানের তেলের চাহিদা পূরণ করে বাজারজাত করার অপার সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়েছে।

একাধিক কৃষক জানান, প্রতি বিঘা জমিতে থেকে হাজার টাকা খরচ হয়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে উৎপাদন ভালো হবে। তবে স্থানীয়ভাবে বীচ থেকে তৈল উৎপাদনের সুযোগ থাকলে আরও লাভবান হবেন বলে সূর্যমুখী চাষিরা জানান।

 

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্যমতে, দশমিনা উপজেলার সাতটি ইউনিয়নে ৬৪ হেক্টর জমিতে বিভিন্ন জাতের সূর্যমুখীর চাষ করা হয়েছে।

সূর্যমুখী চাষি সঞ্জয় চন্দ্র ফারুক আলম এবং কাজী আনিসুর রহমান বলেন, একটা সময় আমন ধানের পর আর কোনো ফসল উৎপাদন করতাম না। দুই বছর ধরে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের পরামর্শে সূর্যমুখী চাষ শুরু করেছি।

সূর্যমুখী চাষি সঞ্জয় বলেন, 'আমি বছর ৬০ শতাংশ জমিতে সূর্যমুখীর আবাদ করেছি। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় বাম্পার ফলন হয়েছে। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জাফর আহমেদ জানান, কৃষকরা সূর্যমুখী চাষ করে ভালো ফলন পেয়েছেন। তবে এখানকার খাল খনন করে পানি রাখা গেলে আরও আগ্রহ বাড়বে কৃষকদের মধ্যে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. জাফর আহমেদ জানান, এই বছর উপজেলায় সূর্যমুখীর ফলন অনেক ভালো হয়েছে। আর গতবছরের তুলনায় আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় দ্বিগুণ ফলন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

আকাশজমিন/আরআর 


এ সম্পর্কিত আরো খবর