উত্তরাঞ্চল প্রতিনিধি : / : 145
উত্তরাঞ্চল প্রতিনিধি
বৈষম্যমূলক পানি নীতিমালাসমুহ পরিবর্তন, জলবায়ুর ক্ষতিপূরণ হিসেবে খরা তহবিল আদায়ে পদক্ষেপ গ্রহণ ও জাতীয়ভাবে বরেন্দ্র অঞ্চলের জনগোষ্ঠীর জন্য ‘খরা নীতিমালা’ প্রনয়নের দাবিতে রাজশাহীতে জলবায়ু ধর্মঘট (মানববন্ধন) কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার
বেলা সাড়ে ১১ টা থেকে ঘণ্টাব্যাপী এ কর্মসূচির আয়োজন করে বাংলাদেশ রিসোর্স সেন্টার
ফর ইন্ডিজিনাস নলেজ (বারসিক), বরেন্দ্র ইয়ুথ ফোরামসহ কৃষক ও নাগরিক সমাজ। বিশ্বব্যাপী
জলবায়ু ধর্মঘটের অংশ হিসেবে বরেন্দ্র অঞ্চলের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, কৃষক যুব-তরুণসহ
নানা শ্রেণী পেশার মানুষ এ কমসূচিতে অংশগ্রহণ করেন।
কর্মসূচিতে
বক্তারা বলেন, বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম।
বাংলাদেশের জলবায়ু পরিবর্তনে উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত বরেন্দ্র অঞ্চলটিও দিনে দিনে
খরার কারনে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা হিসেবে চিহ্নিত হচ্ছে। কিন্তু বাংলাদেশর এই খরা
এবং ঝুঁকি মোকাবেলায় জলবায়ুর বৈশ্বিক দরবারে তেমন কোন উদ্যোগ চোখে পড়ার মতো না। অন্যদিকে
জাতীয়ভাবে খরাপ্রবণ বরেন্দ্র অঞ্চলের জন্য সরকারি বেসরকারিভাবে খরা মোকাবেলায় স্থানীয়
মানুষের মতো করে সমন্বিত কোন জাতীয় উদ্যোগ এখনো গ্রহণ করেনি।
বক্তারা
বলেন, দেশের অন্যান্য অঞ্চলের তুলনায় প্রতিবছর খুব দ্রুত বেড়ে যাচ্ছে বরেন্দ্র অঞ্চলের
তাপমাত্রা। ভরা বর্ষা মৌসুমেও বরেন্দ্র অঞ্চলে চলেছে স্মরণকালের অনাবৃষ্টি ও ভয়াবহ
তীব্র তাপদহ। আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য তুলে ধরে বক্তারা বলেন, রাজশাহীতে তাপমাত্রার
বিগত আট বছর অতীতের সকল রেকর্ড ভেঙ্গেছে। বিগত বছরে এপ্রিলে ৪১ দশমিক ২ ডিগ্রী সেলসিয়াস
তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। যা আগের এক দশকের মধ্যে রেকর্ড পরিমাণ।
কর্মসূচিতে
বরেন্দ্র ইয়ুথ ফোরামের সভাপতি শাইখ তাসনীম জামাল, বারসিক রাজশাহী আঞ্চলিক সমন্বয়কারী
শহিদুল ইসলাম, ভীর মুক্তিযোদ্ধা মাহাবুব জামান কাদেরি, উন্নয়ন কর্মী ওয়ালিউর রহমান
বাবু প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।#
আকাশজমিন/আরআর