ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬,  ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জাপানের ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশে বড় বিনিয়োগের উদাত্ত আহ্বান তারেক রহমানের বাউফলে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে শ্রেণিকক্ষে কিন্ডারগার্টেন ও দুর্নীতির অভিযোগ ঠাকুরগাঁও উপনির্বাচন ঘিরে কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা নিশ্চিত করেছে ইসি ইসরায়েলে নির্বাচন: ৬০ শতাংশ ভোট গণনা শেষ, এগিয়ে নেতানিয়াহুর দল খাদ্যে পুষ্টি উপাদান যুক্ত করতে দ্রুত আইন প্রণয়নের তাগিদ প্রতিমন্ত্রীর ক্রসফায়ার মন্তব্যে কোণঠাসা আইজিপি, আলোচনায় ব্যারিস্টার মো. জিল্লুর রহমান রংপুরে দাঁড়িয়ে থাকা ডাম্প ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ৪ নিয়মিত হাত ধোয়ার অভ্যাসই গড়বে সুস্থ প্রজন্ম: মীর শাহে আলম নাটোরে প্রবাসীর শপিং মলে হামলা ও লুটপাট, ৫ কোটি টাকার ক্ষতি জনগণের ভোটাধিকার কেড়ে নিতে চায় না বিএনপি সরকার: প্রতিমন্ত্রী

বাঁশখালীতে স্ত্রী হত্যা মামলার আসামির প্রাণ গেল গণধোলাইয়ে


  • আপলোড সময় : মঙ্গলবার ২৯ এপ্রিল, ২০২৫ সময় : ১০:১০ এএম

বাঁশখালী (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি:

চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে জনতার গণধোলাইয়ে স্ত্রী মিনু আক্তার হত্যা মামলার প্রধান আসামি স্বামী ফরিদুল আলম ওরফে স্কিনটার্চ মলই (৫৫) এর মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (১৬ এপ্রিল) ভোরে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় তার।

নিহত ফরিদুল আলম বাঁশখালী উপজেলার খানখানাবাদ ইউনিয়নের ডোংরা এলাকার কালু ফকির বাড়ির মৃত দুদু মিয়ার ছেলে। ফরিদুল গত বৃহস্পতিবার গভীর রাতে পশ্চিম ইলশার শেওলা বাপের নতুন বাড়িতে স্ত্রী মিনুকে হত্যা করে পালিয়ে যায়।

সুত্রে জানা যায়, ‘মঙ্গলবার (১৫ এপ্রিল) দুপুর ৩ টার দিকে উপজেলার বাহারছাড়া ইউনিয়নের পশ্চিম ইলশা এলাকা থেকে ফরিদুলকে আটক করে স্থানীয়রা। এ সময় বিষপান করতে দেখা যায় স্ত্রী হত্যা মামলার প্রধান আসামি ফরিদকে। পরে স্থানীয়রা গণধোলাই দিয়ে ফরিদুলকে পুলিশে দেয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করে বাঁশখালী থানা পরিদর্শক (তদন্ত) সুধাংশু শেখর হাওলাদার বলেন, ‘ফরিদুলকে গতকাল স্থানীয়রা আটক করে গণধোলাই দেয়। পরে পুলিশ গিয়ে তাকে উদ্ধার করে। এ সময় গণধোলাইয়ে ফরিদুল গুরুতর আহত হন। তাকে উদ্ধার করে প্রথমে বাঁশখালী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পরে চমেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুধবার ভোরে তার মৃত্যু হয়।’

জানা যায়, ‘নিহত ফরিদুল ও মিনুর ঘরে দুই মেয়ে ও এক ছেলে রয়েছে। ১৫ বছর আগে পারিবারিকভাবে ফরিদুল ও মিনুর বিয়ে হয়। ব্যবসার কারণে চট্টগ্রাম শহরে থাকতেন ফরিদুল। মাঝে মধ্যে বাড়িতে আসতেন। পারিবারিক বিভিন্ন ইস্যুতে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে মতবিরোধ চলে আসছিল। বৃহস্পতিবার রাতে চট্টগ্রাম থেকে বাড়িতে আসেন ফরিদুল। পরে ঘুমন্ত স্ত্রী মিনুকে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যান। মিনুর চিৎকার শুনে স্বজনরা এসে তাকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। কিন্তু তার আগেই মিনুর মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় মিনুর ভাই মো. নাছির উদ্দিন বাদী হয়ে বাঁশখালী থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।'#

আকাশজমিন/আরআর


এ সম্পর্কিত আরো খবর