দশমিনা (পটুয়াখালী)প্রতিনিধি
দশমিনায় উপজেলায় আলেয়া বেগম (৪৫)নামে নারীকে সঙ্ঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে দুইজনকে আসামি করে নারীর ও শিশু ট্রাইব্যুনালে এজাহার দায়ের করেছেন এক ভুক্তভোগী নারী। বুধবার ১৬ এপ্রিল পটুয়াখালী বিজ্ঞ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতে হারুন অর রশিদ (৩৮) মাহাবুল গাজী(৫৩) কে আসামি করে এজাহার দায়ের করেছে ভুক্তভোগী নারী। মামলার আসামিরা হলেন, উপজেলার সদর ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডের গাজী বাড়ির মৃত আঃ খালেক গাজীর ছেলে হারুন আর রশিদ,একই বাড়ির মৃত লেদু গাজীর ছেরে মাহাবুল গাজী।
মামলার
এজাহার সূত্রে জানা যায়,১৪
এপ্রিল সোমবার সময় ভুক্তভোগী আলেয়া
বেগম দশমিনা হাজীর হাটে ডাল বিক্রির
পাওনা টাকা নিয়া বাড়ীর
উদ্দেশ্যে রওনা দিরে মাঝপথে
পৌছাইলে রাত অনুমান ৮
টার দিকে ডা: ডলি
আকবর মহিলা কলেজের সানে গেলে ওই
দুইজন পিছনে থেকে আসে তার
মুখ চাপে ধরে রাস্তা
থেকে নামাইয়া ওই কলেজের পূর্ব
পাশে পরিত্যাক্ত ভিটায় নেয়। পরে তিনি ডাক
চিৎকার দিলে তারা এলোপাথারীভাবে
মারধর করে শরীরের বিভিন্ন
স্থানে জখম করে। এক
পর্যায়ে তাদের হাতে থাকা ধারালো
ছোরা দিয়া ভয় দেখাইয়া
জোর পূর্বক টানা হেচরা কইরা
কাপড় চোপড় খুলিয়া প্রথমে
হারুন অর রশিদ এবং
পরে মাহাবুল গাজী জোর পূর্বক
পালাক্রমে একাধিকবার ধর্ষন করে বলে মামলায়
উল্লেখ করা হয়েছে।
এর
পরে তিনি ধর্ষনের ফলে
অচেতন হইয়া পড়লে তারা হত্যার
উদ্দেশ্যে তাকে ওই পরিত্যাক্ত
ভিটায় পাশে হোতা খালে
নিয়া যায়। সেখানে নিয়া
তার বুকে পিঠে গলায়
লাথি ও কিল ঘুষি
মারে এক পর্যায়ে তিনি
তাদের কাছে প্রাণ ভিক্ষা
চাইলে হারুনা-রশিদ তার কাছে নগদ
ডাল বিক্রির ১৫ হাজার টাকা,
কানে থাকা ৮ আনা
ওজনের স্বর্ণের রিং যার মূল্য
মূল্য আনুমানিক ৬০ হাজার টাকা
জোর পূর্বক ছিনাইয়া নিয়া আমাকে ভয়ভীতি
দেখায় মারধর করে অজ্ঞান অবস্থায়
ওই ভিটার হোতা খালের পাড়ে
ফালাইয়া রাখে চলে যায়
ওই দুইজন।
এর
কিছুক্ষন পরে ওই নারীর
জ্ঞান ফিরে আসলে ডাক
চিৎকার করায় কিছু পথচারী
তাকে উদ্ধার করে তার মেয়েকে
খবর দিয়ে তার হাতে
তুলিয়া দেয়। পরে তিনি
বাসায় গেলে অসুস্থ হয়ে
পড়লে তাকে তার আত্মীয়
স্বজনরাপরের দিন ১৫ই এপ্রিল
বেলা ১১ টার দিকে
পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি
করেন। বর্তমানে F.S.W ওয়ার্ডের ০৮নং বেডে ভর্তি
আছে বলে মামলার কাগজে
উল্লেখ করেন তিনি।
পরে এ ঘটনায় বুধবার ১৬ই এপ্রিল পটুয়াখালী বিজ্ঞ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতে হারুন অর রশিদ (৩৮) ও মাহাবুল গাজী(৩৫) কে আসামি করে এজাহার দায়ের করেন ভুক্তভোগী ওই নারী। পরে এজাহার রুজু পূর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অফিসার ইনচার্জ দশমিনা থানাকে নির্দেশ প্রদান করে আদালত। এ বিষয় দশমিনা থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল আলীমকে মুঠোফোনে ফোন দিলে তিনি ফোন কেটে দেন।
আকাশজমিন/আরআর