ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
৯০ দিন বাড়ল ডাকসুর সময়সীমা, তফসিল ঘোষণাতেই বাতিল হবে কমিটি হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৬ জনের মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১৩১৬ ডেঙ্গুতে একদিনে আরও ৮ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১৫৯৩ ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনার মধ্যেই চীন সফরে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাগচি কিম জং উনের ছেলে সন্তান ঘিরে রহস্য, উত্তরসূরি নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে তর্ক বাংলাদেশের স্বাস্থ্যখাতে চীনের ব্যাপক বিনিয়োগের আহ্বান স্বাস্থ্যমন্ত্রীর ডিএসসিসি কার্যালয়ে প্রশাসকের ঝটিকা পরিদর্শন জ্বালানি হামলা বন্ধের প্রস্তাবে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে কী বলল মস্কো? পবিত্র মক্কা, জেদ্দা ও তাইফে জরুরি সতর্কতা জারি করল সৌদি আরব ৭ জনের ফাঁসির রায়ে ককটেল বিস্ফোরণ বড় বিষয় নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

মিথ্যা মামলা করায় বাদীর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ান


  • আপলোড সময় : শুক্রবার ০৯ মে, ২০২৫ সময় : ৫:৪৩ পিএম

নাটোর প্রতিনিধি

মিথ্যা তথ্যে মামলা করার দায়ে মিঠুন সরকার (২৮) নামের এক বাদীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন নাটোরের নলডাঙ্গা আমলি আদালতের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সুমন আলী। সোমবার (২১ এপ্রিল) বিকেলে নলডাঙ্গা আমলি আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে বাদীর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানার আদেশ দেন।

আদালতের বেঞ্চ সহকারী গাজিউর রহমান মিথ্যা মামলা করার অভিযোগে বাদীর বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, বাদীর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা দেওয়া হয়েছে।

মিঠুন সরকার নাটোরের নলডাঙ্গা উপজেলার পিপরুল জামতলি গ্রামের আহম্মদ সরকারের ছেলে। তিনি গত বছর ৫ সেপ্টেম্বর নলডাঙ্গা আমলি আদালতে হাজির হয়ে একই এলাকার নাজিম উদ্দিনসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। নলডাঙ্গা থানাকে মামলাটি তদন্ত করার দায়িত্ব দেন আদালত। তদন্তকারী কর্মকর্তা তদন্তে বাদীর মামলাটি মিথ্যা বলে প্রমাণিত হয়।

নলডাঙ্গা আমলি আদালত সূত্রে জানা যায়, মিঠুন সরকারের দায়ের করা মামলায় (১৮২সি/২৪) আসামিদের বিরুদ্ধে বাদীকে আটকে রেখে চাঁদা আদায় ও ডাকাতির অভিযোগ করা হয়। আদালতের নির্দেশে নলডাঙ্গা থানার উপপরিদর্শক আরিফুল ইসলাম মামলাটি তদন্ত করেন। তদন্তে মামলাটি মিথ্যা প্রমাণিত হয়। রোববার মামলাটির ধার্য তারিখ থাকলে বাদী আদালতে হাজির হননি। এ কারণে আদালতের বিচারক সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সুমন আলী বাদী হয়ে ফৌজদারি কার্যবিধির ২১১ ধারায় বাদী মিঠুন সরকারের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়েরের অভিযোগে মামলা করেন এবং তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা দেন। মামলায় আদালতের বেঞ্চ সহকারী গাজিউর রহমান ও তদন্তকারী কর্মকর্তা আরিফুল ইসলামকে সাক্ষী করা হয়েছে। একইসঙ্গে মিঠুন সরকারের মামলাটি খারিজ করে দেন।

আকাশজমিন/আরআর 


এ সম্পর্কিত আরো খবর