ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
অঙ্গ পাচার চক্রের হাত থেকে ফিরল লোহাগাড়ার রায়হান ডিএমপির ৩ সহকারী পুলিশ কমিশনারকে নতুন পদে বদলি মধ্যপ্রাচ্যে উত্তাপ: বিশ্ববাজারে তেলের দাম ছাড়াল ১০৭ ডলার হরমুজে নতুন নৌপথ: ওমানের আঞ্চলিক বৈঠক স্থগিত দেশে ফিরে ইতালিতে হামলার বিরুদ্ধে মুখ খুললেন অভিনেত্রী বাঁধন ব্রিকসে বিশ্বনেতাদের দেওয়া হলো নিরামিষ খাবার: বিজেপি-কংগ্রেস তুমুল বিতর্ক সারাদেশে ঘরে ঘরে জ্বর: ডেঙ্গু ও হামের সঙ্গে বাড়ছে টাইফয়েড ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধ হলেই কি থামবে মধ্যপ্রাচ্যের ইরান যুদ্ধ? ‘ট্রফি চোর’ অপবাদ মাথায় নিয়ে শান্ত মেজাজে মাঠ ছাড়লেন নাকভি ২৩ বছরের খরা কাটল না আমেরিকার, ইউএস ওপেনের ট্রফি জভেরেভের হাতে

তাড়াশে সড়কের পাশে ও পরিত্যক্ত জমিতে ঘাস চাষ


  • আপলোড সময় : বুধবার ২১ মে, ২০২৫ সময় : ৬:৩৮ পিএম

সিরাজগঞ্জ প্রতি‌নি‌ধিঃ

সিরাজগঞ্জরে তাড়াশে গো-খাদ্যের খরচ বাঁচাতে বিভিন্ন গ্রামীন সড়কের পাশে ও পরিত্যক্ত জমিতে ঘাস চাষ করা হ‌চ্ছে। এতে সড়কের সৌন্দর্য বৃদ্ধির পাশাপাশি লাভবান হচ্ছেন খামারি ও চাষিরা। গবা‌দিপশুর প্রধান খাদ‌্য ঘাস, তাই তা‌দের পু‌ষ্টির যোগান দি‌তে ও খাদ্যের খরচ বাঁচাতে অল্প খরচে সড়কের দুপাশে পরিত্যক্ত জায়গায় উন্নত জা‌তের পু‌ষ্টিকর নেপিয়ার জাতের ঘাস চাষ করছে খামারিরা।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগের পরামর্শে পরিত্যক্ত ও নীচু জমির পাশাপাশি বিভিন্ন সড়কের দুইধারে উন্নতজাতের ঘাস চাষ করছেন খামারিরা।

স‌রেজ‌মি‌নে দেখা যায়, বারুহাস রাস্তার দুপাশে লাগানো হয়েছে নেপিয়ার জাতের ঘাস। পরিত্যক্ত জমিতে চাষ করা এসব ঘাস যত্ন ছাড়াই দ্রুত বেড়ে উঠেছে। ঘাস  গবা‌দিপশুর খাওয়ার উপযোগী হলে কাটা হ‌চ্ছে, পুনরায় তা গজিয়ে আবারও খাবার উপ‌যো‌গি হ‌চ্ছে।

তাড়াশ উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিস সূত্রে জানা যায়, তাড়াশে বিভিন্ন রাস্তার পাশে ও পরিত্যক্ত জমিতে ঘাসচাষি ও ঘাস বিক্রেতা এই ঘাস রক্ষণাবেক্ষণের কাজে সম্পৃক্ত। এই উপজেলায় বৃহৎ ও ক্ষুদ্র পরিসরে ঘাস খাওয়ার উপযোগী অন্তত ১ লাখ ৫ হাজার ৩১০টি গরু, ছাগল, ভেড়া ও মহিষ রয়েছে।বারুহাস  গ্রামের খামারি জাহিদুল ইসলাম জানান, প্রাণিসম্পদ বিভাগের পরামর্শে পরিত্যক্ত জমি ও রাস্তার পাশে ঘাস লাগিয়েছি। নিজের গবাদিপশুর চাহিদা মিটিয়ে স্থানীয়ভাবে বিক্রিও করি।

তাড়াশ পৌর এলাকার কো‌হিত গ্রা‌মের খামা‌রি সবুজ জানান, বাজারে গো-খাদ্যের দাম তুলনামূলক বেশি। গরু-ছাগল লালনপালন করতে হিমশিম খেতে হয়। তাই বাড়ির পাশে ঘাস চাষ করেছি। যেন নিজের গরু-ছাগলের খাদ্যের চাহিদা কিছুটা মেটানো যায়।

ঘাস বিক্রেতা দেলবার হোসেন জানান, বর্তমান সময়ে গরু-ছাগলের খাদ্যের দাম বেশি হওয়ায় মানুষ ঘাসের উপর আগ্রহী হয়ে উঠেছেন। প্রায় প্রতিদিনই বাজারে ঘাস বি‌ক্রি ক‌রি, প্রতি আঁটি ঘাস ১০-২০ টাকা দরে বিক্রি হয়। এতে বাড়‌তি আয়ের একটা সুযোগ হয়েছে।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. আমিনুল ইসলাম জানান, গো-খাদ্যের অর্থনৈতিক চাপ কমানো ও গবাদি পশুর পুষ্টি বৃদ্ধিতে সড়কে নেপিয়ার ও জারাসহ বিভিন্ন জাতের ঘাস লাগানোর পরামর্শ দিচ্ছি। বর্তমান সময়ে গবাদিপশুর উৎপাদন খরচের অধিকাংশ ব‌্যয় হয় খাদ্যে। এতে খামারিদের লাভের পরিমাণ কমে যায়। তাই উন্নত জা‌তের ঘাস চাষে তাঁদের উৎসাহিত করা হচ্ছে।

আকাশজমিন/আরআর

 

 


এ সম্পর্কিত আরো খবর