ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় শক্তিশালী স্থানীয় সরকারের বিকল্প নেই: ড. আবদুল মঈন খান স্থানীয় সরকার নির্বাচনে শিক্ষাগত যোগ্যতার বাধ্যবাধকতা নেই: মীর শাহে আলম দুপুরের মধ্যেই বিদ্যুৎ পাচ্ছে বাংলাদেশ: কমবে লোডশেডিং এমপিও শিক্ষকদের নির্বাচন ভাগ্য নির্ধারণ করবে ইসি: মীর শাহে আলম সরকারি কেনাকাটায় পুকুরচুরি ঠেকাতে আসছে অভিন্ন একক দরতালিকা সাগর-রুনি হত্যার বিচার চেয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে লিখিত অভিযোগ তারুণ্য না অভিজ্ঞতা: ছাত্রদলের নতুন নেতৃত্ব চয়নে জটিল হিসাব-নিকাশ আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপন চ্যালেঞ্জের রিট খারিজ হাইকোর্টে ইন্দোনেশিয়ায় ২৪০ যাত্রী নিয়ে জাহাজ নিখোঁজ ঠাকুরগাঁও সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত, আটক ২

‘দেশের মালিক জনগণ অথচ তারাই ১৭ বছর ভোট দেওয়া থেকে বঞ্চিত ছিল’


  • আপলোড সময় : রবিবার ২২ জুন, ২০২৫ সময় : ৬:৪৯ পিএম

মাদারীপুর প্রতিনিধি ॥

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)‘র কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক হেলেন জেরিন খান বলেছেন, ‘দেশের মালিক জনগণ অথচ তাঁরাই ১৭ বছর ভোট দেওয়া থেকে বঞ্চিত ছিল। মানুষ তাদের মূল্যবান ভোট প্রয়োগ করতে পারে নাই, জনগণ হচ্ছে বাংলাদেশের মালিকানা প্রমাণ করার প্রথম ধাপ, তাদের মূল্যবান ভোট প্রয়োগ, সেটা থেকে তারা বঞ্চিত ছিল। ইনশাল্লাহ আগামী নির্বাচনে সৎ যোগ্য, যারা বাংলাদেশের উন্নয়ন করবে সেই সমস্ত নেতাদের আমরা ভোট দিয়ে জাতীয় সংসদে পাঠানোর জন্য কাজ করবো। শনিবার দুপুরে সদর উপজেলার পৌর শহরের চরমুগরিয়া কমিটিনিটি সেন্টারে মাদারীপুরে কর্মরত বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকদের সাথে পরিচিত ও মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।

তিনি আরো বলেন, “আমাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বাংলাদেশে কোন বাড়ি নেই, এই সততা আমাকে আকৃষ্ট করেছে। আমি সেই পথে হাটতে চাই, আমি আজ আপনাদের কাছে বলতে চাই ৪০ বছর রাজনীতি থেকে আমি এক টাকাও সুবিধা ভোগ করিনি। আগামী ৪০ বছরেও আমি রাজনীতি থেকে কোন সুবিধা নেবো না। আমি এই মাদারীপুরের জন্য কাজ করে যাবো। আমি আমার শ্রম-আমার অভিজ্ঞতা দিয়ে জাতীয়তাবাদী দল ও মাদারীপুরের জন্য কাজ করে যাবো।

হেলেন  জেরিন খান বলেন বলেন, “আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩শ আসনে নয়, প্রয়োজন হলে ৩ হাজার আসনেও প্রার্থী দিতে প্রস্তুত আছে বিএনপি। এতে বিন্দু পরিমান বিএনপির কষ্ট হবে না। বিএনপি একটি বৃহৎ দল। এই দলের জন্য অসংখ্য নেতাকর্মী জীবন দিয়েছে। বছরের পর বছর এলাকা ছাড়া। কেউ আবার কারাবরণ করেছে। কেউ কেউ চাকুরি ছাড়া হয়েছে, কিন্তু তারা কেউই এই দলকে ছাড়ে নাই। দলকে ভালবেসে ১৭ বছর অত্যাচার-নির্যাতন সহ্য করেছে। ওয়ার্ড থেকে শুরু করে ইউনিয়ন, পৌরসভা, থানা, জেলা সবখানেই বিএনপির অসংখ্য নেতাকর্মী রয়েছে। এসব নেতাকর্মী আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে অংশ নেয়ার দাবিদার। কিন্তু তাদের মধ্যে যারা সৎ ও যোগ্য, যারা মানুষের কল্যাণে কাজ করবে, তাদেরকেই প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দিবে কেন্দ্রীয় বিএনপি।

এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় বিএনপির সদস্য কাজী হুমায়ুন কবির, জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক সোহরাব হোসেন হাওলাদার, জেলা বিএনপি'র সদস্য আতাবার হাওলাদার, মজিবর হাওলাদার, হায়দার হাওলাদার,জেলা মৎস্যজীবী দলের সভাপতি সায়েম বেপারী, জেলা কৃষক দলের সদস্য সচিব অহিদুজ্জামান অহিদ, জেলা মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক মুনমুন আক্তার, ভিপি সরোয়ার, রাজৈর উপজেলা পৌর বিএনপির আহবায়ক শেখ জাকির প্রমুখ।

আকাশজমিন/আরআর


এ সম্পর্কিত আরো খবর