ভৈরব প্রতিনিধি:
কিশোরগঞ্জের ভৈরবে অসুস্থ্য বাবাকে কুপিয়ে হত্যা করেছে ছেলে। ৯৯৯ নাম্বারে কল পেয়ে নিহতের লাশ উদ্ধার করেন ভৈরব থানা পুলিশ। নিহত হাফিজ উদ্দিন (৬৫) নরসিংদী জেলার রায়পুরা থানার মনিপুরা গ্রামের মোল্লা বাড়ির বাসিন্দা। অভিযুক্ত আল আমিন (২৬) নিহতের ছেলে।
তারা বাবা ও ছেলে দীর্ঘদিন ধরে পৌর শহরের ভৈরবপুর কেবি হাউজের জালাল মিয়ার বাড়িতে ভাড়া থাকতেন। রবিবার দিনগত রাত দেড়টার সময় পৌর শহরের ভৈরবপুর কেবি হাউজের জালাল মিয়ার বাড়িতে এই ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় নিহতের ব্যক্তির ছেলে অভিযুক্ত আল আমিন (২৬) কে আটক করেছে থানা পুলিশ। পুলিশ ও স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, পৌর শহরের ভৈরবপুর উত্তরপাড়ার কে.বি হাউজের জালাল মিয়ার বাড়িতে রাত দেড়টার সময় পাশের রুমের বাসিন্দা চিৎকার শুনে গিয়ে দেখেন তাদের রুমে তালাবন্ধ।
এসময় তাদের রুমের সামনে গিয়ে ডাকাডাকি করলে কোন সাড়া না পেয়ে রাতেই জরুরি সেবা ৯৯৯ ফোন দিলে পুলিশ এসে ঘরের দরজা ভেঙ্গে দেখতে পায় রুমের ভিতরে নিহত বৃদ্ধের রক্তাক্ত মরদেহ মাটিতে পড়ে আছে। এ বিষয়ে ভৈরব থানার পুলিশের উপ-পরিদর্শক শক্তি মৃধা জানান, গভীর রাতে ৯৯৯ খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থল থেকে এক বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার ও লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করেছি। ময়নাতদন্তের জন্য কিশোরগঞ্জ মর্গে পাঠানো হবে।
ধারণা করা হচ্ছে ধারালো দেশীয় অস্ত্র নিয়ে কুপিয়ে তাকে হত্যা করা হয়েছে। এসময় বাবাকে কুপিয়ে হত্যার সন্দেহে ছেলে আল আমিনকে আটক করা হয়েছে। এই বিষয়ে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছেন বলে তিনি জানান। এবিষয়ে ভৈরব থানার ওসি খন্দকার ফুহাদ রুহানী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, অভিযুক্ত আল আমিনকে আটক করা হয়েছে। মামলা হওয়ার পর তাকে জেল হাজতে পাঠানো হবে।
আকাশজমিন/আরআর