ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় শক্তিশালী স্থানীয় সরকারের বিকল্প নেই: ড. আবদুল মঈন খান স্থানীয় সরকার নির্বাচনে শিক্ষাগত যোগ্যতার বাধ্যবাধকতা নেই: মীর শাহে আলম দুপুরের মধ্যেই বিদ্যুৎ পাচ্ছে বাংলাদেশ: কমবে লোডশেডিং এমপিও শিক্ষকদের নির্বাচন ভাগ্য নির্ধারণ করবে ইসি: মীর শাহে আলম সরকারি কেনাকাটায় পুকুরচুরি ঠেকাতে আসছে অভিন্ন একক দরতালিকা সাগর-রুনি হত্যার বিচার চেয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে লিখিত অভিযোগ তারুণ্য না অভিজ্ঞতা: ছাত্রদলের নতুন নেতৃত্ব চয়নে জটিল হিসাব-নিকাশ আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপন চ্যালেঞ্জের রিট খারিজ হাইকোর্টে ইন্দোনেশিয়ায় ২৪০ যাত্রী নিয়ে জাহাজ নিখোঁজ ঠাকুরগাঁও সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত, আটক ২

ভৈরবে ইলেক্ট্রিক শকে মাছ ধরছেন জেলেরা: দুই জেলেকে আর্থিক জরিমানা


  • আপলোড সময় : বৃহস্পতিবার ০৩ জুলাই, ২০২৫ সময় : ৫:১০ পিএম

 ভৈরব প্রতিনিধি:

কিশোরগঞ্জের ভৈরবে মেঘনা কোদালকাটি নদীতে অবৈধভাবে ইলেকট্রিক শক ব্যবহার করে মাছ ধরার প্রবণতা বেড়েছে স্থানীয় জেলেদের মধ্যে। এমন অভিযোগে নদীতে ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান চালিয়ে মাছ ধরার কাজে ব্যবহৃত ব্যাটারি ইলেক্ট্রিক যন্ত্রপাতিসহ দুই জেলেকে হাতেনাতে আটক করা হয়।

এসময় ভৈরবের শিমুলকান্দির পাচঘরহাটি এলাকার প্রবির চন্দ্র দাশ এবং ইমামেরচর এলাকার নুরুল ইসলামকে হাজার টাকা করে মোট ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট উপজেলা নির্বাহী অফিসার শবনম শারমিন।

আজ ৩জুলাই, বৃহস্পতিবার ভোরে উপজেলা প্রশাসন উপজেলা মৎস বিভাগ নদীতে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানের খবর পেয়ে অনেক জেলেরাই মাছ ধরা রেখে নদীতে থেকে নিরাপদে চলে যায়। মেঘনা নদীর  ফেরিঘাট, পাওয়ার হাউজ, কোদালকাটি নদীর পয়েন্ট, রাজাকাটা, শিমুলকান্দি, ইমামেরচর এবং তেয়ারিচরসহ ব্রহ্মপুত্র নদের বিভিন্ন স্পটে ইলেক্ট্রিক শক দিয়ে মাছ ধরা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।

অভিযানে সহযোগিতা করে উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা জয় বণিক, সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমান খান, সহকারী পাট উন্নয়ন কর্মকর্তা সিহাব উদ্দিন এবং নৌ পুলিশের সদস্যরা।

সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা জয় বণিক বলেননদীর তলদেশে বৈদ্যুতিক শক দিয়ে মাছ ধরা মৎস্য আইনের পরিপন্থী। নদীতে বৈদ্যুতিক শক পদ্ধতিতে মাছ ধরা অত্যন্ত বিপজ্জনক। এতে শুধু মাছ নয়, ডিমপাড়া মাছ, পোনা অন্যান্য জলজ প্রাণী যেমন কাঁকড়া, কুচিয়া, শামুক, গুইসাপ পর্যন্ত মারা পড়ে। নদীর জীববৈচিত্র্য ধ্বংসের অন্যতম কারণের মধ্যে একটি হলো বৈদ্যুতিক শক দিয়ে মাছ ধরা। স্থানীয়দের অভিযোগ পেয়ে, নদীতে অভিযান চালিয়ে দুই জেলেকে আটক করার পর জরিমানা করা হয়। এবং বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম জব্দ করা হয়।

 আকাশজমিন/আরআর


এ সম্পর্কিত আরো খবর